নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রংপুরে ৪ খুন: কারণ হিসেবে হিন্দু সমাজের জাতপ্রথার দ্বন্দ্বের নয়া দাবি পুলিশের
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বন্যা, নিহত অন্তত ৫০০, নিখোঁজ প্রায় ১৫০০
আমিনবাজার বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্প: আওয়ামী লীগ আমলে গৃহীত চীনা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
১২৯ বার পেছালো সাগর-রুনি মামলার তারিখ: শেখ হাসিনার সময় সমালোচনা থাকলেও এখন নীরবতা
ফুলবাড়ি উন্মুক্ত কয়লা খনিতে কর্মসংস্থানের “অবাস্তব” সংখ্যা: জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা
রেকর্ড ছুঁতে চলেছে এলএনজি আমদানি ব্যয়: দেড় লাখ কোটি টাকার ঋণের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকিতে দেশ
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
“এখন আমি জামিন চাই না”-দিপু মনি: জামিনের আবেদন প্রত্যাহার করে জানালেন, আর প্রয়োজনীয়তা নেই
যেই অসুস্থ স্বামীকে শেষবার দেখা ও দেখভালের জন্য এতদিন জামিন চাইতেন, স্বামীর বিয়োগের পর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, এখন আর জামিনের প্রয়োজন নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে তিনি জানিয়েছেন, জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চান।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাঁকে হাজির করা হয়। আজ তাঁর জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চেয়ে তিনি এজলাসের কাঠগড়ায় মাইক্রোফোনে বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’
দীপু মনি বলেন, ‘এর আগে জামিন আবেদন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাসায় গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাসায় যাওয়ার দরকার নেই। আমার স্বামী তৌফিক নেওয়াজ সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। তাঁর বাকশক্তিও ছিল না। কোনো কথা বললে চোখের পলক ফেলে উত্তর দিতেন তিনি। আমি পাঁচ বছর সরকারি দায়িত্বপালনের সময় শয্যাশায়ী স্বামীর যত্ন নিয়েছি। এ অবস্থায় বাড়ি ছেড়ে আমার স্বামীকে দুই বছর অজ্ঞাত স্থানে থাকতে হয়েছে। আশ্রিত অবস্থায় ছিলেন। আমিও যত্ন নিতে পারিনি। এ জীবন তিনি মেনে নিতে পারেননি।’
গত ১৮ আগস্ট রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৬ এপ্রিল দীপু মনির আইনজীবী জামিন আবেদন করেছিলেন। স্বামীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চার মাস আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দীপু মনি বলেন, ‘তখন তাঁর কাছে যাওয়ার জন্য জামিন আবেদন করেছিলাম। ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারেননি। এখন আমার বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমি আর কার কাছে যাব? সন্তানরা জামিন চায়। আমার বাসায় যাওয়ার আর তাড়া নেই।’
ট্রাইব্যুনাল জানায়, তাঁরা খুবই ব্যথিত। দীপু মনির আবেদনের যৌক্তিকতা আছে। তবে আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল জামিন শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছে।
স্বামীর জানাজা ও দাফনের জন্য এর আগে আদালত ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেছিলেন। শেষবিদায় জানিয়ে তিনি আবার মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরেছেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।