ছাত্রদল নেত্রীর সাথে যুবদল নেতার গোপন সম্পর্ক, নেত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা
ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক চুমকি আক্তারের বিরুদ্ধে স্বামী মো. আলা উদ্দিন আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় চুমকির পাশাপাশি তৈয়ব ও ফেনী সদর উপজেলা যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মীরকেও আসামি করা হয়েছে। গিয়াস উদ্দিন মীরের সঙ্গে চুমকির অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আলা উদ্দিন। রোববার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ফেনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(সি) ধারায় আবেদনটি করেন তিনি। আদালতে দাখিল করা আবেদনে আলা উদ্দিন বলেন, স্ত্রীর চলাফেরা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। ওই বিরোধের জেরে তাকে নানাভাবে হয়রানি করা এবং মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৫শে সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে নিজের বাসার সামনের রাস্তায় আলা উদ্দিনকে দেখতে পান দুই ও তিন নম্বর আসামি তৈয়ব ও গিয়াস উদ্দিন মীর। তারা তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের এমন আচরণের কারণ জানতে চাইলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করেন বাদী। আলা উদ্দিনের অভিযোগ, তাকে এবং তার ভাই-বোনদের মাদক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন তিনি। এর আগে ২৩শে সেপ্টেম্বর ফেসবুক লাইভে মহিলা দলকে ‘নষ্ট দল’ বলে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন চুমকি আক্তার। ওই মন্তব্যের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেয় জেলা মহিলা দল। একই লাইভে সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ফেনী মডেল থানায় পৃথক চারটি সাধারণ ডায়েরি করেন এক সম্পাদকসহ চার সাংবাদিক। এরপর ২৫শে সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চুমকি আক্তারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় ফেনী জেলা ছাত্রদল। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাকে।
