ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর দেওয়া আল্টিমেটামকে স্বাগত জানিয়েছে হামাস – বর্ণমালা টেলিভিশন

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর দেওয়া আল্টিমেটামকে স্বাগত জানিয়েছে হামাস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ March, ২০২৫ | ১০:৩৬ 167 ভিউ
ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর দেওয়া আল্টিমেটামকে স্বাগত জানিয়েছে, যেখানে ইসরাইলকে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য চার দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৯ মার্চ) আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এক বিবৃতিতে হামাস ইসরাইলি বাহিনীর ‘অনাহারে হত্যার অপরাধ’ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জাতিসংঘকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। শুক্রবার (৮ মার্চ) হুতি নেতা আব্দুল মালিক আল-হুথি ইসরাইলকে সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে না দিলে তারা ইসরাইলের বিরুদ্ধে পুনরায় নৌ-অভিযান শুরু করবে। হুথি-নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তু এবং ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে, যা তারা গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে। ইসরাইল গত রোববার (৩ মার্চ) থেকে গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। গত প্রায় সাত দিন ধরে কোনো ধরনের ত্রাণ প্রবেশ করতে দেয়নি তারা। গাজায় দ্রুত চিকিৎসা সামগ্রী প্রবেশের অনুমতি না দিলে শিশুরা মারা যাবে বলে সতর্ক করেছেন ইউনিসেফের শিশু সংস্থার যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ রোজালিয়া বোলেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত গাজায় ৪৮,৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা ১,১১,৮০০ ছাড়িয়েছে। ইসরাইলি হামলায় গাজা প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ইসরাইল বর্তমানে গাজার বিরুদ্ধে পরিচালিত আগ্রাসনের কারণে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার মামলার সম্মুখীন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের