‘যুদ্ধবিরতির অনুরোধ এসেছে ভারতের পক্ষ থেকে’ পাল্টা হামলায় ভারতের ২৬টি সামরিক স্থাপনায় আঘাত করে পাকিস্তান – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১২ May, ২০২৫
১০:১৯ am
175 ভিউ

‘যুদ্ধবিরতির অনুরোধ এসেছে ভারতের পক্ষ থেকে’ পাল্টা হামলায় ভারতের ২৬টি সামরিক স্থাপনায় আঘাত করে পাকিস্তান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ May, ২০২৫ | ১০:১৯ 175 ভিউ
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী। তিনি জানান, ভারতীয় আগ্রাসনের জবাবে চালানো ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’-এর মাধ্যমে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরসহ মূল ভূখণ্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে পাকিস্তান। রোববার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আজ আমরা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস পরিচালনার প্রেক্ষাপট ও সফল সমাপ্তি। ৬ ও ৭ মে রাতে চালানো ভারতীয় কাপুরুষোচিত হামলায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ নিরীহ পাকিস্তানি নাগরিকদের মৃত্যু হয়। আইএসপিআর ডিজি প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জাতিকে যে প্রতিশোধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এটি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ছিল। তিনি বলেন, এই দুঃসময়ে জাতির একতাবদ্ধ সমর্থন, মনোবল ও প্রার্থনা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানি গণমাধ্যমের ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের গণমাধ্যম যেখানে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, সেখানে ভারতের গণমাধ্যম কেবল যুদ্ধবাজ প্রচারেই লিপ্ত ছিল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ বলেন, পাকিস্তান ২৬টি ভারতীয় সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছে। দুটি স্থানে ভারতীয় এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে এবং পাকিস্তান ৮৪টি ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে জবাব হবে প্রতিশোধমূলক ও চূড়ান্ত। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা মানেই আগুন নিয়ে খেলা, বিশেষ করে যখন উভয় দেশই পারমাণবিক শক্তিধর। এটি হবে এক ভয়াবহ ভুল। রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য এমন বিপজ্জনক পথে না হাঁটাই শ্রেয়। ‘ভারতীয় কোনো পাইলট পাকিস্তানের হেফাজতে নেই’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি গুজব সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট বলেন, ভারতীয় কোনো পাইলট পাকিস্তানের হেফাজতে নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সব সময় সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে কোনো আগ্রাসন বা দুঃসাহসিকতার আরও কঠিন জবাব দেওয়া হবে। ‘যুদ্ধবিরতির অনুরোধ ভারতের পক্ষ থেকেই এসেছে’ আরেক প্রশ্নের জবাবে আইএসপিআর ডিজি বলেন, পাকিস্তান কখনো যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেনি। বরং ভারতের পক্ষ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়া হয়েছিল যুদ্ধবিরতির জন্য। ‘আঞ্চলিক শান্তির চাবিকাঠি কাশ্মীর’ কাশ্মীর ইস্যুতে আইএসপিআর মহাপরিচালক বলেন, কাশ্মীর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির প্রধান বাধা। জাতিসংঘের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে এর সমাধান ছাড়া স্থায়ী শান্তি সম্ভব নয়। তিনি অভিযোগ করেন, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্র সীমান্তে পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রতিরক্ষা পাকিস্তান নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল রব নওয়াজ বলেন, সংখ্যায় শক্তিশালী শত্রুর মুখোমুখি হয়েও পাকিস্তান নৌবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে সমুদ্র সীমান্ত রক্ষা করেছে। আমাদের প্রস্তুতি চিরকালীন। যেকোনো সময় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়া আমাদের জন্য তাৎক্ষণিক এবং অদৃশ্য। আকাশ প্রতিরোধে পিএএফের শক্ত জবাব এয়ার ভাইস মার্শাল আওরঙ্গজেব বলেন, ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা সময় ও স্থান অনুযায়ী আমাদের পছন্দমতো ঠিক করে জবাব দিয়েছি। আমাদের সামরিক নেতৃত্ব যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছে, তাতে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অপারেশন সম্পন্ন করেছি। এর আগে শনিবার ভোরে পাকিস্তান ভারতের একাধিক স্থানে হামলা চালায়। এ হামলা ছিল ভারতের আগের হামলার জবাবে। ভারত পাকিস্তানের নূর খান, শোরকোট ও মুরীদ ঘাঁটিসহ তিনটি বিমানঘাঁটিতে আঘাত হেনেছিল। জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ পরিচালনা করে ভারতের বহু সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করে। পাকিস্তানি জেএফ-১৭ থান্ডার জেট থেকে নিক্ষিপ্ত হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রে ভারতের উধমপুরে অবস্থিত এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়। যার মূল্য ছিল ১.৫ বিলিয়ন ডলার। এটি ভারতের জন্য বড় ক্ষতি। ট্রাম্পের ঘোষণা পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে জানান, এক রাতের দীর্ঘ আলোচনার পর, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও ভারত একটি পূর্ণাঙ্গ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা