শতফুল ফুটতে দাও প্রবাসী নারী শ্রমিকদের জন্য কিছু ভাবুন – বর্ণমালা টেলিভিশন

শতফুল ফুটতে দাও প্রবাসী নারী শ্রমিকদের জন্য কিছু ভাবুন

ড. মাহবুব উল্লাহ
আপডেটঃ ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৭:২৯ 84 ভিউ
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস রেমিট্যান্স। এই রেমিট্যান্স পাঠায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীরা। বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে আরও রয়েছে মধ্যবিত্ত এবং কিছু সংখ্যক উচ্চবিত্ত। মধ্যবিত্তরা বিদেশে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন। এসবের মধ্যে আছে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও অধ্যাপক ও অন্যান্য পেশা। বিদেশে এ শ্রেণির মানুষগুলো সন্তোষজনক আয় করে। তবে এ ধরনের পেশাজীবীরা দেশে যে রেমিট্যান্স পাঠায়, তা সমগ্র রেমিট্যান্স আয়ের তুলনায় ক্ষুদ্রাংশ মাত্র। শ্রমজীবীরা যে আয় করে তা কোনোক্রমেই সন্তোষজনক নয়। অভিযোগ আছে সঠিকভাবে দরকষাকষি না করার ফলে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা অন্য দেশের শ্রমিকদের তুলনায় কম মজুরি পায়। এ শ্রমিকরা বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে। তাদের আহার-বাসস্থানের সুযোগ-সুবিধাও সন্তোষজনক নয়। অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করে। যারা মৃত্যুবরণ করে তাদের মধ্যে অনেকের লাশ সময়মতো দেশে পাঠানো হয় না। বিদেশের হিমঘরে এ শ্রমিকদের লাশ মাসের পর মাস পড়ে থাকে। আমাদের দূতাবাসের কর্মকর্তারা মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের লাশ দেশে পাঠাতে যথাযথ উদ্যোগ নেন না বলে অভিযোগ আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবাসী শ্রমিকদের আয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে। এ আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশে ধনিক শ্রেণি তাদের বিলাসের জন্য ব্যয় করে। বিদেশ থেকে বাংলাদেশে যেসব পণ্যসামগ্রী আমদানি করা হয়, তার জন্য প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্সের অর্থ ব্যয় করা হয়। যদি বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকরা তাদের সাধ্যমতো রেমিট্যান্স না পাঠাত, তাহলে ধনিক শ্রেণির বিলাসী জীবনের জন্য বিলাসবহুল পণ্যসামগ্রী আমদানি করা সম্ভব হতো না। বাংলাদেশের আমদানি দ্রব্যের অর্থায়নে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশে সম্পদ বৈষম্য সৃষ্টিতে এ অর্থে রেমিট্যান্সের একটি ভূমিকা আছে। বাংলাদেশের নারীরাও এখন প্রবাসী শ্রমিক হিসাবে কাজ করছেন। বিদেশে কর্মরত নারী শ্রমিকের সংখ্যা খুব কম নয়। বিদেশের মাটিতে কাজ করা নারীদের অভিজ্ঞতাও সুখকর নয়। এ নারী শ্রমিকরা প্রধানত গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করে। তাদের মোবাইল ফোন নিয়োগকারীরা প্রায়ই কেড়ে নেয়। এর ফলে অনেক নারী শ্রমিক নিজ দেশের আপনজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না। তাদের দিন কাটে নানা রকমের নিগ্রহ ও উৎপীড়নের মধ্য দিয়ে। অনেক সময় তারা নির্ধারিত মজুরিও পায় না। সবচেয়ে বেদনায়দায়ক হলো, নারী শ্রমিকরা অনেকেই তাদের প্রভুদের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। অনেকে সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়লে কী করবে বুঝে উঠতে পারেন না। নিজ দেশে ফিরে আসার পর এরা সামাজিকভাবে অপাঙ্ক্তেয় হয়ে পড়েন। দেশের অর্থনীতি এবং নিজেদের অর্থনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তন করতে গিয়ে নারী শ্রমিকদের চড়া মূল্য দিতে হয়। দেশের মধ্যেও অনেক নারী গৃহকর্মী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। এদের মধ্যে কেউ কেউ আত্মহত্যার মধ্যে গ্লানি থেকে মুক্ত হওয়ার পথ খোঁজে। ২১ ডিসেম্বর একটি দৈনিক প্রবাসী নারী শ্রমিকদের সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রায় ৭০ হাজার নারী শ্রমিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বর্তমান বছরে সৌদি আরব ও জর্দানসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছে। অথচ ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ২২ হাজার। