ঢাকা, Saturday 18 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

‘সূরা শোনার পর পাকি সেনারা বলছিল এরা মুসলিম নয়, তারপর হত্যা’

প্রকাশিত : 08:12 AM, 29 December 2020 Tuesday
57 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর প্রধান কাজ ছিল পূর্ব বাংলাকে মেধা ও জনশূন্য করা। স্বাধীনতাকামী মানুষদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। স্বাধীনতাকামী বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের যারা সমর্থন করে বুঝতে পেরেছে সেক্ষেত্রে পাকবাহিনী সদয় ছিল। নিজেদের লোকদের আপন করে নিয়েছে সহজেই। দেশীয় দোসররা পাকিস্তান সেনাদের সঙ্গে মিশে গিয়ে বিভিন্ন বাহিনী গঠন করে। মেতে ওঠে হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ নারকীয় যজ্ঞে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পাক সেনা ও দেশীয় রাজাকাররা মুসলিম ছাড়া অন্য ধর্মের লোকদের কোনভাবেই বিশ^াস করত না। সন্দেহ হলে মুসলিমদেরও নয়। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজন মানেই ভারতের পক্ষের লোক। আর কোন প্রমাণের দরকার নেই। অর্থাৎ একেবারে স্বাধীনতাকামী। এমন

চিন্তা থেকেও পাকিস্তানীদের দ্বারা ইতিহাসের জঘন্যতম বর্বরোচিত পৈশাচিকতার শিকার হয়েছেন হিন্দুরাও। পাক সেনাদের ভয়ে কোন মুসলমান সূরা না বলতে পারায় তাকে হিন্দু বলে হত্যার নজির অহরহ। যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ‘ধর্মান্ধ ও পাষণ্ডদের রাজত্ব’ বলে আখ্যায়িত করে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের ১১ জুলাই লন্ডনের ‘দ্য সান ডে টাইমস’ পত্রিকায় ‘ধর্মান্ধ ও পাষণ্ডদের রাজত্ব’ শিরোনামে ‘মারে সেলে’র লেখা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। সরেজমিন এই প্রতিবেদনটি গোটাবিশে^র মানুষকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিয়েছিল। তিনি লেখনীতে নিজের চোখে দেখা গ্রামগুলোর চিত্র যেমন ফুটিয়ে তুলেছেন তেমনি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও পাকবাহিনীর হত্যাসহ নানা অপকর্ম তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। যার প্রমাণ হিসেবে সেলে গ্রামের

মানুষের কথা, পতিত বাড়ি-ঘরের চিত্র ও সেনা সদস্যদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

লতাপাহাড়পুর গ্রাম…॥ প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘শেষ সপ্তাহে পাকিস্তানী সেনা সরকার পুনরায় দাবি করে যে, বিদ্রোহী এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক অভিযানের পর পূর্ব পাকিস্তান খুব দ্রুতই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে। এজন্য ভারত থেকে শরণার্থীদের ফেরার পথ উন্মুক্ত হচ্ছে এবং তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন আরম্ভ করছে।

আমি গত সপ্তাহে একটি এলাকা ভ্রমণ করেছি। যেখান থেকে হাজার হাজার শরনার্থী পালিয়ে গিয়েছিল এবং আমি বুঝতে পারি যে, এটি হচ্ছে অসত্য। কারণ একটি ঘৃণ্য রাজনৈতিক ব্যবস্থা দ্রুতই প্রকাশ পাচ্ছিল; যেখানে শরণার্থীদের ফেরা ছিল অসম্ভব।

যদি শরণার্থীরা তাদের বাড়িতে ফিরে আসে, এটা হতে

পারে যেমন লতাপাহাড়পুর গ্রাম। গ্রামটির বাড়িঘর তৈরি হয়েছে কাদামাটি আর খড় দিয়ে। উত্তর খুলনা থেকে এর দূরত্ব ৬ মাইল, এখানে রয়েছে পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় নদীবন্দর। খুলনা এবং যশোর মেইন রোডের মাঝে অবস্থিত লতাপাহাড়পুর গ্রামটি। আর মেইন রোডটিতে ব্যস্ত থাকা সেনা সদস্যদের পাশাপাশি গাড়িভর্তি অস্ত্রশস্ত্রসহ পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্য এবং ৩০৩ লি এনফিল্ড রাইফেল বহন করা নাগরিকদেরও আমি এখানে খুঁজে পেয়েছি।

