নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?
গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার
আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর
তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক!
জামায়াতের সদস্যদের লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার নির্দেশ: মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকানোই কি উদ্দেশ্য, নাকি নতুন কোনো কূটকৌশল?
জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তরের প্রকাশিত জুলাই ২০২৪-এর সহিংসতায় নিহতদের তালিকা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও নজিরবিহীন অসঙ্গতি সামনে এসেছে। তালিকায় ‘নিহত’ হিসেবে নাম আসা পাবনার রাফিউল ইসলাম (রাফি) নামের এক যুবক নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও জীবিত দাবি করেছেন। এই ঘটনার পর থেকে জাতিসংঘের তথ্য সংগ্রহের মান ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার ঝড় উঠেছে।
“আল্লাহর রহমতে জীবিত আছি”: ভিডিও বার্তায় রাফি
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের প্রতিবেদনে জুলাই ২৪-এর সহিংসতার হতাহতদের যে তালিকা যুক্ত করা হয়, তাতে পাবনার রাফিউল ইসলাম রাফির নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে মৃত্যুর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এক ভিডিও বার্তায় হাজির হন রাফি নিজে।
ভিডিওতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,“আমি রাফিউল ইসলাম রাফি। আমার বাড়ি পাবনায়। বিভিন্ন মাধ্যমে দেখেছি, নিহতদের তালিকায় আমার নাম এসেছে। কিন্তু আমি আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ ও জীবিত আছি।”
তিনি জীবিত থাকার প্রমাণ দেওয়ায় একদফা স্বস্তি ফিরলেও, আন্তর্জাতিক মানের একটি দপ্তরের তালিকায় কীভাবে একজন জীবিত মানুষের নাম ‘নিহত’ হিসেবে উঠে এলো—তা নিয়ে তীব্র বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেটিজেন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তালিকায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
জুলাই শহিদের তালিকা নিয়ে আরও প্রতিবেদনঃ জুলাই শহীদ গ্যাজেট
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার দাপ্তরিক প্রতিবেদনে এমন গুরুতর ভুল কীভাবে জায়গা পেল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সচেতন মহল নানা সমীকরণ মিলাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্র মতে, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। তবে এই চরম অসঙ্গতি ও বিতর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাফিউল ইসলামের এই দাবির সত্যতা ও তালিকার পেছনের বিভ্রান্তি উন্মোচনে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি জাতিসংঘের অফিশিয়াল বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে দেশবাসী।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।