নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ – বর্ণমালা টেলিভিশন

নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ November, ২০২৬ | ৮:৩০ 4 ভিউ

চিলমারী নদীবন্দরের বাজারে নূর আলমের সঙ্গে দেখা হয়। তাঁর বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের ব্যাপারীপাড়া। তিনি ৪০ বছর বয়সী এবং মাছ ধরার ঝুঁকি নিয়ে দেশান্তরী হওয়া এই এলাকার আরও অনেকের মতোই জীবনের কঠিন পর্যায়ে আছেন।

বিজ্ঞাপন

২৭‑২৮ বছর আগে তিনি প্রথম চাচার সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে আসামে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তখন পাসপোর্ট‑ভিসার এত কঠোর ছিল না; গ্রামের অনেক মানুষই আসামে মাছ ধরতে যেতেন এবং তাদের সঙ্গে ছোট ছেলেও যেত। নৌকা ও বাসে প্রায় দুই দিনের পথ অতিক্রম করে তারা আসামের জোড়হাটে পৌঁছাতেন।

নূর আলম জানান, জোড়হাটে সবাই একেক জায়গায় মাছ ধরতে যান; তাদের বাপ‑দাদারা ঐ জায়গায় মাছ ধরতেন। জোড়হাটের মানুষরা ভালো এবং জলমহালের মালিক সাধারণত একজন থাকায় জেলেদের ভাগে বেশি মাছ পড়ে। তিনি বলেন, মাছ বিক্রির টাকার ৪০ শতাংশ জলমহালের মালিক পান, বাকি ৬০ শতাংশ জেলেদের।

চিলমারীতেও ব্রহ্মপুত্র, আসামেও ব্রহ্মপুত্র; তবু কেন আসামে যান? নূর আলমের ব্যাখ্যা হল, মাছ উজানের দিকে যায়। এছাড়া আসামে নদীর মাছ রক্ষায় বছরের কয়েক মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকে, ফলে নদীর ধারে বন ও জলাভূমি থাকে, যেখানে মাছ বড় হয় এবং পরিমাণে বেশি হয়। চাল‑সবজির দামও তুলনামূলক কম। নৌকা ভাড়া নিতে হয়, তবে জাল নিজেদের।

মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলে তারা বাড়ি ফিরে আসেন; ফেরার সময় নিজেদের জাল পরিচিত লোকজনের বাড়িতে রেখে যান, পরের মৌসুমে আবার ব্যবহার করার জন্য। একই ঘটনা দুইবার উল্লিখিত হয়েছে, কারণ এটি তাদের কাজের পদ্ধতি।

বিজ্ঞাপন

মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলে তারা বাড়ি ফিরে আসেন। ফেরার সময় নিজেদের জাল পরিচিত লোকজনের বাড়িতে রেখে আসেন, পরের মৌসুমে আবার ব্যবহার করবেন বলে।

মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলে তারা বাড়ি ফিরে আসেন। ফেরার সময় নিজেদের জাল পরিচিত লোকজনের বাড়িতে রেখে আসে, পরের মৌসুমে আবার ব্যবহার করবে।

মাছ ধরে ফিরে কখনো এক লাখ, কখনো দুই লাখ, এমনকি পাঁচ লাখ টাকাও আয় করেছেন নূর আলমরা দল বেঁধে। কিন্তু এত বছর মাছ ধরে আয় করেও নূর আলমের জীবনে স্বস্তি আসে নি। তাঁর ছেলেটি জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, স্ত্রী‑ও অসুস্থ। স্ত্রী ও সন্তানের চিকিৎসায় তাঁর ১৪‑১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

নিজের কোনো জমি‑জমা ছিল না, ঘরও ছিল না। বড় ভাইয়ের দেওয়া সাড়ে তিন শতক জমিতে একটি ঘর তুলেছেন। বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। ছোট মেয়ের বয়স এক বছর। এখন তিনি বেকার; মাঝেমধ্যে বালুর ট্রলারে কাজ করতে যান।

বিজ্ঞাপন

আদমের বয়স ৩৬ বছর। তার বাবা রফিকুল ইসলাম। বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ফরিদাবাদ, ডাক্তারপাড়া। বর্তমানে কুড়িগ্রাম শহরের ঐশী রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন। বাবুর্চি হিসেবে এমন দক্ষতা অর্জন করেছেন যে কুড়িগ্রামের মতো শহরেও দৈনিক দেড় হাজার টাকা মজুরি পান; মাসে আয় ৪৫ হাজার টাকা। সামনের মাস থেকে দৈনিক মজুরি বেড়ে ২ হাজার ১০০ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