একেবারে শূন্য একটি গ্রাম…॥ লম্বা সময় ভ্রমণ করে আমার মনে হয়েছে, এখানকার ভূদৃশ্যের ছবি হচ্ছে সবুজ এবং রূপালী দাবারবোর্ডের মতো। এখানে সেখানে গুটিকয়েক কৃষক গরু ও মহিষ দিয়ে চাষাবাদ করছে। দেখে মনে হয়েছে জনবহুল দেশটিতে এদের

সংখ্যা খুবই সামান্য। এরপর আমি লতাপাহাড়পুর গ্রামে আসি। পূর্ব পাকিস্তানের অন্য আর অনেক গ্রামের মতোই এটি। তবে এখানে ধূতি পরা পুরুষ আর শাড়ি পরা নারী নেই। যদিও শিশু ও কুকুরগুলো খেলছে কলাগাছ নিয়ে। পূর্ব পাকিস্তানে আমি বহু গ্রাম দেখেছি, যেগুলো ছিল ভস্মীভূত (পোড়া)। তবে এখানে আমি কিছু মানুষ দেখলাম। এই প্রথমবার আমি দেখলাম, কোনকিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি; তবে একেবারে শূন্য একটি গ্রাম।

জনশূন্য হিন্দু গ্রাম ॥ প্রতিবেদনটি মূলত ছয়টি ভাগে ভাগ করে লেখা হয়েছিল। দ্বিতীয় অংশের শিরোনাম ছিল ‘প্রমাণ হীন’। সরেজমিন এই লেখার বলা হয়, ‘আমি আমার দুভাষীকে নিয়ে চারদিক ঘুরে দেখি। গণেশের রঙিন ছবি। এর মাধ্যমে

বোঝা যাচ্ছে এটি এক সময় ছিল হিন্দু গ্রাম। কিন্তু গ্রামবাসী কোথায় গেল? খালি বাড়িতে এর কোন প্রমাণ ছিল না। এরপর জীর্ণ শাড়ি পরা এক লাজুক নারী এলেন সামনে। উনার সঙ্গে ছিল তিন শিশু। ওই নারী জানান, তিনি হলেন মুসলিম এবং একজন শরণার্থী। তার স্বামী নিহত হয়েছেন। তিনি পালিয়ে এসেছেন এবং খুঁজে পেয়েছেন এই খালি গ্রামটি। হিন্দুদের ফেলে যাওয়া অল্প পরিমাণ চাল দিয়ে কোন রকমে জীবনধারণ করছেন তিনি। এসব শেষ হয়ে গেছে। তবে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে চান না। কারণ তিনি খুবই ভীত। কেননা তার স্বামী ছিলেন জয় বাংলার সমর্থক। এই স্লোগানটি ছিল নিষিদ্ধ। এরপর আরও

কিছু মানুষ এলেন। এসব মুসলিম কৃষকরা এসেছে আরামঘাটা নামক গ্রাম থেকে।

… গল্পের শেষটুকু শোনেনি ॥ গত সপ্তাহে আমি এ রকম আরও অনেক গল্প শুনেছি। আলী হামেদ এবং শওকত নামে স্থানীয় দুই ব্যক্তি এলেন। উভয়ের কাছে ছিল লোহার শেড। এপ্রিলের মাঝামাঝি পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্যদের দুটি ট্রাক নিয়ে গ্রামে আসে হামেদ। গ্রামবাসী এবং সৈন্যদের তর্কাতর্কি হয়, একপর্যায়ে সৈন্যদের গুলিতে ছয় গ্রামবাসী নিহত হন। নিহতের মধ্যে দুইজন ছিলেন লোকাল কাউন্সিল মেম্বার। তারা হলেন ইন্দু বাবু (একজন কৃষক) এবং তার আত্মীয় প্রফুল্ল বাবু (স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক)। নিহত দুজনই ছিলেন হিন্দু। আর পাকিস্তানী সৈন্য গ্রাম থেকে চলা

