২০৩০ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার ৬ ফুটবলার

১ আগস্ট, ২০২৬ | ৫:২০ পূর্বাহ্ণ
ডেস্ক নিউজ , দৈনিক গণঅধিকার

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। তবে ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠের বিশৃঙ্খলা এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের কারণে বিপাকে পড়েছে তারা। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা (ফিফা) ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও স্টাফদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের ফল বিপক্ষে গেলে আর্জেন্টিনার ৬ জন শীর্ষ ফুটবলার আগামী ২০৩০ বিশ্বকাপে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন। কেন এই তদন্ত? মূল ঘটনাগুলো: ম্যাচ শেষের হাতাহাতি: অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে স্পেন জয় পাওয়ার পর আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন ফুটবলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারান। প্লেয়ারদের আচরণ: নাহুয়েল মলিনা স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রির সঙ্গে তর্ক ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়ান। অন্যদিকে লিয়েনড্রো পারেদেস মারাত্মক আক্রমণাত্মক হয়ে এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে আঘাত করেন। তিয়াগো আলমাডাও এই বিশৃঙ্খলায় জড়িত ছিলেন। সহকারী কোচের বিতর্ক: আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা স্পেনের দানি ওলমোকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠে। পরে তিনি ক্ষমা চেয়ে দাবি করেন এটি কেবল ‘ধাক্কা’ ছিল, যদিও ওলমো তা মানেননি। ফকল্যান্ড ব্যানার বিতর্ক: সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ (Las Malvinas Son Argentinas) লেখা একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরেছিলেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও জিওভানি লো সেলসো। খেলার মাঠে এমন রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন ফিফার বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যেসব ফুটবলার নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন ১. নাউয়েল মলিনা (শারীরিক লাঞ্ছনা ও অকৃ his আচরণ) ২. লিয়েনড্রো পারেদেস (প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে আঘাত ও বিশৃঙ্খলা) ৩. তিয়াগো আলমাডা (অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ) ৪. ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শন) ৫. লিসান্দ্রো মার্তিনেস (রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শন) ৬. জিওভানি লো সেলসো (রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শন) বিশেষ দ্রষ্টব্য: আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা এবং স্পেনের তরুণ তারকা গাভির বিরুদ্ধেও ফিফা শৃঙ্খলাভঙ্গের পৃথক ধারা অনুযায়ী তদন্ত চালাচ্ছে। ২০৩০ বিশ্বকাপে প্রভাব পড়ার কারণ ২০৩০ সালে শতবর্ষী বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক আর্জেন্টিনা, তাই তাদের কোনো আঞ্চলিক বাছাইপর্ব খেলতে হবে না। ফলে ফিফা যদি কোনো ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়, তবে খেলোয়াড়দের সেই শাস্তি কার্যকর হতে পারে ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল পর্বের ম্যাচগুলোতেই।