ঢাকা, Sunday 19 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

সব দেশে টিকা রফতানির অনুমতি রয়েছে ॥ সেরাম

প্রকাশিত : 08:50 AM, 6 January 2021 Wednesday
108 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

ভ্যাকসিন নিয়ে কোন বাধাই থাকল না। সব দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানির অনুমতি রয়েছে বলে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আদর পুনেওয়ালার বক্তব্যের পর বাধা কেটে গেল। এদিকে ভ্যাকসিন দেয়ার খসড়া নীতিমালা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে কম ঝুঁকিতে রয়েছে এমন জনগোষ্ঠীকে টিকা দেয়া হবে বলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের খসড়া নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। দেশে ১৮ বছরের বেশি বয়সী ১৩ কোটি ৭৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। এর অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ৩ কোটি ডোজ টিকা আমদানি করা হচ্ছে। টিকা আমদানিতে আরও ৫ হাজার ৬৫৯

কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছে সারাবিশ্ব। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন ও ট্রায়াল শুরু হওয়ার পর থেকেই ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য নানা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে গত নবেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও বেক্সিমকোর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। সেরাম থেকে টিকা এনে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেবে বেক্সিমকো। টিকা যেন চলে এলো বাংলাদেশে। ‘নিজ দেশের বাইরে আপাতত ভ্যাকসিন রফতানির অনুমতি দেবে না ভারত’Ñ এমন একটি সংবাদে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে হতাশার জন্ম দেয়। শুরু হয় তুমুল আলোচনা। বিভ্রান্তির মুখে ভারতের

সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আদর পুনেওয়ালা বলেছেন, সব দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন রফতানির অনুমতি রয়েছে। মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় এ কথা বলেন ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান। অক্সফোর্ড-এ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন ভারতে কোভিশিল্ড নামে উৎপাদন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট।

টুইটে পুনেওয়ালা বলেন, জনসমাজে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি দুটি বিষয় পরিষ্কার করতে চান। সব দেশে ভ্যাকসিন রফতানির অনুমোদন রয়েছে। আর ভারত বায়োটেক নিয়ে সাম্প্রতিক যে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে, তা দূর করতে একটি যৌথ প্রকাশ্য বিবৃতি দেয়া হবে বলে জানান পুনেওয়ালা। ভারতের ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটানোর আগে অন্য দেশকে বাণিজ্যিকভাবে টিকা না দেয়ার বিষয়ে পুনেওয়ালার কিছু বক্তব্য ঘিরে বিভ্রান্তি-অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। গত রবিবার পুনেওয়ালার

সাক্ষাতকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আগামী দুই মাসে তারা ভারতের ভ্যাকসিনের চাহিদা পূরণ করবেন। ভারত সরকারকে প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের পরই টিকা রফতানি করা সম্ভব হতে পারে। এছাড়া আদর পুনেওয়ালাকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা এপি বলে, বাণিজ্যিকভাবে টিকা দিতে নিষেধাজ্ঞা আছে।

অবশ্য সোমবার ভারতের টিকা রফতানির নিষেধাজ্ঞার খবরের বিষয়ে সেরাম ইনস্টিটিউটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মায়াঙ্ক সেন দিল্লীতে বিবিসিকে জানান, ভ্যাকসিন রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। কারণ তাঁদের টিকা রফতানির ওপর কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে রফতানি শুরুর আগেই তারা ভারত সরকারকে ১০ কোটি টিকা দেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। কিন্তু

এ মুহূর্তে তারা রফতানি করতে পারবেন না, যেহেতু তাদের রফতানির অনুমতি নেই। গত নবেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও বেক্সিমকোর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। সেরাম থেকে টিকা এনে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেবে বেক্সিমকো।

অক্সফোর্ডের টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারত। বেক্সিমকোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর অক্সফোর্ডের টিকা বাংলাদেশে আমদানি ও জরুরী ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। গত রবিবার ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা করোনার দুটি টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। একটি ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন, অন্যটি সেরাম ইনস্টিটিউটে প্রস্তুতকৃত অক্সফোর্ড-এ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’।

