নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
আগস্টের শেষে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ ৭ই জুলাই, মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে এক মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, “রাশিয়ানদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তাতে আগামী আগস্টের শেষ দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সরবরাহ করা যাবে।”
গত মে মাসে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে।
গত ১১ই জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) থেকে চলতি বছরের আগস্ট মাস নাগাদ ৩০০ মেগাওয়াট এবং আগামী বছর ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস নাগাদ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
চরম বিদ্যুৎ সংকটে দেশবাসীর দৃষ্টি শেখ হাসিনার সেরা অবদান রাশিয়ার তৈরি “রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র”র দিকে
তিনি আরও জানান, ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
এরই মধ্যে একটি চুল্লিতে ফুয়েল রড প্রবেশ করানো হয়েছে, যা থেকে আগামী আগস্ট ২০২৬ নাগাদ ৩০০ মেগাওয়াট এবং জানুয়ারি ২০২৭ নাগাদ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাস্তবায়নের পেছনে যে নেতৃত্ব, পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাজ করেছে, তা মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ের।
২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে চুক্তি করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৩ সালে শুরু হয় নির্মাণের আনুষ্ঠানিকতা। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটির মূল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা রোসাটমের মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ ঋণ সহযোগিতায় (প্রায় ১১.৩৮ বিলিয়ন ডলার) এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চুক্তি এটি। অথচ এখন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলেও এসব ইতিহাস ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে।
.
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এ ধরনের সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তসমূহ বাংলাদেশকে জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষতা ও শিল্পায়নে অনেক দূর এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর এর পেছনে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান অনস্বীকার্য।
রূপপুর প্রকল্পটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে এই প্রকল্প থেকে আসা বিদ্যুৎ দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে নতুন আশার সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।