সড়কে নৈরাজ্য: শৃঙ্খলা ফিরবে কবে? - বর্ণমালা টেলিভিশন

গাড়ির বেপরোয়া গতি একের পর এক কেড়ে নিচ্ছে মূল্যবান জীবন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে যখন প্রকম্পিত; এ সময়েও কমছে না সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা। কেবল নভেম্বরেই ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪১৩ জন। এ সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ছিল ৪১.৬৮ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নভেম্বরে দুর্ঘটনায় ৯৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩.২৪ শতাংশ। উল্লিখিত সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৩ জন। এসব তথ্য থেকেই স্পষ্ট, সড়ক কতটা অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। প্রতিটি সড়ক

দুর্ঘটনায় যখন কোনো ব্যক্তি হতাহত হন; তখন ব্যক্তির পাশাপাশি বহু পরিবার এবং সমাজেরও ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। এ ক্ষতি পূরণের উপায় কী?

দুঃখজনক হলো, দুর্ঘটনা রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরও সড়ক দুর্ঘটনার ব্যাপকতা কমছে না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবরে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত হয়েছেন। আর নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা এবং নিহতের সংখ্যা দুটোই বেড়েছে। মানুষের প্রশ্ন, একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে আর কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত হাজির করবে-এ প্রবণতা কবে বন্ধ হবে?

লক্ষ করা যাচ্ছে, ট্রাক ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ চালকদের বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানো এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর

কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সড়ক দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও চিহ্নিত; এ ছাড়া সমস্যার সমাধানে কী করণীয় তাও বহুল আলোচিত।

২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময় পরও সড়ক দুর্ঘটনা কমেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ২০১৯ সালে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সুপারিশগুলোর বেশির ভাগই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। একেকটি দুর্ঘটনার পর পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হয়, প্রতিবাদ হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।

বলা যায়, সড়কে মৃত্যু এখন এক অতি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমরা এমন মৃত্যু আর দেখতে চাই না। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করছে, তাদের ন্যায্য দাবিগুলো

গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে নিরাপদ সড়ক, বাঁচাতে হবে মানুষের প্রাণ। এমন নির্মম পরিণতি থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে আইন প্রয়োগে কর্তৃপক্ষকে কঠোর হতে হবে।

গাড়ির বেপরোয়া গতি একের পর এক কেড়ে নিচ্ছে মূল্যবান জীবন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে যখন প্রকম্পিত; এ সময়েও কমছে না সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা। কেবল নভেম্বরেই ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪১৩ জন। এ সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ছিল ৪১.৬৮ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নভেম্বরে দুর্ঘটনায় ৯৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩.২৪ শতাংশ। উল্লিখিত সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৩ জন। এসব তথ্য থেকেই স্পষ্ট, সড়ক কতটা অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। প্রতিটি সড়ক

দুর্ঘটনায় যখন কোনো ব্যক্তি হতাহত হন; তখন ব্যক্তির পাশাপাশি বহু পরিবার এবং সমাজেরও ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। এ ক্ষতি পূরণের উপায় কী?

দুঃখজনক হলো, দুর্ঘটনা রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরও সড়ক দুর্ঘটনার ব্যাপকতা কমছে না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবরে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত হয়েছেন। আর নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা এবং নিহতের সংখ্যা দুটোই বেড়েছে। মানুষের প্রশ্ন, একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে আর কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত হাজির করবে-এ প্রবণতা কবে বন্ধ হবে?

লক্ষ করা যাচ্ছে, ট্রাক ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ চালকদের বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানো এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর

কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সড়ক দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও চিহ্নিত; এ ছাড়া সমস্যার সমাধানে কী করণীয় তাও বহুল আলোচিত।

২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময় পরও সড়ক দুর্ঘটনা কমেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ২০১৯ সালে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সুপারিশগুলোর বেশির ভাগই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। একেকটি দুর্ঘটনার পর পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হয়, প্রতিবাদ হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।

বলা যায়, সড়কে মৃত্যু এখন এক অতি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমরা এমন মৃত্যু আর দেখতে চাই না। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করছে, তাদের ন্যায্য দাবিগুলো

গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে নিরাপদ সড়ক, বাঁচাতে হবে মানুষের প্রাণ। এমন নির্মম পরিণতি থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে আইন প্রয়োগে কর্তৃপক্ষকে কঠোর হতে হবে।

সড়কে নৈরাজ্য: শৃঙ্খলা ফিরবে কবে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৭:৪৯ 88 ভিউ
গাড়ির বেপরোয়া গতি একের পর এক কেড়ে নিচ্ছে মূল্যবান জীবন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে যখন প্রকম্পিত; এ সময়েও কমছে না সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা। কেবল নভেম্বরেই ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪১৩ জন। এ সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ছিল ৪১.৬৮ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নভেম্বরে দুর্ঘটনায় ৯৬ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৩.২৪ শতাংশ। উল্লিখিত সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৩ জন। এসব তথ্য থেকেই স্পষ্ট, সড়ক কতটা অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। প্রতিটি সড়ক

দুর্ঘটনায় যখন কোনো ব্যক্তি হতাহত হন; তখন ব্যক্তির পাশাপাশি বহু পরিবার এবং সমাজেরও ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়। এ ক্ষতি পূরণের উপায় কী? দুঃখজনক হলো, দুর্ঘটনা রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরও সড়ক দুর্ঘটনার ব্যাপকতা কমছে না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অক্টোবরে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত হয়েছেন। আর নভেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা এবং নিহতের সংখ্যা দুটোই বেড়েছে। মানুষের প্রশ্ন, একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে আর কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত হাজির করবে-এ প্রবণতা কবে বন্ধ হবে? লক্ষ করা যাচ্ছে, ট্রাক ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ চালকদের বেপরোয়া গতিতে ট্রাক চালানো এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর

কারণে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সড়ক দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও চিহ্নিত; এ ছাড়া সমস্যার সমাধানে কী করণীয় তাও বহুল আলোচিত। ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময় পরও সড়ক দুর্ঘটনা কমেনি। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ২০১৯ সালে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সুপারিশগুলোর বেশির ভাগই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। একেকটি দুর্ঘটনার পর পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি হয়, প্রতিবাদ হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। বলা যায়, সড়কে মৃত্যু এখন এক অতি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমরা এমন মৃত্যু আর দেখতে চাই না। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করছে, তাদের ন্যায্য দাবিগুলো

গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে নিরাপদ সড়ক, বাঁচাতে হবে মানুষের প্রাণ। এমন নির্মম পরিণতি থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে আইন প্রয়োগে কর্তৃপক্ষকে কঠোর হতে হবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