‘নারী’ শব্দের আইনি সংজ্ঞায় ট্রান্সজেন্ডারদের বাদ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিমকোর্ট – বর্ণমালা টেলিভিশন

‘নারী’ শব্দের আইনি সংজ্ঞায় ট্রান্সজেন্ডারদের বাদ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিমকোর্ট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ April, ২০২৫ | ৯:৫৫ 159 ভিউ
‘নারী’ শব্দের আইনি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দিলেন যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত। সেই সংজ্ঞায় ট্রান্সজেন্ডারদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের পাঁচজন বিচারক বুধবার এ নিয়ে একটি রায় দেন। রায় অনুযায়ী, সমতা আইনে নারীর সংজ্ঞা কেবল ‘একজন জৈবিক নারী এবং জৈবিক লিঙ্গ’ বোঝাবে। অর্থাৎ নারী কেবল জন্মসূত্রেই। পাশাপাশি দেশটিতে এখন থেকে নারী সংশ্লিষ্ট পরিষেবা-হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র এবং স্পোর্টস ক্লাবের জায়গায় ট্রান্সজেন্ডার নারীদের আর স্থান হবে না। একক লিঙ্গের স্থানগুলো আইনতভাবে সুরক্ষিত থাকবে। এএফপি। মূলত এক ট্রান্সজেন্ডার নারীর দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সুপ্রিমকোর্ট এ রায় দিলেন। নারীর সংজ্ঞাও নির্ধারণ করে দিলেন। মামলার বিষয়বস্তু ছিল জেন্ডার রিকগনিশন সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত (জিআরসি) একজন ট্রান্স-নারী ব্রিটেনের ইকুয়ালিটি অ্যাক্টের অধীনে নারী হিসাবে বৈষম্য থেকে সুরক্ষা পাবেন কিনা। জিআরসি হলো একটি আনুষ্ঠানিক নথি যা ব্যক্তির নতুন লিঙ্গকে আইনি স্বীকৃতি দেয়। ২০১০ সালের সমতা আইন নিয়ে চলছিল সেই মামলা। এরপর স্কটল্যান্ডের একটি সংস্থা ফর উইমেন স্কটল্যান্ড (এফডব্লিউএস) ২০১৮ সালে আদালতে একটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে যান। তারা যুক্তি দেন, ‘নারী অধিকারগুলো’ কেবল জন্মের সময় নারী হিসেবে নির্ধারিত ব্যক্তিদের জন্যই সুরক্ষিত করা উচিত। কিন্তু স্কটিশ সরকার বলেছিল, একজন ট্রান্স নারীও আইনতভাবে নারী এবং তাই তাদেরও একই আইনি সুরক্ষা প্রদান করা উচিত। অবশেষে এই রায় এফডব্লিউএসের পক্ষে যায়। যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি বলেছে, এই রায় ‘স্পষ্টতা’ এনেছে। বিরোধীরাও এটিকে ‘সাধারণ জ্ঞানের স্পষ্ট বিজয়’ বলে অভিহিত করেছে এবং সরকারকে বিদ্যমান নির্দেশিকা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। বিচারক লর্ড হজ বলেছেন, এই আদালতের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো, ২০১০ সালের সমতা আইনে নারী এবং ‘যৌনতা’ শব্দটি দিয়ে একজন ‘জৈবিক নারী’ এবং ‘জৈবিক যৌনতাকে’ বোঝায়। তিনি আরও বলেন, এই রায়কে একপক্ষের ওপর অন্যপক্ষের জয় হিসাবে দেখা উচিত নয়। আইনটি এখনো ট্রান্সজেন্ডারদের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। স্কটিশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী আন্দোলনকারীরা আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। তাদের মধ্যে অনেকে খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের