ঢাকা, Thursday 28 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ

প্রকাশিত : 08:39 AM, 18 March 2021 Thursday
59 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

বেঁচে থাকলে এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বয়স হত ১০১ বছর। আর ঠিক নয় দিন বাদেই ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। একদিকে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ, অন্যদিকে স্বাধীনতার ৫০ বছর অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তী। দুইয়ে মিলে এক অন্যরকম বাংলাদেশ। তাই ইতিহাসের মহানায়ক ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের আয়োজনে কৃতজ্ঞ বাঙালী জাতি বুধবার মেতেছিল এক অনন্য উৎসবে। জাতীয় জীবনের মহিমান্বিত এই সময়কে কালের রেখায় ধরে রাখতে ১০ দিনব্যাপী জমকালো আনন্দ-উৎসব তথা মহাযজ্ঞের পর্দা উঠেছে জাতির পিতার জন্মদিনে। ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে পা রাখল বাংলাদেশ। বিশ্বনেতা ও রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গে নিয়ে বর্ণিল ও জমকালো

সেই মহা আয়োজনেরও পর্দা উঠেছে বুধবার। শহর জুড়ে তাই এখন রঙিন আলোর ঝলকানি। উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র প্রধানদের শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া ফেস্টুনগুলো শোভা পাচ্ছে মোড়ে মোড়ে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই মহাযজ্ঞ শুধু আগামী ১০ দিনই নয়, পুরো বছর ধরেই পালিত হবে নানা আয়োজনে।

এসব কারণেই বুধবার জাতির পিতার শততম জন্মবার্ষিকী, জাতীয় শিশু দিবস এবার রূপ নিয়েছিল এক ভিন্ন মাত্রা। দিনভর অবনত মস্তক আর হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণের মধ্য দিয়ে চলছে মুজিবর্ষের উৎসব। জন্মশতবার্ষিকীতে কৃতজ্ঞ বাঙালী জাতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ করেছে বাংলাদেশ নামক ভূÑখ-ের স্বাপ্নিক স্থপতি জাতির

পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানকে। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্যদিয়ে শুধু দেশেই নয়, ইউনেস্কোর উদ্যোগে সমগ্রবিশ্বেও উদ্যাপিত হচ্ছে মুজিববর্ষ। দেশবাসীর মতো বিশ্ববাসীও বছরব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালার মধ্যদিয়ে বাঙালী জাতি রাষ্ট্রের রূপকার ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাবে।

বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে দেখা দেয়া করোনা ভাইরাসজনিত কারণে মুজিববর্ষের কর্মসূচীতে অনেক কাটছাঁট করা হলেও কৃতজ্ঞ বাঙালীর জাতির ইতিহাসের মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনে এতটুকু ঘাটতি পড়েনি। বরং প্রতিবারের মতো এবারও সব শ্রেণী-পেশার ভাইরাসের ভয়কে জয় করেই শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতির পিতার প্রতি। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা

সভা, দোয়া, সুস্থদের মাঝে খাবার ও বস্ত্র বিতরণ, র‌্যালি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোতিা, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের দেয়াল উদ্বোধন, আবৃত্তি ও সঙ্গীতানুষ্ঠানসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচীতে বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে তার অবদান ও সঙ্কট অতঃপর শেখ হাসিনার পথ ধরে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের চিত্র উপস্থাপিত হয়।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত শেষে প্রথম প্রহরে অর্থাৎ ১২টা ১ মিনিটে ফানুস উড়িয়ে ও আতশবাজির ঝলকানির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জাতির পিতার জন্মদিন মুজিববর্ষের জমকালো অনুষ্ঠান। বুধবার দিনভর ধানম-ির ৩২ নম্বর, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াও বিকেল সাড়ে চারটায় জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে উদ্বোধন করা হয়েছে ১০

দিনব্যাপী জমকালো অনুষ্ঠানমালার। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ সশরীরে উপস্থিত থেকে মহাযজ্ঞের সূচনা করেন। সন্ধ্যা ছয়টার পর বাংলাদেশ ও ভারতীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান।

দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সন্ত্রাস-নাশকতা-জঙ্গীবাদ ও ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের দৃপ্ত শপথে বুধবার বাঙালী জাতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে। কৃতজ্ঞ জাতি সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে দেশের চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের শপথও নিয়েছেন। জাতির পিতার প্রতিকৃতি ও মাজারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন, কেক কাটা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনামূল্যে চিকিৎসা,

প্রমাণ্যচিত্র প্রদর্শণসহ সরকারী-বেসরকারী নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস।

করোনাভাইরাসের ভয় কৃতজ্ঞ জাতিকে ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার ভোর থেকে ঐতিহাসিক ধানম-ির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন এবং টুঙ্গিপাড়ায় মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে জমায়েত হয় সর্বস্তরের মানুষ। তবে বিশ্ব পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে সব ধরনের গণজমায়েতের কর্মসূচী বাতিল করে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তাই এবার বৃহৎ কোন গণজমায়েত না হলেও শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের কমতি ছিল না।

ক্ষণগণনার ঘড়ির কাঁটা শূন্য ঘরে পৌঁছা মাত্র সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর বিভিন্নস্থানে আতশবাজি, তোপধ্বনী, ফানুস ওড়ানোসহ নানা

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কর্মসূচীর সুচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের পাশাপাশি রাজধানীসহ সারাদেশে সীমিত পরিসরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর ওপর তৈরি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডাসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা সভা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। সকালে ধানম-ির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে

রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি। এ সময় বিউগলে বেজে উঠে করুণ সুর।

এর আগে রাষ্ট্রপতি ধানম-ি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে এসে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেখানে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ফাতেহা পাঠ করেন এবং মুনাজাতে অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট হত্যাযজ্ঞে নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এছাড়া দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্যও দোয়া করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর তারাও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বঙ্গবন্ধুর জš§বার্ষিকীতে সকাল সাড়ে এগারোটায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর

প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সকল সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মোকাবেলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করাই হবে আজকের শপথ। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জাতির মধ্যে কোন বিভেদ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের শক্তিই নিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মাণের দোরগোড়ায়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার ছিল সরকারী ছুটির দিন। সারাদেশে সরকারী, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারী ও বেসরকারী ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে গোপালগঞ্জে

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নাকিব আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উপলক্ষে জাতির পিতার সমাধি স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশু-কিশোরদের সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাদের ন্যায় ও সত্যের পথে চলারও

পরামর্শ দেন তিনি। করোনার কারণে প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে না পারলেও ভার্চুয়ালি এসব অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে কৃষক লীগের উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং দরিদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT