ঢাকা, Saturday 23 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

স্বামী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার পর নারী পাচারে নামেন নদী

প্রকাশিত : 12:19 PM, 23 June 2021 Wednesday
92 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের অন্যতম সদস্য নদী আক্তার (২৮)। শীর্ষ সন্ত্রাসী স্বামী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার পর নারী পাচারে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ২০০৫ সালে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজীব হোসেনের সঙ্গে নদীর বিয়ে হয়। ওই বছরই বন্দুকযুদ্ধে রাজীব নিহত হয়। এরপর নদী পাচার চক্রে জড়িয়ে পড়ে। চক্রে সে নদী পরিচয় দিলেও ভারতীয় আধার কার্ডে তার নাম জয়া আক্তার জান্নাত। বাংলাদেশি পাসপোর্টে তার নাম নূরজাহান। সাতক্ষীরা সীমান্তে তার নাম জলি, যশোর সীমান্তে প্রীতি নামে পরিচিত।

ডিসি বলেন, পাচারের উদ্দেশ্যে আনা

মেয়েদের যশোর সীমান্তের বিভিন্ন বাড়িতে রেখে সুযোগমতো ভারতে পাচার করত চক্রটি। পাচার করা প্রত্যেক নারীর বিপরীতে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য এক হাজার টাকা করে নিত। পাচারকালে কোনো নারী বিজিবির কাছে আটক হলে সেই ইউপি সদস্য আত্মীয় পরিচয় দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসত।
আর গ্রেফতার হওয়া আল আমিন হোসেন ২০২০ সালে ঈদুল আজহার চারদিন পর নারী পাচার করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে আহত হয়। পাচারের উদ্দেশ্যে আনা মেয়েদের তার বাড়িতে রেখে সুযোগমতো ভারতে পাঠানো হতো। সে মাদক ব্যবসায়ও জড়িত। তার নামে যশোরের শার্শা থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে। আর সাইফুল ইসলামের শার্শার পাঁচভুলট বাজারে মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল

ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা রয়েছে। মানব পাচারে জড়িত ইস্রাফিল হোসেন খোকন, আব্দুল হাই, সবুজ, আল আমিন ও একজন ইউপি সদস্য তার (সাইফুল) মাধ্যমে মানব পাচার থেকে অর্জিত অর্থ বিকাশে লেনদেন করত। পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে সে মানব পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের সতর্ক করে দেয়। বিকাশ ট্রানজেকশনে ব্যবহৃত মোবাইলটি জব্দ করা হয়েছে।

নদীর সঙ্গে টিকটক হৃদয়ের ঘনিষ্ঠতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নদী, হৃদয় বাবুসহ আরও দু-একজনের নাম আগে উল্লে­খ করেছিলাম। তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

সাতক্ষীরা ও যশোরে মানব পাচারের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে ডিসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছি স্থানীয় কিছু জনপ্রতিনিধি নারী পাচারে জড়িত। তবে তদন্তের শেষ

পর্যায়ে বলতে পারব কারা কারা পাচারে সহযোগিতা করেছেন। যাদের বিরুদ্ধে মানব পাচারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT