সকাল না সন্ধ্যা- কখন হাঁটা বেশি উপকারী? – বর্ণমালা টেলিভিশন

সকাল না সন্ধ্যা- কখন হাঁটা বেশি উপকারী?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ October, ২০২৫ | ৬:১৩ 122 ভিউ
হাঁটা শরীরের জন্য কতটা উপকারী এটা কমবেশি সবারই জানা। চিকিৎসকরাও এ কারণে নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দেন। তবে সকাল না সন্ধ্যা কখন হাঁটলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। আবার কখন হাঁটলে শরীরের মেদ ঝরবে তা নিয়েও কেউ কেউ জানতে চান। ওজন ঝরানোর জন্য যে কয়টি পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে শরীরচর্চা অন্যতম। তবে সবাই যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে পছন্দ করেন, তা নয়। কেউ কেউ যোগাসন করেন, কেউ আবার বাড়িতেই ব্যায়াম করেন। আবার, এমনও অনেকে রয়েছেন, যারা ফিট থাকতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটাহাঁটি করতেই বেশি পছন্দ করেন। কেউ সকালে হাঁটেন কেউ বা সময় না পেলে রাতে খাওয়ার পর হাঁটতে বের হোন। চিকিৎসকরা বলছেন, সকালে হাঁটার বাড়তি কিছু সুবিধা রয়েছে। এই সময়ের বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে নিতে হাঁটলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। হৃৎস্পন্দনের হারও স্বাভাবিক থাকে। এর পাশাপাশি হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। সকালের দিকে হাঁটাহাঁটি করলে শরীর, মন ভালো থাকে। সেই সঙ্গে কাজে গতি আসে। আবার যাদের অনিদ্রাজনিত সমস্যা আছে তারা সকালের দিকে হাঁটলে সুফল পাবেন। সামনেই শীতকাল। এই সময়ে বাতাসে দূষণ এবং পোলেনের মাত্রা বেশি থাকে। তাই অনেক চিকিৎসকের মতে, খুব ভোরে নয়, বরং বেলা বাড়লে বা রোদ উঠলে তবেই হাঁটতে যাওয়া উচিত। তা না হলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়তে পারে। যারা সারাদিন সময় পান না তার সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফিরে বা রাতে হাঁটতে বের হোন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা দিনের ব্যস্ততার শেষে হাঁটলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। ক্লান্ত শরীরে ফিরে আসে ফুরফুরে ভাব। এই সময় হাঁটলে ওজনেও কমে। এ সময় সূর্যের তাপ থাকে না। ফলে বেশি ক্ষণ হাঁটলে ক্লান্তি কম হয়। বিভিন্ন গবেষণায় বলছে, হাঁটার কোনও আদর্শ সময় নেই। দিনের যে কোনও সময়ে হাঁটলেই উপকার মিলবে। কে কখন হাঁটবেন, সেটা নির্ভর করছে ওই ব্যক্তির শারীরিক পরিস্থিতি বা পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর। চিকিৎসকরা বলছেন,কোন সময় হাঁটবেন সেটা বড় কথা নয়, হাঁটাটাই বড় বিষয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জবি ক্যাম্পাসে পশু জবাই গরুভোজ কর্মসূচি পালিত ৪৫তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি, ৫৫ জন বাদ এনবিআরের ২ কর্মীর কাছে আসে প্রশ্নপত্র, পরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় উত্তরসহ: এসআরবি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়িয়ে জ্বালানি রপ্তানি করছে ইরান বাসা থেকে সিজেপির দীপকে আটক, নেহাকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ ইরান যুদ্ধে ইউরোপের ক্ষতি ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী চুয়েটে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা, অনুপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সদস্য শেরপুরে নকলায় মাজারে ভাঙচুর সৌদি আরবে পৌঁছতে বিকল্প পথ ব্যবহার করছেন অনেকেই দায়িত্ব নেওয়ার ৫ দিনেরও কম সময়ে পদ ছাড়ছেন কেটি জাকারিয়া বাজারে ক্রেতাদের ক্ষোভ: “আলহামদুলিল্লাহ, পেঁপে-কুমড়া এখনও ৮০ টাকার নিচে, তারেক ভাইয়াকে ধন্যবাদ” ‘ব্লাডমানি’ দিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশির জীবন রক্ষা করেছিল শেখ হাসিনার সরকার, অথচ অলক্ষ্যে সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরকারি জমি দখল করে জামায়াত আমির বললেন, “এখন আমাদের সময়” ‘জুলাইবিরোধী’ ভূমিকায় অভিযুক্ত, ১৪৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর শ্রীলঙ্কার তৎপরতায় সৌদিতে নবী অবমাননায় লংকান যুবকের মৃত্যুদণ্ড রদ, অথচ বাংলাদেশি প্রেমিক যুগলের মৃত্যুদণ্ডে বেখবর মিশন ও দুই মন্ত্রণালয় জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা একটির খরচে ৫টি নির্মাণের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল: ৩য় এলএনজি টার্মিনালে ব্যয় বৃদ্ধি ৩৫-৩৭ শতাংশ নেত্রকোনায় দোকানে বসে থাকা সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা কাজ নাই, তাই বেতনও নাই: ৫ পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী: সহিংসতা ছড়িয়ে ‘বাংলাদেশ মডেলে’ সরকারের পতন ঘটাতে চাইছে কংগ্রেস