নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারও বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করল কানাডা
আওয়ামী লীগ আমলের চুক্তি: ভারত থেকে আসছে নতুন প্রজন্মের রেলকোচের প্রথম চালান
চরম পর্যায়ে লোডশেডিং: ভোগান্তিতে বাড়ছে জনরোষ, নিরাপত্তা শঙ্কায় বিদ্যুৎকর্মীরা
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তির অভিঘাত: বাংলাদেশ সরকারের কেনাকাটার সকল তথ্য দাখিলের চাপ
৫০% চাঁদা না পেয়ে পুলিশের সামনেই ঠিকাদার ও সাংবাদিকের উপর কর্ণফুলী যুবদল নেতার হামলা
কী দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা ভারতকে, যা ভারত চিরকাল মনে রাখবে?
হোটেল অলিও অভিযানে আটক- ইউনূস আমলে খালাস, জেএমবির ‘বোমারু মামুন’ এখন পুলিশের খাতায় ‘নাটের গুরু’
একইসাথে বাসাবাড়ি ও শপিংমলে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না: রাত ৮টার পর বন্ধ মল-মার্কেট
বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে (২০০১-২০০৬) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন একইসাথে বাসাবাড়ি ও শপিংমলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। যদিও সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাত্র ৩ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে শতভাগ বিদ্যুতায়ন এবং ২৫ হাজার+ মেগাওয়াট সক্ষমতায় নিয়ে যান।
যদিও এখন আবার সেই ২৫ বছর পেছনে ফিরে গেছে বাংলাদেশ। খালেদা জিয়ার পুত্র বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মাঝে তারেক রহমানের সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত এলো।
বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে জারিকৃত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আজ ১২ই আগস্ট, বুধবার থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ রাখতে হবে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের আলোকসজ্জাও।
বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের বার্তায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের গত ১১ই জুনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এতদিন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত ১২ই আগস্ট থেকেই কার্যকর হবে।
নতুন নির্দেশনার আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান ও ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। অর্থাৎ এসব আয়োজনের ক্ষেত্রেও রাত ৮টার সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।
তবে জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ফার্মেসি ও ওষুধের দোকানসহ অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
নির্ধারিত সময়সূচি ও নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন সময়সূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।