নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘নানা অজুহাতে’ ২ বছর অচল করে রাখা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের গড়া মহেশখালীর পাইপলাইন, কিস্তি গুনছে বিপিসি
ভিসা সংকটে থমকে আছে শ্রমবাজার, তবুও ১ কোটি কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুর
কোথায় কোথায় শিক্ষা সফর করছেন জামায়াতের ৩৪ সাংসদ?
জুলাইয়ে থানা-ফাঁড়ি লুটের ১৪১৭টি অস্ত্র ও প্রায় ৩ লাখ গুলি এখনও চিহ্নিত সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের হাতে
পথে পথে ভাড়া নৈরাজ্য
লঞ্চের ভাড়া ৬০% বাড়ানোর দাবি
রেলে ব্যয় বাড়ল বাড়বে লোকসান
ক্ষমতায় টিকে থাকার ‘আমেরিকান গ্যারান্টি’? কাতারের স্বল্পমূল্যের এলএনজি ছেড়ে কেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি?
কাতারের সাথে ১৫ বছর মেয়াদি সবচেয়ে কম মূল্যের চুক্তি বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চড়া দামে এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। সরকারের এই ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ রাজনৈতিক চালে তোলপাড় শুরু হয়েছে জাতীয় নীতি-নির্ধারণী ও জ্বালানি খাতে।
সমালোচকদের অভিযোগ— দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও জনগণের পকেটের কথা চিন্তা না করে স্রেফ ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই এই চড়া মূল্যের চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতারের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি একটি সমঝোতা ও সরবরাহ চুক্তি কার্যকর ছিল। বাজারের অন্যান্য উৎসের তুলনায় কাতার অত্যন্ত সুলভ মূল্যে গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল এবং এই চুক্তির মেয়াদ এখনো প্রায় ১২ বছর বাকি।
তা সত্ত্বেও, অতি সম্প্রতি কাতারের সাথে করা সেই চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চড়া মূল্যে এলএনজি আমদানির চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সরকার।
অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, কাতারের মতো নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী উৎস সচল রেখেও দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের চাহিদা পূরণ করা পুরোপুরি সম্ভব ছিল। বর্তমান বাজারদরের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জ্বালানি আমদানির খরচ অনেক বেশি। এর ফলে দেশের জ্বালানি খাত ও জাতীয় কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক চাপ পড়বে।
মোদ্দাকথা, আমদানির এই বাড়তি খরচের বোঝা গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের কাঁধেই চাপানো হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন এলএনজি চুক্তি মোটেও কেবল অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক বিষয় নয়; এর পেছনে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক ও ক্ষমতার সমীকরণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমর্থন আদায় করা ও গদিতে টিকে থাকার তাগিদেই তারেক রহমানের সরকার জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে এখন চতুর্দিক থেকে প্রশ্ন উঠছে। সংশ্লিষ্ট মহলগুলো অবিলম্বে এ সিদ্ধান্তের পুনর্মূল্যায়ন দাবি করেছে এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক সুরক্ষায় পুনরায় সাশ্রয়ী উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির জোর তাগিদ দিয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]