মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ নেই - বর্ণমালা টেলিভিশন

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, র‌্যাব দেশের সংবিধান, আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে। তাই মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। রোববার পাথরঘাটায় নতুন বাজার লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকরা র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের ডিজি বলেন, আমরা যখন কাজ করি, আমাদের এই কার্যক্রম জুডিশিয়াল সিস্টেমে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে থাকেন। থানা-পুলিশ এটা তদন্ত করে থাকে। আমরা কিন্তু তদন্ত করি না। এই তদন্তের পর যদি মামলা করার প্রয়োজন হয়, মামলা হয়ে যায়। সেই মামলার তদন্ত হয়। এরপর জুডিশিয়াল সিস্টেমে সেটা কোর্টে যায়।

এরপর যাচাই-বাছাই হয়, তারপর সেই সিদ্ধান্ত হয়। এর পরই আমাদের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। আমাদের স্বাধীন মিডিয়া আছে, সুশীল সমাজ আছে। সব দিক থেকে র‌্যাবের কার্যক্রমের প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই হয়। এখানে আমাদের মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। সবকিছু আইন এবং বিধির আলোকে সংঘটিত হচ্ছে।

এর আগে জেলেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং উপকূলীয় জীবন-জীবিকার নিরাপত্তাবিষয়ক মতবিনিময়ে মিলিত হন র‌্যাব প্রধান। এ সময় তিনি বলেন, মৎস্য লুণ্ঠনকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে এ অঞ্চল জলদস্যুমুক্ত করব। পাথরঘাটায় জলদস্যুদের হাতে আটক হওয়া জেলেদের উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল

কেএম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান। র‌্যাব-৮ বরিশালের আয়োজনে মতবিনিময়ে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, র‌্যাব সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় উপকূলের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তায় র‌্যাব সব সময় ছিল। এ কারণে আজ সুন্দরবন দস্যুমুক্ত, জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করতে পারেন। সারা দেশের মানুষকে নিরলস পরিশ্রম করে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। সে হিসাবে বঙ্গোপসাগরের দস্যুতা এখন নেই। র‌্যাব সব সময়ই কঠোর অবস্থানে ছিল। এখনো আছে।

বরগুনা অঞ্চলে র‌্যাবের ঘাঁটির বিষয় তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক আইনি প্রক্রিয়া আছে।

আমাদের পরিকল্পনা আছে। তবে আমাদের নিয়মিত টহল আছে চলবে। আমরা সব সময় মৎস্যজীবীদের পাশে ছিলাম থাকব।

দস্যুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এ পেশা ছেড়ে দিন। না ছাড়লে রেহাই পাবেন না।’

সভায় নির্যাতনের শিকার জেলে নেছার ও কামালের মা আম্বিয়া বেগম কথা বলেন। দস্যুদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মতবিনিময় সভায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে আট জেলে পরিবারের মাঝে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে নিহত জেলে মুসা মিয়ার স্ত্রী মোসাম্মৎ তাজিনুর বেগমকে এক লাখ এবং বাবুল ফকির, কামাল, জামাল, হেলাল উদ্দিন, সেলিম সরদার, সাইফুল ইসলাম ও লোকমান খান ১০ হাজার করে টাকা পান।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, র‌্যাব দেশের সংবিধান, আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে। তাই মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। রোববার পাথরঘাটায় নতুন বাজার লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকরা র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের ডিজি বলেন, আমরা যখন কাজ করি, আমাদের এই কার্যক্রম জুডিশিয়াল সিস্টেমে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে থাকেন। থানা-পুলিশ এটা তদন্ত করে থাকে। আমরা কিন্তু তদন্ত করি না। এই তদন্তের পর যদি মামলা করার প্রয়োজন হয়, মামলা হয়ে যায়। সেই মামলার তদন্ত হয়। এরপর জুডিশিয়াল সিস্টেমে সেটা কোর্টে যায়।

এরপর যাচাই-বাছাই হয়, তারপর সেই সিদ্ধান্ত হয়। এর পরই আমাদের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। আমাদের স্বাধীন মিডিয়া আছে, সুশীল সমাজ আছে। সব দিক থেকে র‌্যাবের কার্যক্রমের প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই হয়। এখানে আমাদের মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। সবকিছু আইন এবং বিধির আলোকে সংঘটিত হচ্ছে।

এর আগে জেলেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং উপকূলীয় জীবন-জীবিকার নিরাপত্তাবিষয়ক মতবিনিময়ে মিলিত হন র‌্যাব প্রধান। এ সময় তিনি বলেন, মৎস্য লুণ্ঠনকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে এ অঞ্চল জলদস্যুমুক্ত করব। পাথরঘাটায় জলদস্যুদের হাতে আটক হওয়া জেলেদের উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল

