আমিও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১ April, ২০২৬
৯:১৬ am
105 ভিউ

আরও খবর

রংপুরের কাউনিয়ায় দিনদুপরে বাড়ির সামনেই আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

অ্যাডভোকেট পাপিয়া: মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে একমত

ওবায়দুল কাদের: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে মরিয়া হয়ে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি

নকল টিভিসহ বিভিন্ন ধান্দায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে পলাতক গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা এক যুগ পর গ্রেপ্তার

জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা

এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ

আমিও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ April, ২০২৬ | ৯:১৬ 105 ভিউ
স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রম হলেও পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনিও একটি ক্ষুদ্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘জুলাই সনদ’-এর ওপর আনীত জনগুরুত্বপূর্ণ মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনের শুরুতে আলোচনার অনুমতি দেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। স্পিকারকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। সেই মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবার কয়েক ফোঁটা রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ আমাদের সকলের।’ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে কেউ না কেউ এ দেশের শাসনভার পরিচালনা করবেন, এটিই স্বাভাবিক। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন রাজতন্ত্র থাকে না, সেখানে বংশপরম্পরায় শাসনের অবস্থাও থাকে না। সেখানে জনগণের ভোটে গঠিত সরকার দেশ পরিচালনা করে। দুঃখের বিষয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও জনগণের ভোটের অধিকার খর্ব করা হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম যে সরকার হয়েছিল, তারা জনগণের ভোট পেয়েই নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু আমরা সেখানে লক্ষ করলাম, যারা বহুদলীয় গণতন্ত্রের কারণে এই সুযোগটা পেয়েছিলেন, তারাই এসে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করলেন। ৭২-এর যে সংবিধান, তার অনেকটুকু এখানে হারিয়ে ফেলে। যখন একদলীয় কোনো শাসনব্যবস্থা কোনো দেশে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়ে যায়, কার্যত সেই দেশে জনগণের ভোটের আর বড় কোনো মূল্যায়ন থাকে না। এভাবে বারবার সরকার এসেছে, সরকার গিয়েছে।’ বিগত সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান স্মরণ করিয়ে দেন, ‘সর্বশেষ ২০০৯ সালে যারা সরকার গঠন করেছিলেন ২০০৮ সালের একটা বোঝাপড়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, তারা দেশে কী করেছেন তার জ্বলন্ত সাক্ষী আজকের এই সংসদ। আমি সেই জন্য বলেছিলাম, আমার ধারণা, ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে নির্যাতনের শিকার হননি এমন বোধ হয় কোনো সদস্য এখানে নেই। কেউ হয়েছেন বারবার, কেউ হয়েছেন হয়তো একবার। যারা সৌভাগ্যবান, অনেকেই দেশেই থাকতে পারেন। নির্যাতনের ভয়াবহতা এতটাই ভারী ছিল যে তারা নিজ জন্মস্থানের মাটি আঁকড়ে ধরে থাকতে পারেননি।’ তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে জাতির ওপর প্রচণ্ড শাসন চাপিয়ে দিয়ে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। অসংখ্য মায়ের বুক খালি হয়েছে। বোনেরা বিধবা হয়েছেন, শিশুরা এতিম হয়েছে। অসংখ্য লোককে গুম করা হয়েছে। গুমের শিকার ২৩৫ জন লোক এখনো তাদের আপনজনের কাছে ফিরে আসেননি। তাদের আপনজন জানেন না আসলে তাদের বাস্তব অবস্থা কী হয়েছে! তারা কি বেঁচে আছেন নাকি দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন? এই সময়ের ভেতরে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিংয়ের (বিচারবহির্ভূত হত্যা) শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৬২ জন মানুষ, যাঁরা মিনিমাম কোনো বিচারের আলো দেখার সুযোগ পাননি। তাদেরকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। কার্যত তখন যাঁরা আমরা বিরোধী দলে ছিলাম, এর নির্মম ভিকটিম তারাই হয়েছিলেন। এ সমস্ত পরিবারের কাছে আজকে আমাদের কোনো জবাব নেই। শুধু তা-ই নয়, রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে একে একে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিল এবং সবগুলোতে দলীয় কর্তৃত্ব এককভাবে কায়েম করা হয়েছিল দেশকে কুক্ষিগত করার জন্য।’ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা লড়ে গেছি সবাই। তাদের অপকর্মের শেষ পরিণতি হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে আন্দোলন তরুণ-যুবসমাজের দ্বারা দানা বেঁধে উঠেছিল, আগস্টের ৫ তারিখে তা পরিণতি লাভ করেছে। এই জন্য কোনো দেশের ক্যালেন্ডারে ৩৬ জুলাই বলে কিছু নেই, আমাদের দেশে তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই আন্দোলন শুধু মুষ্টিমেয় কিছু যুবসমাজ সম্পৃক্ত ছিলেন না; বরঞ্চ এই আন্দোলনে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি জনতা, মুটে-মজুর, ছাত্র-জনতা সবাই সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। দুধের শিশু নিয়ে মা-ও রাস্তায় নেমে এসেছিলেন এবং চার বছরের শিশুও এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে।’ ওই ফ্যাসিবাদ যাতে আর ফিরে না আসে, সেই আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশ একটা ন্যায্যতার ভিত্তিতে, ন্যায়বিচারের ওপরে কায়েম হবে; যেখানে সবাই নাগরিক হিসেবে সমান অধিকার পাবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল এবং সমন্বয়কদের দীর্ঘ আলোচনার পর ইনটেরিম গভমেন্ট (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে দিয়েছিল, তারা সংস্কারের কিছু প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছেন। এরই আলোকে প্রেসিডেন্ট একটি আদেশ জারি করেছেন।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৪ টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৪ ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড মাদকের ভয়াল গ্রাসে রাজধানী ঘুম থেকে চিরঘুমে ১২ প্রাণ মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর কম্বোডিয়ার বন্দিদশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ইরানের সরকার উৎখাতের হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযান, সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি, অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৪ দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় নির্বাচনে মুসলিমদের ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রেসিডেন্টের সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে যা আছে ফ্রান্সের পথ ধরে এবার বড় ধরনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র, নেপথ্যে দুই কারণ জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান: আঞ্চলিক উগ্রবাদের নতুন কেন্দ্র বাংলাদেশ রংপুরের কাউনিয়ায় দিনদুপরে বাড়ির সামনেই আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউক্রেনের সঙ্গে মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেলের যোগসাজশ তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি রুশ গোয়েন্দা সংস্থার ‘এক দুর্গার সামনে আরেক দুর্গা’, পূজা চেরীর ছবি ঘিরে মুগ্ধতা ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৬৬ হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু