ভারত ভ্রমণে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ইসরাইলি নারী পর্যটক – বর্ণমালা টেলিভিশন

ভারত ভ্রমণে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ইসরাইলি নারী পর্যটক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ March, ২০২৫ | ১০:৩৩ 176 ভিউ
ভারত ভ্রমণে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৭ বছর বয়সি এক ইসরাইলি নারী পর্যটক। শুধু তাই নয়, তার সঙ্গে থাকা ২৯ বছর বয়সি স্থানীয় নারী ট্যুর গাইডও ধর্ষিত হন। এছাড়া ধর্ষণকারীদের হাতে নিহত হন তাদের সঙ্গে থাকা আরেক স্থানীয় পর্যটক। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে দেশটির কর্ণাটকের হাম্পির সানাপুর হ্রদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর জেরুজালেম পোস্টের। শনিবার (৮ মার্চ) কোপ্পালের পুলিশ সুপার রাম এল আরাসিদ্দি বলেন, দুই নারী এবং তিন পুরুষ হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন বিদেশি - একজন আমেরিকান, অন্য একজন ইসরাইলের। আরেকজন নারী ছিলেন ট্যুর গাইড। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই স্থানীয় বাসিন্দা - মল্লেশ এবং সাই চেতনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, মোটরবাইকে করে আসা একদল আক্রমণকারী প্রথমে পর্যটকদের কাছে এসে পেট্রোল কেনার ১০০ টাকা দাবি করে। ভুক্তভোগীরা দিতে অস্বীকার করলে ওই লোকগুলো হিংস্র হয়ে ওঠে এবং মারধর শুরু করে। এ সময় তারা পর্যটকদের সঙ্গে থাকা তিন পুরুষকে হ্রদে ফেলে দেয়। এরপর দুই নারীকে ধর্ষণ করে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, হ্রদে ফেলে দিলে সেখান থেকে দুই পুরুষ পর্যটক - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ও মহারাষ্ট্রের একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তৃতীয় জন ওড়িশার লোকটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, স্কুটার নিয়ে সানাপুর হ্রদের কাছে দুর্গাম্মা গুড়ি মন্দিরের কাছে তুঙ্গভদ্রা হ্রদের বাম তীরে গিয়েছিলেন পাঁচ পর্যটক। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা খালের ধারে বিশ্রাম নিচ্ছিল, গিটার বাজছিল এবং পরিবেশ উপভোগ করছিল। ঠিক তখনই মোটরসাইকেলে করে একদল এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। দুই নারীকে ধর্ষণের পর তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল এবং নগদ টাকাও কেড়ে নেওয়া হয়। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া পুলিশকে দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এক এক্স পোস্টে লিখেছেন, কোপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী তালুকের সানাপুরে ইসরাইলি নাগরিক ও স্থানীয় নারীর ওপর হামলা ও ধর্ষণের ঘটনা অত্যন্ত জঘন্য। ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমি সংশ্লিষ্ট পুলিশের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি, পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করছি এবং দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করার নির্দেশ দিয়েছি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের