নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক
শুভ জন্মাষ্টমী আজ
নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন রোববার
তনু হত্যায় দুই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ
দ্বীনি শিক্ষার নামে মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমন্বয়ে ধর্ষকচক্র: ৭ বছরের ছাত্রের জবানবন্দিতে উঠে এলো ভয়ঙ্কর চিত্র
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ইউনূসের থ্রি জিরোর পর এবার এলো তারেক রহমানের ‘থ্রি আর’ স্ট্র্যাটেজি
হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল
অভিনব পদ্ধতিতে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা সরিয়ে গড়া হয় খামার!
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ভল্ট থেকে গ্রাহকের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সিনিয়র কর্মকর্তা ও ক্যাশ ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন (৪১) এবং তার সহযোগী মো. জাফরুল্লাহ তানভীর (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও ব্যাংক সূত্র জানায়, গত ৯ই আগস্ট দিনের নিয়মিত লেনদেন শেষে ভল্টে থাকা নগদ অর্থের হিসাব মেলাতে গিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের নথিপত্র ও হিসাব যাচাই করে কর্মকর্তারা ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি শনাক্ত করেন।
তদন্তে অর্থ সরানোর ক্ষেত্রে অভিনব কৌশলের তথ্যও উঠে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এক হাজার টাকার নোটের বড় বান্ডিলের ভেতরে ১০০ টাকা বা তার চেয়ে কম মূল্যমানের নোট ঢুকিয়ে বান্ডিল তৈরি করা হতো। এভাবে ভল্টে পর্যাপ্ত টাকা রয়েছে—এমন একটি দৃশ্য তৈরি করে দীর্ঘ সময় ধরে ঘাটতি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়।
পুলিশের অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভল্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া অর্থের একটি অংশ দিয়ে হাটহাজারীর উত্তর বুড়িশ্চর এলাকায় ‘ইশরাত অ্যাগ্রো’ নামে একটি গরুর খামার গড়ে তোলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
খামারটিতে বর্তমানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি গরু রয়েছে। গ্রেপ্তার তানভীর খামারটির দায়িত্বে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনার পর অগ্রণী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইকবাল হোসেন জানান, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের কাছ থেকে আলামত হিসেবে দুই জোড়া মোবাইল ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের তথ্যসহ ৬৪ জিবির একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভল্টের বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে সরানো হলো, ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না এবং আত্মসাৎ করা অর্থের পুরোটা কোথায় সরানো হয়েছে—এসব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]