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে রেকর্ড সংখ্যক ১১ হাজারের মতো নারী শ্রমিক বিদেশে গেছে। তবে নারী শ্রমিকদের বিদেশে যাওয়ার পরিসংখ্যান কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিকতা দেখায় না। বরঞ্চ দেখা যাবে, কোনো বছরে নারী শ্রমিকদের বিদেশ গমনে উল্লম্ফন, আবার কোনো বছরে এ সংখ্যার উল্লেখযোগ্য হ্রাস। পুরো ব্যাপারটি নির্ভর করে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রমশক্তি রপ্তানি নিয়ে অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কী সমঝোতা হয় তার ওপর। এ ছাড়া শ্রমশক্তি আমদানিকারক দেশগুলোতে চাহিদাও একটি বড় নিয়ামক। ফিলিপাইন থেকে অনেক নারী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কাজ করতে যায়। তুলনামূলকভাবে দেখা গেছে, ফিলিপাইনের নারী শ্রমিকরা বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের তুলনায় অনেক বেশি মজুরি পায়। ফিলিপাইনের নারী শ্রমিকরা বেশ স্মার্ট। তারা তাদের স্মার্টনেস দিয়ে নিয়োগকারী মালিকদের সংযত আচরণে বাধ্য করে, যা বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের মধ্যে খুব একটা দেখা যায় না। দেশের ভেতরে গ্রাম থেকে আসা নারী গৃহকর্মীরা প্রথমদিকে বুঝে উঠতে পারে না তার নিয়োগকর্তা কোন ধরনের সেবা প্রত্যাশা করে। তবে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের মধ্য দিয়ে আমাদের নারী গৃহকর্মীরা নিয়োগকারীর সন্তুষ্টি মতো কাজ করতে শেখে। দেশের ভেতরে নারী গৃহকর্মীদের একটি বড় সুবিধা হলো নিয়োগকারী এবং নিয়োগকৃতদের মধ্যে ভাষা কোনো সমস্যা নয়। উভয়েরই মাতৃভাষা বাংলা। কিছু সমস্যা হয় বটে, বিশেষ করে ভাষার আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে। এ ব্যবধান অচিরেই ঘুচে যায়। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে যেসব গৃহকর্মী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যায়, তারা সমস্যায় পড়ে ভাষা নিয়ে। এরা মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান ভাষা আরবিতে কথা বলতে পারে না। সাদামাটাভাবে আরবি ভাষা জ্ঞান থাকলে ভাষার ব্যবধান বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় না। সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নারী শ্রমিক প্রেরণের আগে তাদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। এ প্রশিক্ষণ কাজে সারা দেশে থাকা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সমস্যাটি খুবই স্পষ্ট। দেখা যায়, ঢাকার বিমানবন্দরেই বিদেশগামী নারী শ্রমিকরা ঠিকভাবে কথা বলতে পারে না। অজপাড়া গাঁ থেকে আসা এসব নারী শ্রমিক শহুরে পরিবেশের মধ্যে পড়ে কী করতে হবে বা কী বলতে হবে তা বুঝে উঠতে পারে না। এ ধরনের নারী শ্রমিক বিদেশে গিয়ে কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়। অনেক নারী শ্রমিক এক বছরের মধ্যেই দেশে ফিরে আসে। তারা বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ভিটেমাটি বিক্রয় করে কিংবা ঋণ করে যে অর্থ ব্যবহার করেছে, সেই পরিমাণ অর্থ এক বছরের কাজ দিয়ে তুলে আনা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলে তারা মারাত্মক ধরনের দুর্বিপাকের কবলে পড়ে। দুঃখজনক বিষয় হলো, যারা সময় ফুরানোর আগেই দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয় তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কে লিখিতভাবে তাদের সমস্যা সম্পর্কে জানায় না। কথা হলো, যে নারী শ্রমিকরা বিদেশে টিকে থাকতে পারেনি, তারা যদি লিখতে জানত তাহলে তারা বিপদে পড়ত না। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বুঝতে হবে এসব গৃহকর্মীর অসহায়ত্বের কারণ কী। তারা একটু কষ্ট করে যদি দেশে ফেরত আসা গৃহকর্মীদের কাছ থেকে তার অভিজ্ঞতা জেনে সেগুলো লিপিবদ্ধ করে রাখেন, তাহলে নীতিনির্ধারকরা প্রবাসী নারী শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি প্রণয়নে সক্ষম হবে। এদেশে গরিব মানুষদের সমস্যা সম্পর্কে আমলাতন্ত্র অনেক ক্ষেত্রেই উদাসীন। বর্তমান বছরের ১১ মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৬৮ হাজার ৫৭৯ জন নারী কর্মী বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবেই গেছে ৪৬ হাজার ৩৬১ জন। এরপর জর্দানে ১১ হাজার ৬৯৭ জন এবং ওমানে ৭ হাজার ৬৪৫ জন, কাতারে ১ হাজার ৭৯৫, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৬০৫ জন, লেবাননে ৯৯ জন, কুয়েতে ১৫ জন, সিঙ্গাপুরে ১৯ জন এবং মালয়েশিয়ায় ৩ জন। দেখা যাচ্ছে নারী কর্মীদের বিদেশ যাত্রার প্রধান অঞ্চল হলো মধ্যপ্রাচ্য এবং প্রধান দেশ সৌদি আরব। উল্লেখ্য যে, বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের ভাষা আরবি। মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছু কর্মীদের ভালো করে আরবি ভাষা শিখিয়ে সেখানে পাঠাতে হবে। ভাষা যোগাযোগের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে কেন্দ্র করে জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। জাতিরাষ্ট্রের অন্তর্গত মানুষদের পারস্পরিক যোগাযোগ করতে হয় অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে। জাতীয় বাজারে লেনদেন কিংবা দেনা পাওনার প্রধান অবলম্বন হলো ভাষা। কিন্তু জাতিরাষ্ট্রের সীমানা পার হলে প্রায়ই ভিন্ন ভাষার মুখোমুখি হতে হয়। এমনই পরিস্থিতিতে সেই ভাষাটি কাজ চালানোর মতো জানা থাকলে যেমন অনেক সুবিধা হয়, তেমনি না জানা থাকলে অসুবিধাও হয় বেশুমার। বিদেশগামী নারী কর্মীদের জন্য বিদেশ যাত্রার আগে ভাষা এবং নানা ধরনের গৃহকর্ম সম্পর্কে অর্থবহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া আমাদের দূতাবাসগুলোতে শ্রম সম্পর্কিত লোকবলও বৃদ্ধি করতে হবে। তবে অনেক সময় দেখা যায়, বাংলাদেশের কোনো দূতাবাসে শ্রম উইং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবাদান করা হচ্ছে না। এর পেছনের বড় কারণ হলো দায়িত্বের প্রতি অবহেলা। অবহেলা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব কর্মনিষ্ঠা অথবা যথাযোগ্য প্রণোদনার মাধ্যমে। কর্মনিষ্ঠা মানুষের অন্তর্গত নীতিবোধ এবং শ্রেয়বোধের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে প্রণোদনা কর্মী এবং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করে। যে কোনো প্রকল্পে সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন এবং এগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন। বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিম্নে অবস্থান করছে। নিম্ন মাত্রার কর্মসংস্থানের সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়ার পথ হলো উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনবল সৃষ্টি। ড. মাহবুব উল্লাহ : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:



































শীর্ষ সংবাদ:
বেনাপোল সীমান্তে সচল পিস্তলসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার নির্মাণসামগ্রীর দাম চড়া, উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি কলম্বোতে কারফিউ জারি টিকে থাকার লড়াইয়ে ছক্কা হাকাতে পারবেন ইমরান খান? করোনায় আজও মৃত্যুশূন্য দেশ, শনাক্ত কমেছে ‘ততক্ষণ খেলব যতক্ষণ না আমার চেয়ে ভালো কাউকে দেখব’ এবার ইয়েমেনে পাল্টা হামলা চালাল সৌদি জোট স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালিতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দেওয়া নিয়ে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, এলাকা রণক্ষেত্র ইউক্রেনকে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও মেশিনগান দিয়েছে জার্মানি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে নারীকে ধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের ‘লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বজুড়ে আনবে একতা‘-শীর্ষক সভা বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁর নওহাঁটায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন । ভূরুঙ্গামারীতে ব্যাপরোয়া অটোরিকশা কেরে নিল শিশুর ফাহিম এর প্রাণ ভূরুঙ্গামারী কিশোর গ‍্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ৬ তম রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন বেনাপোলে পৃথক অভিযানে ৫২ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক-২ বেনাপোল স্থলপথে স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমন নিষেধ গেরিলা যোদ্ধা অপূর্ব