যাওয়ার পর। খুব দ্রুত গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় ১৫০ হিন্দু গ্রামবাসী। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি আমাকে কেন আপনারা এই গল্প বলছেন। তারা জানাল, আমি তো এই গল্পের শেষটুকু শুনিনি। আর কিছু মুসলিম এলেন এখানে কী হচ্ছে তা জানতে।

এখানে এসে তারা জানাল, পাকিস্তানী সেনারা চার গ্রামবাসীকে আটক করে এবং কোরান থেকে তাদের সূরা বলতে বলে। ওই চার ব্যক্তি খুব ভয় পেয়েছিল এবং বিসমিল্লাহি বিসমিল্লাহ রাহিম বলে সেনাদের কোনরকম বোঝানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের সূরা শোনার পর পাকি সেনারা বলছিল, এরা মুসলিম নয়। এরা আমাদের সঙ্গে কৌশল করছে। এরপর চারজনকে গুলি করে তারা।

গ্রামবাসী জানায়, এসব বিষয় নিয়ে

তারা খুবই ক্ষুব্ধ। কারণ হিন্দুদের সঙ্গে তাদের কোন সমস্যা ছিল না। তারা জানাল, হামিদ হচ্ছে রাজাকার। যার হাতে লোহার শেড ছিল এবং তার সঙ্গে থাকে একটি রাইফেল। এরপর আমি জানতে চাইলাম হিন্দুদের জমির কী হলো? মালিকদের অবর্তমানে এসব জমির নিলাম করে দেয় সেনা প্রশাসন। এক একর জমির দাম মূল্য ধরা হয় তিন শ’ টাকা। যারা জমি নিয়েছিল তারা খুব বেশি দরকষাকষি করেনি। আর বাকি জমি এখন মূল্যহীন।

এরা হচ্ছে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় শত্রু…॥ প্রতিবেদনের তৃতীয়াংশের শিরোনাম ছিল ‘সত্য উপলদ্ধি’। এতেও প্রতিবেদক মুক্তিসংগ্রামের সরেজমিন চিত্র খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তুলে আনার চেষ্টা করেন। অর্থাৎ লেখা পড়লেই যেন পাঠক বাস্তবতা

অনুভব করতে পারেন। যেন চোখের সামনে সবকিছু জীবন্ত হয়ে ফুঠে ওঠে। লেখায় বলা হয়, ‘শরণার্থীদের সঠিক অবস্থা আসলে কেমন লতাপাহাড়পুর গ্রামের সারসংক্ষেপই আমার কাছে তা পরিষ্কার করে দিয়েছে। এখানে ভারত থেকে কোন শরণার্থী ফিরে আসেনি। কারণ পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র ছিল ভয়ঙ্কর পরিবেশ। কারণ তাদের ঘরবাড়ি, সহায়সম্বল, খামার, ব্যবসা বাণিজ্য সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছিল অন্যরা। যাদের যুক্তি ছিল এরা আর কোনদিনও ফিরে আসবে না। কেননা এরা হচ্ছে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় শত্রু। এরপরও সেনা প্রশাসন চালু করেছে অর্ভ্যথনা (রিসিভ) সেন্টার এবং ট্রানজিট শিবিরসমূহ।

কর্নেল শামস-উজ-জামানের জবানবন্দী ॥ এসবের প্রস্তুতি দেখার জন্য আমি ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছে বেনাপোলে যাই। লে.

কর্নেল শামস-উজ-জামান আমাকে স্বাগত জানান। তিনি ছিলেন খুলনা জেলার দায়িত্বে। তিনি আমাকে জানান, সীমান্তে ঘনঘন ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে মর্টার বিনিময় হয়। এটা শুরু করে ভারতীয়রাই। তিনি আরও জানান, এই বাঙালীরা জানে না কিভাবে যুদ্ধ করতে হয়। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত থেকে আমি এখানে এসেছি। যুদ্ধ আমাদের রক্তে। ১০ বছর বয়সেই আমি রাইফেল ব্যবহার করা শিখেছি। এই অঞ্চলে গত তিনমাস সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন কর্নেল শামস।

মার্চ ২৫-২৯ এ সময়টিতে খুলনা শহরকে নিরাপত্তার জন্য কাজ শুরু করেন। তিনি জানান, এখন তার বাহিনী বিদ্রোহী এবং দুর্বৃত্তদের চেয়ে এই শহরে অনেক শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এটা বোঝা যাচ্ছে, এখানে রাজাকার ব্যবস্থা শুরু

করেন কর্নেল শামস। তিনিই তাদের হাতে তুলে দেন পুলিশের রাইফেল। তিনি এদের ব্যাখ্যা করেন, এরা ভাল মুসলিম এবং পাকিস্তানের প্রতি অনুগত। সেনা কর্তৃপক্ষের তথ্যানুয়ায়ী পূর্ব পাকিস্তানে ৫ হাজার রাজাকার রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ রয়েছে খুলনা জেলায়। দিনে তিন টাকা করে পায় রাজাকাররা। সাতদিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তাদের। যেখানে তাদের শেখানো হয় কিভাবে চালাতে হয় লি এনফিল্ড রাইফেল। তাদের কাজ হচ্ছে নিরাপত্তা তল্লাশি এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাদের সাহায্য করা। পাকিস্তানী সরকারের অনুগত স্থানীয় পিস কমিটির আদেশও মেনে চলে এই রাজাকাররা।

পিস কমিটি মনোনীত করত সেনা কর্তৃপক্ষ। এই কমিটির সদস্যরা ছিল রাজনৈতিক

দলগুলোর প্রতিনিধি। যারা নির্বাচিত হয়েছিল সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে। এরা ছিল মূলত ধর্মান্ধ মুসলিম আর খুলনার নির্বাচন দেখে বোঝা যায়, কোন অপরাধ নেই এমন রাজনীতিবিদ নিয়ে গঠিত পিস কমিটি এবং রাজাকারদের প্রকৃত অবস্থা কী? নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে খুলনার সব কয়টি সিটে (আটটি)। পেয়েছে ভোটের ৭৫ শতাংশ। মুসলিম লীগ ৩ ভাগ এবং জামায়াত পেয়েছে ৬ শতাংশ ভোট।

মেশিনগান এবং ট্রাক রোডসমূহ ভালভাবে ঘিরে রাখা ॥ আমি শামসকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি প্রত্যাশা করেন শরণার্থীরা বেনাপোল সীমান্তে আসবে। এটি হচ্ছে কলকাতা থেকে ঢাকার মেইন রোড। যেটি অবস্থান হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের উল্টো দিকে। এখানেই রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় বড় শরণার্থী

শিবির। মেশিনগান এবং ট্রাক দিয়ে তার বাহিনী রোডসমূহ ভালভাবে ঘিরে রেখেছে।

শামস জানান, আগতরা যেন অনুমোদনহীন কোন রোড দিয়ে না আসে তাই এমন ব্যবস্থা। একইসঙ্গে আসতে পারবে না বিদ্রোহী, দুর্বৃত্ত এবং ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীরাও। তাদের আসতে দিন, আমরা প্রস্তুত। কিন্তু আমার (মারে সেলে) কাছে পরিষ্কার হয়নি, তিনি (শামস) ভারতীয় সেনা অথবা শরণার্থীর মানে কি বোঝাতে চাইলেন। এরপর আমি ফিরে আসি একজন ক্যাপ্টেনের কাছে। ওই ক্যাপ্টেন আমাকে বলেন, তারা এখানে সমস্যায় রয়েছে। তিনি বলেন, বাঙালী কৃষকরা এখানে খড়ের টুপি (মাথাল) পরে ধানের চারা বপন করছে। আমরা কিভাবে বলতে পারি, এখানে এসব সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে আসবে দুর্বৃত্ত এবং

বিদ্রোহীরা।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT