দীর্ঘদিন পর ফের উত্তপ্ত পার্বত্যাঞ্চল: সেনাবাহিনী-সশস্ত্র সংগঠন সংঘর্ষে নিহত ১, স্থানীয়ভাবে সেনাসদস্য নিহতের দাবি – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৫ জুন, ২০২৬
৯:২২ পূর্বাহ্ণ
2 ভিউ

আরও খবর

“অনুপস্থিত আছি, কিন্তু নীরব নই”, দেশের মানুষের পক্ষে এখনও অটল-অবিচল শেখ হাসিনা

“বুক-পেটে লাথি, রক্ত বমি ও নির্মম মৃত্যু”: সাতকানিয়ার যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা

লোডশেডিং ও ভুতুড়ে বিল: পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীকে তুলে নিয়ে খাম্বায় বেঁধে পেটাল ধৈর্যহারা জনতা

মুখ ফিরিয়ে নিলো বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগীরা! ঋণ প্রতিশ্রুতিতে সায় মেলেনি, উল্টো বাড়ছে পরিশোধের চাপ

জুলাই যোদ্ধাদের রাজনৈতিক সুরক্ষা চান জামায়াতের নারী এমপি

কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনের জবাবে ওবায়দুল কাদেরের জবাব- গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৬ দফা দাবী

বিটিভিতে খরচের বাম্পার ফলন; আয়ের ৩০ গুণ বেশি খরচ

দীর্ঘদিন পর ফের উত্তপ্ত পার্বত্যাঞ্চল: সেনাবাহিনী-সশস্ত্র সংগঠন সংঘর্ষে নিহত ১, স্থানীয়ভাবে সেনাসদস্য নিহতের দাবি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ জুন, ২০২৬ | ৯:২২ 2 ভিউ
দীর্ঘদিন তুলনামূলক শান্ত থাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় গত দুই দিনে পরিচালিত আলাদা দুটি অভিযানে সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এতে সশস্ত্র সংগঠনের একজন সদস্য নিহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় ও অনানুষ্ঠানিক সূত্রে তিনজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার দাবি করা হলেও তা আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সোমবার (২৩ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টায় পানছড়ি উপজেলায় এবং মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকাল আনুমানিক ১০টায় রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে দুটি অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। অভিযান চলাকালে সংগঠনের সদস্যরা সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। আইএসপিআর অনুযায়ী, পানছড়ি উপজেলার বরকলক এলাকা থেকে সশস্ত্র সংগঠনের দুই সদস্য দুটি একে-৪৭ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১৩২ রাউন্ড গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করেন। অন্যদিকে রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় পরিচালিত অভিযানে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে সংগঠনের একজন সদস্য নিহত হন। সেখান থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি ম্যাগাজিন, একটি পাইপগান এবং ২৭ রাউন্ড গোলাবারুদসহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এদিকে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের বারকলক বুজ্জে পাড়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-মূল)-এর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে এবং তাতে তিনজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। তবে এই তথ্যের ব্যাপারে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এবং তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অনানুষ্ঠানিক সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে এলাকাটিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়, পরে সেনাবাহিনীর একটি দল সেখানে গেলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, ইউপিডিএফ (মূল)-এর দুই সদস্যকে আত্মসমর্পণে প্রভাবিত করার চেষ্টা নিয়ে বিরোধের জেরে এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পানছড়ির এক অধিবাসী ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ইউপিডিএফ জোরপূর্বক তরুণদের কর্মী হিসেবে সংগঠনে যুক্ত করছে এবং তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। ওই পোস্টে আত্মসমর্পণকারী দুই ব্যক্তিকে ইউপিডিএফের সদস্য সত্য চাকমা ও বিশাল চাকমা নামে উল্লেখ করে বলা হয়, তারা পানছড়ির বরকলকে সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। খাগড়াছড়ির পার্বত্য অঞ্চলে বেশকিছুদিন ধরেই বিভিন্ন আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে আসছে। সাম্প্রতিক সময়েও পানছড়ি উপজেলায় একাধিক হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষের খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে গত কয়েক বছর তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকার পর সাম্প্রতিক এই দুটি অভিযান এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন দাবি ও প্রতিক্রিয়া অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আভাস দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“অনুপস্থিত আছি, কিন্তু নীরব নই”, দেশের মানুষের পক্ষে এখনও অটল-অবিচল শেখ হাসিনা ভিনিসিউসের জোড়া গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউটে ব্রাজিল “বুক-পেটে লাথি, রক্ত বমি ও নির্মম মৃত্যু”: সাতকানিয়ার যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশ ও কারা কর্মকর্তারা ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী লোডশেডিং ও ভুতুড়ে বিল: পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীকে তুলে নিয়ে খাম্বায় বেঁধে পেটাল ধৈর্যহারা জনতা বিজ্ঞাপনের জন্য নয়, খেলার স্বার্থেই হাইড্রেশন বিরতি দেওয়া হচ্ছে: ইনফান্তিনো মুখ ফিরিয়ে নিলো বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগীরা! ঋণ প্রতিশ্রুতিতে সায় মেলেনি, উল্টো বাড়ছে পরিশোধের চাপ দীর্ঘদিন পর ফের উত্তপ্ত পার্বত্যাঞ্চল: সেনাবাহিনী-সশস্ত্র সংগঠন সংঘর্ষে নিহত ১, স্থানীয়ভাবে সেনাসদস্য নিহতের দাবি হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে ড. আসিফ নজরুল- আপনার এক অঙ্গে কতো রূপ? হোয়াটসঅ্যাপ না খুলেই হোম স্ক্রিন থেকে পাঠানো যাবে ভয়েস মেসেজ, কীভাবে? রক্ষণের দৃঢ়তায় ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা শুরু হলো ক্রোয়েশিয়া–পানামা ম্যাচ জোড়া গোলের পর রোনালদো বললেন, ‘আই এম ব্যাক’ ফুটবল মহাকাব্যের নায়কের জন্মদিন আজ চিংড়ির নামে পাতে সিলিকা বিষ ইউরোপে তীব্র গরম, দীর্ঘস্থায়ী ‘তাপ বলয়’ সৃষ্টির শঙ্কা হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪ জুলাই যোদ্ধাদের রাজনৈতিক সুরক্ষা চান জামায়াতের নারী এমপি ১১ হত্যা মামলার চার্জশিট হয়নি কোনোটিরই