রূপপুর বিদ্যুত কেন্দ্রের রিএ্যাক্টর পিটের ফ্লোর নির্মাণ শেষ

2 January 2021, 8:52 AM
বাংলাদেশ

পাবনা জেলার ঈশ^রদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের রিএ্যাক্টর কম্পার্টমেন্টের ভেতরের প্রাথমিক সুরক্ষা ও এর সম্পূর্ণ ভার বহন করে রিএ্যাক্টরের কংক্রিটের পিট। এ কাজের পরবর্তী ধাপ হলো ২৬.৩০০ মিটার উচ্চতায় ফ্লোর নির্মাণ সম্পন্ন করা। এটি শেষ হলেই কেবল এনার্গোস্পেটসমন্তাঝ পিজেএসসি বিশেষজ্ঞগণ নক্সা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে রিএ্যাক্টর ভেসেলসহ অন্যান্য ভারি যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে পারবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের ২টি ইউনিটে ভিভিইআর ১২০০ রিএ্যাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত। রোসাটমের জনসংযোগ বিভাগের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, গত ২৫ ডিসেম্বর ২০১৫ তে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত এক চুক্তি ও নক্সা অনুযায়ী ঢাকা থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ঈশ্বরদীর রূপপুরে এই পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। এই নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটমষ্ট্রয় এক্সপোর্ট (রোসাটোমের প্রকৌশল শাখা)। বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের জন্যে নির্বাচন করা হয়েছে ভিভিইআর ১২০০ রিএ্যাক্টর। এই মডেলের রিএ্যাক্টর নভোভোরোনেঝ পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের ২টি ইউনিটে সফলভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ধরনের রিএ্যাক্টরগুলো জেনারেশন থ্রি প্লাস এবং সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান অনুযায়ী নির্মিত। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সি (আই এ ই এ) ও ন্যাশনাল রেগুলেটরি অথরিটি বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণের প্রত্যেকটি ধাপ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ও এএসই ইসি জেএসসি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট সের্গেই লাস্টোস্কিন বলেন, ‘২০২০ সালের নির্মাণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা সকল সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়েছি। নির্মাণে নিয়োজিত কোম্পানি ট্রেস্ট রোজেম এলএলসি’র কর্মীগণ এই বিদ্যুত কেন্দ্রের ইউনিট ১ এর কান্টিলিভার ট্রাস থেকে রিয়্যাক্টর পিটের নিচের ফ্লোর পর্যন্ত প্রায় ২৬.৩০০ মিটার নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ঠিকভাবেই অগ্রসর হচ্ছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


Logo