টিকার খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে ॥ বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় জাতীয়ভাবে টিকাদানের খসড়া পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে

স্বাস্থ্য অধিদফতর। এখন এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদফতরের কর্মকর্তারা। পরিকল্পনায় স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক মানুষদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আলমগীর জনকণ্ঠকে জানান, এই পরিকল্পনাটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এটিতে পরিবর্তন আসতে পারে। পরিকল্পনাটিতে বলা হয়েছে, টিকা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি ও জনবল নিয়োগের মতো কাজ করতে ৮ সপ্তাহ বা দুই মাসের মতো সময় লাগবে। টিকা কোথা থেকে কেনা হচ্ছে এবং এর উৎসের ওপর ভিত্তি করে আমদানির রেজিস্ট্রেশন পেতে আলাদা সময় লাগবে বলে

জানানো হয়। টিকাদান কর্মসূচী পরিকল্পনা, বাস্তবায়নে এবং পর্যবেক্ষণে সহায়তা ও সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশের সরকারের সব পর্যায়ে পরিকল্পনা ও সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। রোহিঙ্গাদের টিকাদানের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ের একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হবে।

কীভাবে টিকা দেয়া হবে ॥ খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকাদের অগ্রাধিকার দিয়ে ভ্যাকসিন বণ্টন করা হবে। সেক্ষেত্রে প্রথমেই রয়েছে কোভিড-১৯ রোগীদের সেবায় সরাসরি নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখ সারিতে থাকা কর্মী এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল যেসব রোগী তারা। দ্বিতীয় ধাপে থাকবে বয়স্ক, স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে এমন বয়স্ক মানুষ, শিক্ষাকর্মী, জনপরিবহনের কর্মীরা।

তিন পর্যায়ে মোট ৫ ধাপে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষকে

ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। যার মধ্যে প্রথম পর্যায়ের প্রথম ধাপে ৩ শতাংশ বা ৫১ লাখ ৮৪ হাজার ২৮২ জনকে টিকা দেয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ৭ শতাংশ বা এক কোটি ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৭ জনকে টিকা দেয়া হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ধাপে ১১-২০ শতাংশ বা এক কোটি ৭২ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। তৃতীয় ও সর্বশেষ পর্যায়ের মোট দুটি ধাপে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২১-৪০ শতাংশ বা ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৬১ হাজারের বেশি এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪১-৮০ শতাংশ বা ৬ কোটি ৯১ লাখ ২৩ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা

হবে।

অক্সফোর্ড-এ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা ভারতের উৎপাদন করবে সেরাম ইনস্টিটিউট ॥ দুই জন টিকাদানকর্মী ও চার জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে মোট ছয় জন করে একেকটি দল তৈরি করা হবে যারা এই টিকাদান কর্মসূচী মাঠপর্যায়ে পরিচালনা করবেন। প্রতিটি দল প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জনকে টিকা দিতে পারবে বলে ধরা হয়েছে। ছয় জনের দলগুলোতে একজন নারী ও একজন পুরুষ টিকাদানকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে কমপক্ষে একজন নারী থাকবেন।

কোন ধাপে কারা টিকা পাবেন ॥ প্রথম পর্যায়ের প্রথম ধাপে যে তিন শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আসবেন তারা হচ্ছেন সব ধরনের সরকারী স্বাস্থ্যসেবা এবং সমাজকর্মী যারা কোভিড মোকাবেলায় সরাসরি জড়িত। এদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক,

নার্স এবং মিডওয়াইফারি পেশায় নিয়োজিত কর্মী, মেডিক্যাল ও প্যাথলজি ল্যাব কর্মীরা, পেশাদার স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন কর্মীরা, সাইকোথেরাপির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা, মেডিসিন পারসনেল, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, এ্যাম্বুলেন্স চালক মিলে তিন লাখ ৩২ হাজার জন।

