ঢাকা, Tuesday 21 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শ্রেষ্ঠ জাতি ও বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র গঠনে শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : 11:11 PM, 13 September 2020 Sunday
150 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

শ্রেষ্ঠ জাতি ও বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র গঠনে শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন। তাই তার নেতৃত্বে আস্থা রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। একইসাথে সেবা প্রার্থীদের দ্রুত সেবা দিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রবিবার বেলা ১১ টায় রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সেক্টরের বাউনিয়াবাঁধ এলাকার ২ হাজার ৬০০ বাস্তহারা পরিবারের পুনর্বাসন প্রকল্পে প্লটের দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাউনিয়াবাঁধ ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় মন্ত্রী ৯৩ টি প্লটের দলিল গ্রহীতাদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব মো. দেলোয়ার হায়দার এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা

হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা ১৬ আসনের এমপি ইলিয়াস উদ্দীন মোল্লাহ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। অনুষ্ঠানে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা অতুলনীয়। মনে রাখবেন একদিনে বাংলাদেশ এ পর্যায়ে আসেনি। দীর্ঘ সংগ্রাম আর ত্যাগ তিতীক্ষার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে বিষ্ময়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা কঠোর পরিশ্রম করে দেশকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন কিভাবে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া যায়। বঙ্গবন্ধু যে সব স্বপ্ন

দেখেছেন তা আজ বাস্তবে পরিণত করছেন তারই সুযোগ্য কণ্যা শেখ হাসিনা। প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের কাজ এগিয়ে নিতে সকলকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ ঢাকার বুক চিড়ে চলছে মেট্রোরেল নির্মাণেল কাজ,চ্যালেঞ্জ করে নির্মিত হচ্ছে পদ্মা সেতু চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীতে ট্যানেল নির্মাণ করার কাজ প্রায় ৬০ ভাগ শেষ, বাংলাদেশকে আলোকিত করতে ঘরে ঘরে আলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এরবাইরেও শিখ্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বছরের প্রথম দিনেই কোটি কোটি শিক্ষার্থীর হাতে সম্পূর্ন বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেয়া সহ অসংখ্য স্বপ্নের বাস্তবায়নকারী তিনি। তাই তার প্রতি আস্থা রাখুন দেশ এগিয়ে যাবেই।

বাস্তুহারা পরিবারের প্লটের দলিল প্রসঙ্গে

প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, দীর্ঘ ৪৭ বছর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক বাস্তুহারাদের দেয়া জমি বরাদ্দের দলিল আজ বুঝে পেতে যাচ্ছেন ২ হাজার ৬০০ পরিবার। দেশের বিভিন্ন স্থানের নদী ভাঙ্গন এলাকার নাগরিকদের রাজধানীতে বসবাসের জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭২-৭৩ অর্থ বছরে মিরপুরের বাউনিয়াবাধ এলাকায় এক খন্ড করে জমি বরাদ্দ প্রদান করেন।

কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই জমি বরাদ্দ পাওয়া লোকজন তাদের জমির মালিকানা হিসেবে দলিল বুঝে পান নি। তারা তাই দীর্ঘ বছর পর বরাদ্দ গ্রহীতাদেরকে জমির দলিল বুঝিয়ে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আজ অমি ৯৩ টি প্লটের দলিল বুঝিয়ে দিয়েছি বাকি দলিলগুলো অতি

দ্রুতই সকল সমস্যার সমাধান করে বরাদ্দ গ্রহীতাদেরকে বুঝিয়ে দিতে সচিব ও জাতীয় গৃহায়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন। সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেয়ে তিনি জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছেন। কিন্তু অন্যায়ের সাথে কখনো আপস করেননি। মানুষের খাদ্য বস্ত্র চিকিৎসা সহ মানসম্মত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছিল বঙ্গবন্ধুর একটি অন্যতম স্বপ্ন। সে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আজকের এই দলিল হস্তান্তর।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে ঢাকা ১৬

আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ বলেন,বাস্তুহারাদের জন্য বঙ্গবন্ধুর দেয়া প্লটের বরাদ্দ উপহার হিসেবে পেলেও দীর্ঘ বছরেও তারা কেউ তাদের দলিল বুঝে পান নি। এরপর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্লটের দলিল বুঝিয়ে দিতে অনুরোধ করলে তিনি তা দেয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। যার ফলে আজকে ২৬০০ বাস্তুহারা তাদেও জমির দলিল বুঝে পেতে যাচ্ছেন।

আশা করি অতি দ্রুত সকল দলিল মালিকরা বুঝে পাবেন। ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ বসবাসকারীদের সম্মানার্থে বাস্তুহারা পরিবারের পুর্ণবাসন প্রকল্পের নাম পাল্টিয়ে বাউনিয়াবাঁধ আবাসিক এলাকা নামকরণের সুপারিশ করেন। এ সময় মন্ত্রী এ বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশ

দেন। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিরপুর ১১ সেকশনে অবস্থিত এ বাঁধের ৯২ দশমিক ৯৯ একর জমির ওপর দুই হাজার ৬০০ পরিবারকে পুনর্বাসিত করেন।

প্রত্যেক পরিবারকে পৌনে এক কাঠা জমি বরাদ্দ দেন তিনি। এ এলাকায় বসবাসকারীরা ভবন নির্মাণ করলেও দীর্ঘ বছর পর তারা জমির দলিল বুঝে পান।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT