নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রবাসীদের মাতাতে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রীতম-জেফার-পূজা-তমা
ম্যাচিউরিটি না আসা পর্যন্ত কোনো মেয়েরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়: অপু বিশ্বাস
বৈশাখী সাজে সাত ছবিতে চমক
সাফল্যের মাঝে বিতর্ক, আদালতে ছুটলেন ‘ধুরন্ধর’ নির্মাতা
সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কাঁদলেন নিশো
মুক্তির ১১তম দিনেই বাহুবলী ২-এর রেকর্ড ভেঙে দিলেন রণবীর সিং
‘ধুরন্ধর’ সিনেমার অডিশনের অজানা গল্প জানালেন সারা অর্জুন
কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আজ কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর কণ্ঠে গাওয়া গান মুক্তিকামী বাঙালির প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। স্বাধীনতা ও সংগীতে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক সম্মাননা লাভ করেন।
১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্ম নেন আব্দুল জব্বার। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর প্রবল অনুরাগ ছিল। ওস্তাদ ওসমান গনি ও ওস্তাদ লুৎফুল হকের কাছে তিনি সংগীতে হাতেখড়ি নেন। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান বেতারে এবং ১৯৬৪ সালে বিটিভির নিয়মিত শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
১৯৬২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য গান করেন তিনি। তবে তাঁর প্রকৃত পরিচিতি আসে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে। বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গাওয়া তাঁর গান ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল জোগায়। গণসংগীত পরিবেশন করে তিনি মুক্তিকামী মানুষকে আন্দোলিত করেছেন। সেই সময় প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কলকাতার মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে ঘুরে ঘুরে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করেছেন তিনি। সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অর্জিত ১২ লাখ রুপি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেন।
২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার এক জরিপে তাঁর গাওয়া ‘তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ এবং ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পায়।
দীর্ঘ সংগীত জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক (১৯৭৩), একুশে পদক (১৯৮০), স্বাধীনতা পদক (১৯৯৬), আজীবন সম্মাননা (২০১১) এবং জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হন।
২০১৭ সালের জুলাইয়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। অবশেষে ৩০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।