সারাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের অবাধ চলাফেরায় আপত্তি না থাকলেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের চলাফেরায় উষ্মা বিপ্লবী পরিষদের

১৫ October, ২০২৬ | ৮:০৩ PM
ডেস্ক নিউজ , দৈনিক গণঅধিকার

সর্বশেষ পাঁচ মার্কিন রাষ্ট্রদূত- ড্যান মজিনা, মার্সিয়া বার্নিকাট, আর্ল মিলার, পিটার হাস থেকে শুরু করে বর্তমান দূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন- কারোই চলাফেরায় সীমিত ছিল না এদেশে। সবাই অবাধে যেখানে-সেখানে ঘুরে বেড়িয়েছেন যেমন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের সাথে গোপন বৈঠক করেছেন, দেশের রাজনীতিতে যখন-তখন নাক গলিয়েছেন, কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করেছেন। সর্বশেষ রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এবং বর্তমানে দায়িত্বরত ক্রিস্টেনসেন- আরও আক্রমণাত্মক আচরণ করে চলেছেন। তারা যেখানে-সেখানে ঢুকে পড়ছেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি খামার-দোকানপাট সর্বত্র বিচরণ করছেন। বাংলাদেশে বহুজাতিক ব্যবসা ফেঁদে বসা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস কিন্তু তাদের এসব আচরণ নিয়ে কারো বর্তমান ক্ষমতার বলয়ের আশপাশে থাকা কোনো পক্ষেরই আপত্তি শোনা যায়নি। তবে আপত্তি এসেছে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর ব্যাপারে। ভারতীয় দূতের চলাফেরাকে ‘অবাধ’ আখ্যা দিয়ে একে ‘রাষ্ট্রের প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রতি অবমাননাকর’ বলে মন্তব্য করেছেন উগ্রবাদী সংগঠন বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান। মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার: জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার। জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত আজ ১৫ই অক্টোবর, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টায় ইউনূসকে হেনস্তার প্রতিবাদ এবং আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাসবাদ’ দমন, ভারতীয় হাইকমিশনারের ‘অপতৎপরতা’ বন্ধের দাবিতে আয়োজিত এক বিক্ষোভ-সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। উগ্রবাদী অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে পরিচিত ইহসান বলেন, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর অবাধে চলাফেরা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রতি অবমাননাকর ও কূটনৈতিক রীতিনীতির পরিপন্থী। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এরপরও কূটনীতিকের ভূমিকার বদলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি কার্যালয়ে প্রবেশ করছেন তিনি। তাই দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারকে তার এমন অপতৎপরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসময় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল হিসেবে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এই উগ্রবাদী অ্যাক্টিভিস্ট। মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ফাঁদে দেশের কৃষি-খামার। জেনেটিক্যালি মডিফায়েড পশুখাদ্যের প্রচারণায় রাষ্ট্রদূত তিনি বলেন, সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বের কোথাও দাঁড়াতে পারবে না। তারা কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন না। ইউনূসের মতো ব্যক্তিকে হেনস্তা করারও আর সাহস পাবেন না তারা। এজন্যই দলটিকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সমাবেশে উগ্রাবদী সংগঠন বিপ্লবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমদ, সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, মো. সাইদুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মীর শওকত আমীন, মহাসচিব আবদুল করিম, নবাব সলিমুল্লাহ অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।