সব সরকারী ও বেসরকারী স্বাস্থ্যসেবা কর্মী যারা স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন ধাপে কাজ করে কিন্তু সরাসরি কোভিড-১৯ মোকাবেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় যেমন স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যবস্থাপনা কর্মী, ক্ল্যারিক, বাণিজ্য কর্মী, লন্ড্রি কর্মী, এ্যাম্বুলেন্স ছাড়াা অন্য গাড়ির চালক- এমন এক লাখ ২০ হাজার জনকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

এছাড়া ২ লাখ ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা, ৫ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি ফ্রন্ট লাইনে কাজ করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যেমন পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ,

আনসার, ভিডিপি সদস্য, তিন লাখ ৬০ হাজার অন্যান্য বাহিনী যেমন সেনাবাহিনী, নেভি, বিমানবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড ও প্রেসিডেন্ট গার্ডের সদস্য, বিভিন্ন সরকারী দফতরের ৫০ হাজার কর্মকর্তা, ফ্রন্ট লাইনে কাজ করা সাংবাদিক ও মিডিয়া কর্মী ৫০ হাজার জনকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। এই ধাপে আরও যারা ভ্যাকসিন পাবেন তারা হচ্ছেন, জনপ্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা কর্মী, ধর্মীয় নেতা, দাফন ও সৎকারে নিয়োজিত কর্মী, ওয়াসা, ডেসা, তিতাস ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, স্থল, সমুদ্র ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী শ্রমিক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারী কর্মী, ব্যাংক কর্মী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম রয়েছে এমন রোগী, রোহিঙ্গা এবং বাফার,

জরুরী ও মহামারী ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মী।

প্রথম ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে টিকা দেয়া হবে ৬০ বছর বা এর চেয়ে বয়স্ক নাগরিকদের। দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে ৫৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নাগরিক, বয়স্ক এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা মানুষ, শিক্ষক এবং সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, প্রথম পর্যায়ে বাদ পড়া মিডিয়া কর্মী, দুর্গম এলাকায় বসবাসরত মানুষ, আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য, গণপরিবহন কর্মী, হোটেল, রেস্তরাঁ ও ওষুধের দোকানের কর্মী, গার্মেন্টস প্রমিক, যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা।

তৃতীয় পর্যায়ের দুটি ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপে যাদের টিকা দেয়ার অগ্রাধিকার দেয়া হবে তাদের মধ্যে রয়েছে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী যারা আগের ধাপে টিকা

পাননি, গর্ভবতী নারী, অন্যান্য সরকারী কর্মচারী, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী কর্মী, অন্যান্য স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মী, রফতানি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মী, বেসরকারী বিদ্যুত কেন্দ্র ও বন্দর কর্মী, কয়েদি ও জেলকর্মী, শহরের বস্তিবাসী বা ভাসমান জনগোষ্ঠী, কৃষি ও খাদ্য সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মী, ডরমেটরির বাসিন্দা, গৃহহীন জনগোষ্ঠী, অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী, বাদ পড়া গণপরিবহন কর্মী, বাদ পড়া ৫০-৫৪ বছর বয়সী নাগরিক, জরুরী ও মহামারী ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা। তৃতীয় পর্যায়ের শেষ ধাপে যারা টিকা পাবেন তারা হচ্ছেন অন্য ধাপে বাদ পড়া যুব জনগোষ্ঠী, শিশু ও স্কুলগামী শিক্ষার্থী এবং এর আগের সব ধাপে বাদ পড়া জনগোষ্ঠী।

সব মিলিয়ে ৮০ শতাংশ

জনগণকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে ১৯২ দিন সময় লাগবে বলে পরিকল্পনায় বলা হয়েছে। সরকারী ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচী চলবে। সরকারী ছুটির দিনে বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় নির্ধারিত কিছু টিকাদান কেন্দ্রে সন্ধ্যায় টিকা দেয়া হবে। জাতীয় পর্যায় এবং অগ্রাধিকার পরিকল্পনার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের টিকার আওতায় আনতে আলাদা পরিকল্পনা প্রণয়নেরও কথা বলা হয়েছে এই পরিকল্পনায়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT