নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি
রূপপুরে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
১০ দিনে চেলা নদীর পাড় কেটে ২৫ লাখ ঘনফুট বালু খেয়ে নিল বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা
২০ হাজার শ্রমিকের উদ্বেগ-প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ১৫ বছরের চুক্তি সম্পন্নঃ DP World-এর হাতে তুলে দেয়া হলো এনসিটি
‘সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছি ধরে নেবেন না’- ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কড়া জবাব
‘উত্তেজনার বশে মামলা করেছিলাম’: ভুল স্বীকার করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা তুলে নিলেন বাদী কফিল উদ্দিন
সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুথি হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬; আহতদের মধ্যে বাংলাদেশি
রাবি শিবিরের ভয়াবহ গুন, মিথ্যাকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যা বানায়: আম্মার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত মেলামেশা, পদবাণিজ্য ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে গুঞ্জন রয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে মুখ খুলে সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, ‘রাবি শিবিরের একটা ভয়াবহ গুণ-তারা মিথ্যাকে সত্য বানায়, আর সত্যকে মিথ্যা।’
আম্মার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আপনাকে বলবে আপনি নারীর সাথে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দিবে আর বলবে এবার প্রমান করো তুমি এটা করো নাই।
তিনি লেখেন, আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমাণ আমি কিভাবে দিব? ধরেন হঠাৎ জানতে পারলেন আপনাকে একজন বললো চোর। এখন এই বলা কথা পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে পড়লো এখন আপনি কিভাবে প্রমাণ করবেন আপনি চোর না?
নারী প্রসঙ্গে তিনি আরও লেখেন, আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সাথে এমন কোনো আচারণ করেছি বলে মনে হয়না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে। ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রদের তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না কারণ আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে। হাসপাতালে দেখতে গেছিলাম ,গিয়ে দেখি তার গার্লফ্রেন্ড তার বুকে হাত বুলাইয়া দিতেছে। সুতরাং শিবির নারী কেলেংকারীর জন্য বহিস্কার করেনা এটা ক্লিয়ার।
চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে আম্মার লেখেন, সারাদেশে আমাকে নিয়ে একবার মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছিলো। ৭৬ লাখ টাকা চাদাবাজির অভিযোগ। এটা এমন ছিলো যে জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনকে এ্যপ্রোচ করছিলাম। ততকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন এতো টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রেকমেন্ড করে দিতে পারি সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কথা বলতে পারো। আমি তখনও এতো পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে আমি চাদা চেয়ে চিঠি দিছি।
তিনি লেখেন, এই গর্দভদের আইডিয়াও নাই যে চাঁদা চেয়ে কেউ চিঠি দেয় কিভাবে? সেদিন থেকে আমার নামের আগে যুক্ত হলো চাঁদাবাজ।
অর্থের বিনিময়ে পদ বানিজ্য নিয়ে তিনি আরও বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিলো তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের এ্যাজ ইউজুয়াল ধারনা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সাথে ভালো সম্পর্ক এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিছি। বাস্তবতা হলো আমি তাদের এই কমিটির আগে পিছে কোথাও ছিলাম না। এখন তারা ন্যারেটিভ তৈরী করে সেটা প্রতিষ্ঠিত করার ফুল পিআর পলিসি তাদের আছে যেমন আজকেরটাই চিন্তা করেন- কথা শুরু হইছে এ্যাম্বুলেন্স হাইজ্যাক নিয়ে তারা ঘুরাইয়া কবে ২৫ এ আমাকে বহিস্কার করছিলো সেটা স্ট্যাবলিশ করতেছে।
শিবির সংশ্লিষ্টতার আলাপ নিয়ে আম্মার বলেন, যদি গুপ্ত/শুপ্ত আলাপ দেন তাহলে আমার থেকে অপেন এই ক্যাম্পাসের অনেক শাখা দায়িত্বশীলও নাই ইভেন রাবি শিবিরের রানিং শিবির সভাপতিও নাই। যখন এরা পরিচয় দিতে ভয় পাইতো, ভয়ে দাড়ি সেভ করে মোচ রেখে নিজেরে বাম পরিচয় দিতো তখন শিবিরের অফিসিয়াল গানে অভিনয় করে আসছি আমি। আমার রাকসু দপ্তরের এ্যাওয়ার্ড শেল্ফে এখনো সসাস (সেরাদের সেরা-০৫) এ অভিনয়ে চ্যাম্পিয়ন হইছিলাম সেই এ্যাওয়ার্ড আছে।
তিনি আরও বলেন, আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি, আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন কারণ আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাবো ডানপন্থী সংস্কৃতি চর্চার কারনে। এই ডানপন্থী আর কে আছে? আমি কলরবের সাথেও কাজ করছি। তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদেরকে কতোটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট।
তিনি লেখেন, শিবিরের শাখায় যেদিন একজন গুটিবাজ, নোংরা, ধুরন্দর লোককে মেইন দায়িত্বে যেতে দেখেছি সেদিন থেকেই শিবিরের পলিসি বোঝা শেষ আমার। শতভাগ সত্য হলো শিবির কোথায় জায়গা পেলে যে ঠিক কি পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিতে পারে সেটা সালাহউদ্দিন আম্মারের থেকে বেশী কেউ জানেনা।
তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে, একটা প্রমাণ আনেনি। শুধু এলিগেশন।
তিনি আরও লেখেন, আনিত অভিযোগগুলোর কোনোটার সাথেই সম্পৃক্ত না। এখন যেটা আমি করিনি সেটার অভিযোগ যদি আমার বিরুদ্ধে দেন তো আমি প্রমাণ কীভাবে দিব?

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]