নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাটে আওয়ামী লীগ নেত্রী ডালিয়াকে জবাই করে হত্যা
সাভারে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ: শিক্ষক স্বামীকে সহায়তাকারী স্ত্রী গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা হুজুরের, মাদ্রাসা ভাঙচুর করে আগুন দিলেন এলাকাবাসী
টেকনাফে পাহাড়ে ৩ দিন নির্যাতন: ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণে বাড়ি ফিরলেন যুবক
১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস অফিসে ভাঙচুর-লুটপাট
প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় কৃষি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
শেরপুরে নকলায় মাজারে ভাঙচুর
শেরপুরের নকলা উপজেলায় দুপক্ষের বিবাদের মধ্যে একটি মাজারে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার বিকেলে বানেশ্বর্দী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
এদিকে এদিন রাত ৯টায় দিকে মাজার নিয়ে বিবদমান দুই পক্ষ আলোচনায় বসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাত সোয়া ১০টা পর্যন্ত দুই পক্ষের কয়েক শত লোক নকলা থানার পাশেই সালিশিতে অংশ নেন বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের কান্দাপাড়া নামক স্থানে প্রায় ৪৫ শতাংশ জমির ওপর প্রায় ১০ বছর আগে গড়ে ওঠে মাজারটি। স্থানীয় আধ্যাত্মিক সাধক আরফুজ পাগলের নামে মাজারটির নামকরণ করেন তার শিষ্য ও অনুসারীরা। আরফুজ ল্যাংটা পাগল হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
তারা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে মৃত্যুর পর আরফুজ পাগলকে পৈতৃক ভিটে কান্দাপাড়ায় দাফন করা হয়। এরপর স্বজন ও শিষ্যরা সেখানেই গড়ে তোলেন একটি মাজার। প্রতিদিন সেখানে অনেক লোকজন আসতেন সাধনা করতে।
আরফুজের মা-বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। এক ভাই ছিলেন, তিনিও মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পর ৪৫ শতাংশ জমি ভাগ-বাঁটোয়ারা করার প্রস্তুতি নিলে দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, বেশ কিছুদিন জমি নিয়ে চাচা-ভাতিজার মধ্যে দ্বন্দ্ব চলার পর আজ শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৫-৬ জনসহ ৫০-৬০ জন সালিশি বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালে নামাজের সময় হলে সবাই নামাজে চলে যান। নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই ২০০-২৫০ লোক মাজারে অনৈতিক কাজ হয় এমন অভিযোগ এনে হামলা চালায়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে মাজারটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার, নকলা থানার ওসিসহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত লোকজনকে অনেক চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ‘জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব। একপক্ষ মাজার রাখবে। অপর পক্ষ রাখবে না। তারা জমি ভাগ করে নেবে। এ নিয়ে ঝামেলা শুরু হলে আসাদুজ্জামান কেনু মিয়া গং মাজার ভাঙচুর শুরু করেন। প্রতিরোধ করতে আসেন আবু হানিফা।’
তিনি বলেন, ‘এখানে পাবলিক কিংবা কোনো মুসল্লি এসে মাজার ভাঙেনি। কারা ভেঙেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]