নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পিরোজপুরে পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা, তাঁতীদল নেতা মানিক হাওলাদার গ্রেপ্তার
শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও ওসি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম অটোরিকশা সংগঠনের
ব্যানারে অতি ক্ষুদ্র অক্ষরে শেখ হাসিনা সরকারের শিক্ষকবিষয়ক স্লোগান: প্রধান শিক্ষক আটক, রাজনৈতিক মামলা
সাংবাদিকতার কারণে রূপা-বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারের আহ্বান অ্যামনেস্টির
৬ মাসে অন্তত ১৮৭ শিশু যথেচ্ছ গ্রেপ্তার, ১২৭ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে: মানবাধিকার সংস্থা জেএমবিএফের উদ্বেগ
“তৃতীয় বিশ্বের নরক” থেকে অভিবাসন নিষিদ্ধের বিল নিয়ে ন্যান্সি মেইস: ভাষা ও নীতি দুটোই বিতর্কের কেন্দ্রে, মার্কিন জনমত বাড়ছে
পুঞ্জীভূত লোকসানে ২২ ব্যাংক, ক্ষতি ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা
ব্রেক চাপলেও থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি
পদ্মায় ফেরিঘাটে দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে ২৬টি প্রাণ। এ দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। পন্টুন থেকে গাড়িটি হঠাৎ কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় তলিয়ে গেল এ নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। তবে এসব প্রশ্নের মধ্যে একটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে চালক নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন। তার মরদেহও উদ্ধার হয়েছে।
নিহত বাসচালকের নাম আরমান খান (৩১)। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পশ্চিম খালখুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।
দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির অপেক্ষায় থাকা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বাসচালক ব্রেক চাপলেও ওই সময় কাজ করেনি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু বাসের স্টার্ট বন্ধ থাকলে পরে স্টার্ট দিয়েই ব্রেক চাপ দিলে তা মুহূর্তে কাজ করে না। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
এ রুটে দীর্ঘদিন কাজ করা মেকানিকদের দাবি, বাসটির ব্রেকের হাওয়া বা এয়ার প্রেশার শেষ হয়ে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তাদের ভাষ্য, টাটা কোম্পানির টিসি মডেলের বাসে ইঞ্জিন বন্ধ থাকলে অনেক সময় ব্রেকে প্রয়োজনীয় চাপ থাকে না, ফলে গাড়ি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে।
ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালক একাধিকবার চেষ্টা করেও বাসটি থামাতে পারেননি।
প্রশ্ন উঠেছে বাসটি ড্রাইভার চালাচ্ছিলেন না। হেল্পার চালিয়ে ফেরিতে ওঠাচ্ছিলেন।
বাসের যাত্রী আবুল কালাম ফেরিঘাটের আগে যানজটের কারণে দুর্ঘটনার দুই মিনিট আগে বাস থেকে নেমে পড়েন। তিনি বলেন, যে চালক চালাচ্ছিলেন ফেরিতে তিনিই ওঠাচ্ছিলেন। তার কোমরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝোলানো দেখেছি।
সৌহার্দ্য বাসের অন্য একজন চালক বলেন, গাড়ি স্টার্টে থাকলে হাওয়া চলে যায় না। কিন্তু স্টার্ট বন্ধ করলে হাওয়া যাবেই। মিটারে খেয়াল করলে হাওয়া কমে যাচ্ছে নাকি ঠিক আছে তা দেখা যায়। হাওয়া ওঠাতে হলে কিছু সময় আগে গাড়ি স্টার্টে রাখতে হবে। দুর্ঘটনাকনলিত বাসের চালক স্টার্ট দিয়েই হাওয়া না দেখেই টান দিয়েছেন। এ কারণে ব্রেক চাপলেও ব্রেকে কাজ করেনি।
দৌলতদিয়া বাজারের বাসের মেকানিক বাবুল ইসলাম বলেন, ব্রেকের হাওয়া একটি সিস্টেম। এই সিস্টেম কাজ না করলে চালকের কিছু করার থাকে না।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, ব্রেকের হাওয়া হচ্ছে এয়ার ব্রেক সিস্টেম। এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্রেকিং পাওয়া যায়। আধুনিক এই ব্রেকিং সিস্টেম কেন মাঝপথে ফেল করল তা খুঁজে বের করা দরকার।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]