নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দিনেশ ত্রিবেদী: ভালো সম্পর্ক হলে উভয় দেশের জন্য হবে ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’
১০ ঘণ্টার ব্যবধানে লোডশেডিংয়ের নতুন জাতীয় রেকর্ড
বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ
হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর পথ চলার আশ্বাস তারেক রহমানের
পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন: পুলিশে থাকা ‘লীগের দোসর ও গুপ্তরা’ বাহিনীর মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে
পুলিশে কর্মরত গোপালগঞ্জবাসীদের ‘গোপালী’ আখ্যা দিয়ে তাদের চিহ্নিত ও তালিকা তৈরির নির্দেশ নারায়ণগঞ্জের এমপির
১০০ কোটি টাকার জীবনরক্ষাকারী যন্ত্র অচল: অথচ সচল যন্ত্র ‘নষ্ট’ দেখিয়ে লোপাট অর্ধকোটি টাকা
ইউএসএআইডির ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের কথা সঠিক নয়
বাংলাদেশে ইউএসএআইডির ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের যে কথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তা সঠিক নয়। এটি মিথ্যা অভিযোগ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ‘স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন; যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসন্ধান করেছে।
অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালকে (ডিআই) নির্বাচিত করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা আহ্বানের প্রেক্ষিতে বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় এবং একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণের মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে ইউএসএআইডি।
২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। পরে প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানো হয় এবং ধাপে ধাপে এর অর্থ আসে। শুরুতে এসপিএল প্রকল্পটি ছিল ৫ বছর মেয়াদি ও বাজেট ১৪ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনায় ছিল ইউএসএআইডি ও অর্থায়নে ছিল ইউএসএআইডি এবং যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডি (বর্তমানে এফসিডিও)। এই প্রকল্পে ডিএফআইডির অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার।
এসপিএল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল-রাজনৈতিক সহিংসতা কমিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বাড়ানো, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সৃষ্টি, দলগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার উন্নয়ন ও প্রতিনিধিত্বমূলক নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহ দেওয়া। প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশে জরিপ কার্যক্রমও পরিচালনা করে ডিআই।
উল্লেখ্য, ইউএসএআইডির প্রকল্পের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করাটা বাধ্যতামূলক। এতে আর্থিক নিরীক্ষার প্রক্রিয়াটি শক্তভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়।
অনুসন্ধান থেকে দেখা গেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে এসপিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা শুরু করে। ফলে এটি বাংলাদেশের দুইজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে দেওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়।
আসলে এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কিছু করার এখতিয়ার থাকে না।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।