মিসরে দানখয়রাতে চলছে গাজা শরণার্থীদের দিন – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ৩১ May, ২০২৫
১১:০৪ am
161 ভিউ

মিসরে দানখয়রাতে চলছে গাজা শরণার্থীদের দিন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ May, ২০২৫ | ১১:০৪ 161 ভিউ
মিসরে দানখয়রাতে চলছে গাজা শরণার্থীদের দিন। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে অর্থের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কায়রোতে গাজার উদ্বাস্তুদের সাহায্যকারী এমন একজন স্বেচ্ছাসেবক আমিরা। তিনি খাদ্য ও সাহায্য প্যাকেজ পাঠানোর জন্য একটি স্থানীয় গ্রুপে যোগ দিয়েছিলেন। তারই মতো আরও একজন স্বেচ্ছাসেবক রায়া বলেছেন, কিছু ক্ষেত্রে মানুষ আমাদের কাছে তাদের বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য সাহায্য করার জন্য ভিক্ষা চায়। দ্য গার্ডিয়ান। যুদ্ধ শুরুর প্রথম ৩৮ দিনে রায়ার গ্রুপ ৩০ হাজার ডলারের বেশি সংগ্রহ করেছে। যার বেশির ভাগই আবাসন এবং ওষুধের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তারা সম্মিলিতভাবে ১০০টি পরিবারের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করেছে। গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর মিসরে চলে আসা এমন একজন রানিয়া। কায়রোতে আসার জন্য তিনি তার সব গহনা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। উত্তর গাজায় ভারী গোলাবর্ষণের পর জীবন বাঁচাতে পালিয়ে আসে তার পুরো পরিবার। এরপর গাজায় আশ্রয় শিবিরে ছিলেন তারা। দীর্ঘ তিন মাস পর, তিনি সীমান্ত শহর রাফাহতে নিজের আংটি, সোনার ব্রেসলেট এবং নেকলেস বিক্রি করে ১৫ হাজার ডলার দিয়ে মিসরে আসতে হয় তাকে। বর্তমানে রানিয়া এবং তার পরিবার কায়রোতে একটি অ্যাপার্টমেন্টের জন্য খাবার এবং ভাড়া দেওয়ার জন্য তৃণমূল দাতব্য সংস্থার ওপর নির্ভর করছে। এটি তার পুরোনো জীবনের সম্পূর্ণ বিপরীত। রানিয়া বলেন, এর আগে তার স্বামী একটি সাহায্য সংস্থার জন্য কাজ করে ভালো বেতন পেতেন। তাদের দুটি বাড়ি, দুটি গাড়ি ছিল। তার সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত। এখন সেগুলো সবই অতীত। রানিয়ার মতো এমন আরও অনেক পরিবার যুদ্ধের পর মিশরে আশ্রয় নিয়েছে। রানিয়া বলেন, ‘মিসরে জীবন সহজ নয়। আমরা এখানে থাকতে চাই না, তবে আমরা ছেড়েও যেতে চাই না। মাঝে মাঝে আমরা দেশত্যাগের কথা ভাবি। কিন্তু যখনই আমরা বিষয়টি নিয়ে আসি, আমরা সবাই আমাদের হৃদয়ে জানি যে আমরা কেবল গাজায় ফিরে যেতে চাই।’ মিসরীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ৮৩ হাজারেরও বেশি মানুষ গাজা ছেড়েছে। এরপর থেকে বেশিরভাগই অন্য দেশে ভ্রমণ করেছে। কিন্তু স্বেচ্ছাকর্মীরা বলছেন ত্রাণ সাহায্যের অপ্রতুলতা সত্ত্বেও হাজার হাজার ফিলিস্তিনি মিসরে আশ্রয় নিচ্ছেন। যদিও গাজা থেকে মিসরে ভ্রমণ প্রাথমিকভাবে একাধিক সংস্থার ভিন্ন ভিন্ন মূল্য চার্জ করত। একক কোম্পানি সীমান্ত ক্রসিংয়ে একজন প্রাপ্তবয়স্কের জন্য ৫ হাজার ডলার এবং প্রতিটি শিশুর জন্য ২৫০০ ডলার নিয়ে থাকে। একজন মিসরীয় অ্যাক্টিভিস্টের মতে, হালা কনসাল্টিং এবং ট্যুরিজম ‘এখন গাজা থেকে বের হয়ে আসার একমাত্র উপায়’।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা