পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষের সময় সড়কে কিছু সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিয়ঁতে। ছবি: এএফপি

৭ October, ২০২৬ | ৬:০৪ AM
ডেস্ক নিউজ , দৈনিক গণঅধিকার

বৈদ্যুতিক লাইনে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ড ও যান্ত্রীক ত্রুটির কারনে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে ৫২৫ মেগাওয়াটের কয়লা ভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে প্রথম ইউনিটটি ও বিকেল ৫টা ৫০মিনিটে তৃতীয় ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। দুইটি ইউনিট থেকে অন্তত ২২৫ মেগাওয়ট বিদ্যুত জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করতে না পারায় পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুইটিতে উৎপাদন চলছিল। ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রীক ত্রুটির কারনে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। মেরামত শেষে দুই মাস আগে ইউনিটটি সচল করা হয়। এছাড়া ১২৫ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি সচল ছিল। তবে প্রথম ইউনিট থেকে ৬০ ও তৃতীয় ইউনিট থেকে ১৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্বর সিদ্দিক জানান, মঙ্গলবার ভোর ৬টা ২০মিনিটে বৈদ্যুতিক লাইনে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। তৎক্ষনাত প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে এর প্রভাব পড়ে ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিটের ওপর। এটিও বিকেল ৫টা ৫০মিনিটে বন্ধ হয়ে যায়। ইউনিট দুটি মেরামত শেষ হলে আবারো উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে। ২০০৬ সালে ১২৫ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট চালুর মধ্য দিয়ে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রর যাত্রা শুরু হয়। পরে ২৭৫ মেগাওয়াটের আরো একটি ইউনিট চালু হয়। চালুর পর থেকে কখনোই পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারেনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।