নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হুথিদের কাছে ‘সেইফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করে সৌদিকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি: যুক্তরাষ্ট্রের “জিরো-সাম গেইম”
পাকিস্তানে পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৫ পুলিশসহ নিহত অন্তত ২৭
হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতিদের, জবাবে ব্যাপক বিমান হামলা
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া
ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা
নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা
মিগ-২১ যুদ্ধবিমানকে চিরবিদায় জানাতে চলেছে ভারত
ছয় দশকেরও বেশি সময় পর এবার ভারতীয় বিমানবাহিনী চিরবিদায় জানাবে ‘মিগ’ বিমানকে। বর্তমানে ২৩ নম্বর ‘প্যান্থার্স’ স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত ‘মিগ টোয়েন্টি ওয়ান’ শেষবারের মতো দেশটির আকাশে উড়বে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর।
ভারতে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কয়েক বছর আগে গঠিত হওয়া ভারতের ২৮ নম্বর ‘ফার্স্ট সুপারসনিকস’ স্কোয়াড্রন দিয়ে। রাশিয়ার তৈরি এই ‘মিকোয়ান গুরেভিচ’ বা মিগ বিমান প্রথম ভারতে আসে ১৯৬৩ সালে। গত সোমবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যে এফ-৭ বিমান ঢাকায় বিধ্বস্ত হয়, সেটি এই মিগ টোয়েন্টি ওয়ানেরই প্রতিরূপ, যা চীনের তৈরি। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এসব তথ্য বলা হয়।
ভারতের বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইটে বলা হয়, ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ফলে পরবর্তী কয়েক দশকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর রূপ ও শক্তিতে নিবিড় বদল ঘটেছিল। এক চুক্তির মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বহরটি আনে ভারত সরকার।
সেই দফায় কেনা ১২টি মিগ টোয়েন্টি ওয়ানই ছিল ভারতের প্রথম ‘অ-পশ্চিমা’ যুদ্ধবিমান। ভারতেই যাতে এই বিমানগুলো উৎপাদন করা যায়, সে জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তাও পেয়েছিল দেশটি। মিগ সিরিজের বিমানই ছিল ভারতের হাতে আসা প্রথম সুপারসনিক (শব্দের চেয়েও দ্রুত) যুদ্ধবিমান।
১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মিগ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে যখন ভারত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছিল, সে সময় বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটিও ছিল মিগ।
এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে মিগ বিমান স্কোয়াড্রনকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছিল। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী ৮৭০টি মিগ বিমান ব্যবহার করেছে। ব্যবহারের শুরুতেই ১৯৬৩ সালে দুটি মিগ বিধ্বস্ত হয়েছিল।
ভারতে গত ১৫ বছরে ২০টি মিগ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশি দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানকে ‘কফিন-মেকার’ বা ‘উইডো-মেকার’ বলা হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]