এর বাইরে প্রতিমাসে বিয়ের রান্নার কাজও পান। গড়ে চার‑পাঁচটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কাজ করেন। প্রতিবার মজুরি পাঁচ হাজার টাকা। বিয়ের রান্না থেকে মাসে আরও ২০‑২৫ হাজার টাকা আসে। এই বাড়তি আয় তিনি জমিয়ে রাখেন।

আদমের ভাষায়, ‘সরকারি চাকরিতে যেমন পেনশন থাকে, আমারও তেমন। আমি চাকরি ছেড়ে দিয়ে কী করব? বাড়িতে যেগুলো দিয়েছি, সেগুলো তো কাজের মধ্যেই বন্ধ। কিছু করতে চাইলে মা বলবে, এটা করা ঠিক হবে? আব্বা বলবে, আচ্ছা থাক। ছোট ভাই মন খারাপ করবে। আর নিজের পুঁজি দিয়ে যখন কিছু করতে চাইব, তখন কেউ কিছু বলবে না। আল্লাহপাক সুস্থ রাখলে দুই বছর পর বাড়িতে যাব।’

আদমের বাড়ি ছাড়ার গল্প ২০০২ সালে শুরু হয়; তখন তাঁর বয়স ১১ বছর। বাড়িতে তাকে একটি কাজ করতে বলা হয়েছিল, তিনি তা করেননি। অভাবের সংসার, সারা দিন ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারাগঞ্জ বাজারে দুই দিন কাটান। তৃতীয় দিন রওনা দিয়ে রংপুরের উদ্দেশে যান; তারপর দিনাজপুর, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট ও গাইবান্ধা ঘুরে এখন কুড়িগ্রামে পৌঁছেছেন।

বিজ্ঞাপন

ছোটবেলায় রংপুর‑দিনাজপুর চিনতেন না। রংপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন দিনাজপুরে। সেখানে একটি হোটেলে ১০‑১২ দিন কাজ করেন। বাসস্ট্যান্ডের পাশে ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি ছোট রেস্তোরাঁয়ও কাজ করেছেন; মালিক তাঁকে নিজের ছেলের মতো দেখতেন। কিন্তু সেখান থেকে আবার বাসে চড়ে রংপুরে ফিরে যান।

তখন অনেক জায়গা ঘুরে দেখার ইচ্ছা ছিল। ঘুরতে ঘুরতে নিজের টাকা শেষ হয়ে যায়। হোটেলে কাজ শুরু করেন। রাতে দায়িত্ব পালন করতেন, বিকেলে অবসর পেলে ঘুরে বেড়াতেন।

বাসস্ট্যান্ডের পাশে ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি ছোট রেস্তোরাঁয়ও কাজ করেছেন। মালিক তাঁকে নিজের ছেলের মতো দেখতেন। কিন্তু সেখান থেকে আবার বাসে চড়ে রংপুরে ফিরে যান। তাদের জমি‑জমা ছিল না। একটি হালের গরু ছিল, সেটিও দাদার। চাচার সংসার আলাদা, তাঁদের সংসারও আলাদা। তাঁদের থাকার ছোট্ট ঘরটি ছিল খড়ের। একদিকে হাঁস‑মুরগি থাকত, অন্যদিকে বাবা‑মায়ের সঙ্গে তিন ভাইবোন থাকতেন।

আদমের ভাষায়, ‘বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি সরাসরি আমাদের গায়ে পড়ত। ঝড়‑তুফান হলে খাটের নিচে ঢুকতাম, এই বুঝি ঘর ভেঙে পড়ে!’

বিজ্ঞাপন

সেই দিন এখন অতীত। আল্লাহর রহমতে এখন তারা পাকা বাড়িতে থাকেন। পাঁচ‑ছয় বছর পর তাঁর বাবাও বাড়ি ফিরে এসেছেন। এখন সংসারের মূল চালিকা শক্তি তাঁর মা। টিনের ঘর করার পর বোনের বিয়ে দিয়েছেন। দুই ভাই কর্মক্ষম হয়েছে। এখন চার ঘরের ছাদঢালাই বাড়ি করেছেন। এখন তাদের প্রায় ৬০ শতক জমি আছে; প্রায় ৫১ শতক ধানের জমি, বাকিটা বাড়িভিটা।

কষ্টের জীবন পেরিয়ে আদমের এই জায়গায় পৌঁছানোর পেছনে দুটি বিষয় কাজ করেছে—ক্ষুধা আর মায়ের কষ্ট। তাঁর কথায়, ‘মা একমুঠো ভাত যেভাবে জোগাড় করে এনে দিতেন, তা ভোলার নয়। অনেক সময় আমাদের খাইয়েছেন, নিজে খাননি। এমন দিনও গেছে, ভাত ছিল না। মা আঁটিকলা সেদ্ধ করে খাইয়েছেন। মায়ের এই স্মৃত’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা