‘সরকার থেকে ফায়দা লুটে নৈরাজ্য চালাচ্ছে বাস মালিক-শ্রমিকরা’ - বর্ণমালা টেলিভিশন

গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও অনেক বাস অর্ধেক ভাড়া নেয় না। এমনকি রাজধানীর অনেক বাসে শিক্ষার্থীদের ওঠানোই হয় না। শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। বাস থেকে নামার সময় শিক্ষার্থীদের ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক পরিবহণের নৈরাজ্য নিয়ে শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এসব অভিযোগ জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, পরিবহণ খাতের বর্তমান নেতৃত্ব ধর্মঘটের নামে জনগণকে জিম্মি করে সরকারের কাছ থেকে

নানাভাবে ফায়দা লুটছে। তারা রাজধানীর বাসে বারবার ঘোষণা দিয়েও সিটিং সার্ভিসের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ না করে, এসব গাড়িতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তিন থেকে চার গুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। এই খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য পরিবহণ মালিক-শ্রমিকের নেতৃত্বে পরিবর্তন জরুরি।

মহাসচিব বলেন, নিরাপদ সড়কের সব উদ্যোগ আটকে যাচ্ছে প্রভাবশালী পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের চাপে। সাড়ে তিন বছর আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, জানিয়েছিল কিছু উদ্যোগের কথাও। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে শ্রেণিকক্ষে ফেরার পর বিভিন্ন দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা রাস্তায় নামেন। এরপর সরকারের প্রতিশ্রুতি ও উদ্যোগও সব আটকে যায়। ফলে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ মারা গিয়েছিল, চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই

তা ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বলেন, যখন যে পক্ষ শক্তি দেখাতে পারে, সে পক্ষকে খুশি করার চেষ্টা করে সরকার। তবে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকেরা যেহেতু সংগঠিত এবং প্রভাবশালী, দিন শেষে সরকারি সিদ্ধান্ত তাদের পক্ষেই যায়।নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৩০ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর সিংহভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে শাজাহান খানের নেতৃত্বে ১০১ দফা সুপারিশ প্রণয়নের পর- তা এখন ডিপ ফ্রিজে আটকা পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবহণ খাতে সুশাসন অনুপস্থিত। এ কারণে যে যার মতো করে চলছে।

মহাসচিব আরও বলেন, সড়কে সবাই ইচ্ছেমতো প্রভাব বিস্তার করে আইন ভাঙছেন। চাঁদাবাজি, হয়রানি ও নৈরাজ্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ২০১৮

সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। তখন সবাই বলেছিলেন শিক্ষার্থীরা তাদের চোখ খুলে দিয়েছে। কিন্তু দেখা গেল, কিছুদিন পর সবই আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। রাস্তায় মৃত্যু বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আবার রাস্তায় ফিরে এলো।

‘শিক্ষার্থীদের এবারের আন্দোলন শুধু হাফ ভাড়ার জন্য নয়, সড়কে পুরো অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে। রাষ্ট্র এ বিশৃঙ্খলা বন্ধ না করলে, এর সমাধান পাওয়া কঠিন। দিনের পর দিন এভাবে চলতে পারে না।’

সব পথের গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের হাফ পাশ ও সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকরের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, যাত্রী কল্যাণ সমিতি সহসভাপতি তাওহিদুল হক, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম প্রমুখ।

গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও অনেক বাস অর্ধেক ভাড়া নেয় না। এমনকি রাজধানীর অনেক বাসে শিক্ষার্থীদের ওঠানোই হয় না। শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। বাস থেকে নামার সময় শিক্ষার্থীদের ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক পরিবহণের নৈরাজ্য নিয়ে শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এসব অভিযোগ জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, পরিবহণ খাতের বর্তমান নেতৃত্ব ধর্মঘটের নামে জনগণকে জিম্মি করে সরকারের কাছ থেকে

নানাভাবে ফায়দা লুটছে। তারা রাজধানীর বাসে বারবার ঘোষণা দিয়েও সিটিং সার্ভিসের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ না করে, এসব গাড়িতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তিন থেকে চার গুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। এই খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য পরিবহণ মালিক-শ্রমিকের নেতৃত্বে পরিবর্তন জরুরি।

মহাসচিব বলেন, নিরাপদ সড়কের সব উদ্যোগ আটকে যাচ্ছে প্রভাবশালী পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের চাপে। সাড়ে তিন বছর আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, জানিয়েছিল কিছু উদ্যোগের কথাও। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে শ্রেণিকক্ষে ফেরার পর বিভিন্ন দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা রাস্তায় নামেন। এরপর সরকারের প্রতিশ্রুতি ও উদ্যোগও সব আটকে যায়। ফলে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ মারা গিয়েছিল, চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই

তা ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বলেন, যখন যে পক্ষ শক্তি দেখাতে পারে, সে পক্ষকে খুশি করার চেষ্টা করে সরকার। তবে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকেরা যেহেতু সংগঠিত এবং প্রভাবশালী, দিন শেষে সরকারি সিদ্ধান্ত তাদের পক্ষেই যায়।নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৩০ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর সিংহভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে শাজাহান খানের নেতৃত্বে ১০১ দফা সুপারিশ প্রণয়নের পর- তা এখন ডিপ ফ্রিজে আটকা পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবহণ খাতে সুশাসন অনুপস্থিত। এ কারণে যে যার মতো করে চলছে।

মহাসচিব আরও বলেন, সড়কে সবাই ইচ্ছেমতো প্রভাব বিস্তার করে আইন ভাঙছেন। চাঁদাবাজি, হয়রানি ও নৈরাজ্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ২০১৮

সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। তখন সবাই বলেছিলেন শিক্ষার্থীরা তাদের চোখ খুলে দিয়েছে। কিন্তু দেখা গেল, কিছুদিন পর সবই আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। রাস্তায় মৃত্যু বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আবার রাস্তায় ফিরে এলো।

‘শিক্ষার্থীদের এবারের আন্দোলন শুধু হাফ ভাড়ার জন্য নয়, সড়কে পুরো অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে। রাষ্ট্র এ বিশৃঙ্খলা বন্ধ না করলে, এর সমাধান পাওয়া কঠিন। দিনের পর দিন এভাবে চলতে পারে না।’

সব পথের গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের হাফ পাশ ও সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকরের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, যাত্রী কল্যাণ সমিতি সহসভাপতি তাওহিদুল হক, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম প্রমুখ।

‘সরকার থেকে ফায়দা লুটে নৈরাজ্য চালাচ্ছে বাস মালিক-শ্রমিকরা’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৫:৪৩ 77 ভিউ
গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও অনেক বাস অর্ধেক ভাড়া নেয় না। এমনকি রাজধানীর অনেক বাসে শিক্ষার্থীদের ওঠানোই হয় না। শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। বাস থেকে নামার সময় শিক্ষার্থীদের ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে যে কোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। সড়ক পরিবহণের নৈরাজ্য নিয়ে শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এসব অভিযোগ জানিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, পরিবহণ খাতের বর্তমান নেতৃত্ব ধর্মঘটের নামে জনগণকে জিম্মি করে সরকারের কাছ থেকে

নানাভাবে ফায়দা লুটছে। তারা রাজধানীর বাসে বারবার ঘোষণা দিয়েও সিটিং সার্ভিসের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ না করে, এসব গাড়িতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তিন থেকে চার গুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। এই খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য পরিবহণ মালিক-শ্রমিকের নেতৃত্বে পরিবর্তন জরুরি। মহাসচিব বলেন, নিরাপদ সড়কের সব উদ্যোগ আটকে যাচ্ছে প্রভাবশালী পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের চাপে। সাড়ে তিন বছর আগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, জানিয়েছিল কিছু উদ্যোগের কথাও। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে শ্রেণিকক্ষে ফেরার পর বিভিন্ন দাবিতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা রাস্তায় নামেন। এরপর সরকারের প্রতিশ্রুতি ও উদ্যোগও সব আটকে যায়। ফলে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ মারা গিয়েছিল, চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই

তা ছাড়িয়ে গেছে। তিনি বলেন, যখন যে পক্ষ শক্তি দেখাতে পারে, সে পক্ষকে খুশি করার চেষ্টা করে সরকার। তবে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকেরা যেহেতু সংগঠিত এবং প্রভাবশালী, দিন শেষে সরকারি সিদ্ধান্ত তাদের পক্ষেই যায়।নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৩০ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এর সিংহভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে শাজাহান খানের নেতৃত্বে ১০১ দফা সুপারিশ প্রণয়নের পর- তা এখন ডিপ ফ্রিজে আটকা পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবহণ খাতে সুশাসন অনুপস্থিত। এ কারণে যে যার মতো করে চলছে। মহাসচিব আরও বলেন, সড়কে সবাই ইচ্ছেমতো প্রভাব বিস্তার করে আইন ভাঙছেন। চাঁদাবাজি, হয়রানি ও নৈরাজ্য এখন চরম আকার ধারণ করেছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ২০১৮

সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। তখন সবাই বলেছিলেন শিক্ষার্থীরা তাদের চোখ খুলে দিয়েছে। কিন্তু দেখা গেল, কিছুদিন পর সবই আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। রাস্তায় মৃত্যু বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আবার রাস্তায় ফিরে এলো। ‘শিক্ষার্থীদের এবারের আন্দোলন শুধু হাফ ভাড়ার জন্য নয়, সড়কে পুরো অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে। রাষ্ট্র এ বিশৃঙ্খলা বন্ধ না করলে, এর সমাধান পাওয়া কঠিন। দিনের পর দিন এভাবে চলতে পারে না।’ সব পথের গণপরিবহণে শিক্ষার্থীদের হাফ পাশ ও সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকরের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, যাত্রী কল্যাণ সমিতি সহসভাপতি তাওহিদুল হক, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম প্রমুখ।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