কেএম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান। র‌্যাব-৮ বরিশালের আয়োজনে মতবিনিময়ে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, র‌্যাব সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় উপকূলের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তায় র‌্যাব সব সময় ছিল। এ কারণে আজ সুন্দরবন দস্যুমুক্ত, জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করতে পারেন। সারা দেশের মানুষকে নিরলস পরিশ্রম করে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। সে হিসাবে বঙ্গোপসাগরের দস্যুতা এখন নেই। র‌্যাব সব সময়ই কঠোর অবস্থানে ছিল। এখনো আছে।

বরগুনা অঞ্চলে র‌্যাবের ঘাঁটির বিষয় তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক আইনি প্রক্রিয়া আছে।

আমাদের পরিকল্পনা আছে। তবে আমাদের নিয়মিত টহল আছে চলবে। আমরা সব সময় মৎস্যজীবীদের পাশে ছিলাম থাকব।

দস্যুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এ পেশা ছেড়ে দিন। না ছাড়লে রেহাই পাবেন না।’

সভায় নির্যাতনের শিকার জেলে নেছার ও কামালের মা আম্বিয়া বেগম কথা বলেন। দস্যুদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মতবিনিময় সভায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে আট জেলে পরিবারের মাঝে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে নিহত জেলে মুসা মিয়ার স্ত্রী মোসাম্মৎ তাজিনুর বেগমকে এক লাখ এবং বাবুল ফকির, কামাল, জামাল, হেলাল উদ্দিন, সেলিম সরদার, সাইফুল ইসলাম ও লোকমান খান ১০ হাজার করে টাকা পান।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ নেই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৯:০৫ 94 ভিউ
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, র‌্যাব দেশের সংবিধান, আইন ও বিধি অনুযায়ী কাজ করে। তাই মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। রোববার পাথরঘাটায় নতুন বাজার লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাংবাদিকরা র‌্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের ডিজি বলেন, আমরা যখন কাজ করি, আমাদের এই কার্যক্রম জুডিশিয়াল সিস্টেমে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে থাকেন। থানা-পুলিশ এটা তদন্ত করে থাকে। আমরা কিন্তু তদন্ত করি না। এই তদন্তের পর যদি মামলা করার প্রয়োজন হয়, মামলা হয়ে যায়। সেই মামলার তদন্ত হয়। এরপর জুডিশিয়াল সিস্টেমে সেটা কোর্টে যায়।

এরপর যাচাই-বাছাই হয়, তারপর সেই সিদ্ধান্ত হয়। এর পরই আমাদের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। আমাদের স্বাধীন মিডিয়া আছে, সুশীল সমাজ আছে। সব দিক থেকে র‌্যাবের কার্যক্রমের প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই হয়। এখানে আমাদের মানবাধিকার লংঘনের কোনো সুযোগ নেই। সবকিছু আইন এবং বিধির আলোকে সংঘটিত হচ্ছে। এর আগে জেলেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং উপকূলীয় জীবন-জীবিকার নিরাপত্তাবিষয়ক মতবিনিময়ে মিলিত হন র‌্যাব প্রধান। এ সময় তিনি বলেন, মৎস্য লুণ্ঠনকারী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে এ অঞ্চল জলদস্যুমুক্ত করব। পাথরঘাটায় জলদস্যুদের হাতে আটক হওয়া জেলেদের উদ্ধার করেছে র‌্যাব। উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল

কেএম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান। র‌্যাব-৮ বরিশালের আয়োজনে মতবিনিময়ে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, র‌্যাব সবসময় জনগণের নিরাপত্তা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় উপকূলের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তায় র‌্যাব সব সময় ছিল। এ কারণে আজ সুন্দরবন দস্যুমুক্ত, জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ শিকার করতে পারেন। সারা দেশের মানুষকে নিরলস পরিশ্রম করে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। সে হিসাবে বঙ্গোপসাগরের দস্যুতা এখন নেই। র‌্যাব সব সময়ই কঠোর অবস্থানে ছিল। এখনো আছে। বরগুনা অঞ্চলে র‌্যাবের ঘাঁটির বিষয় তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক আইনি প্রক্রিয়া আছে।

আমাদের পরিকল্পনা আছে। তবে আমাদের নিয়মিত টহল আছে চলবে। আমরা সব সময় মৎস্যজীবীদের পাশে ছিলাম থাকব। দস্যুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এ পেশা ছেড়ে দিন। না ছাড়লে রেহাই পাবেন না।’ সভায় নির্যাতনের শিকার জেলে নেছার ও কামালের মা আম্বিয়া বেগম কথা বলেন। দস্যুদের নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মতবিনিময় সভায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে আট জেলে পরিবারের মাঝে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে নিহত জেলে মুসা মিয়ার স্ত্রী মোসাম্মৎ তাজিনুর বেগমকে এক লাখ এবং বাবুল ফকির, কামাল, জামাল, হেলাল উদ্দিন, সেলিম সরদার, সাইফুল ইসলাম ও লোকমান খান ১০ হাজার করে টাকা পান।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