ঢাকা, Wednesday 22 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

বিএনপি অন্ধকারে আছে ॥ তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : 06:17 AM, 1 January 2021 Friday
105 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির ইতিবাচক রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ। অন্ধকারে থাকা বিএনপি কখনও বাইরের আলোয় আসার চেষ্টা করে না। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। তথ্যসচিব খাজা মিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নতুন ইংরেজী বছরে বিএনপি সরকার পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে, গণমাধ্যমের এমন খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নিজেরা সব সময় অন্ধকারের মধ্যেই আছে, এজন্য চারদিকে অন্ধকার দেখছে। বাইরে যে আলো আছে সে আলোতে তারা কখনও আসতে চেষ্টা করছে না। প্রতিবছরের শেষদিকে তারা বলছে আগামীবছর তাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। অবশ্য বর্তমান নেতৃত্বের মাধ্যমে বিএনপি জনগণের কাছাকাছি যেতে পারেনি বরং জনগণ থেকে ক্রমাগত

দূরে সরে গেছে। তাদের কাছে তাদের জন্য সব বছরই চ্যালেঞ্জ। জনগণ প্রকৃতপক্ষে গত ১২ বছরে বহুদূর এগিয়ে গেছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন পদ্মা সেতু প্রায় হয়ে গেছে এবং সেটি নিজস্ব অর্থায়নে হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে এই মহামারী সময়ে মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০০ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দুই হাজার ৬৪ ডলার হয়েছে। এগুলো বিএনপি নেতারা দেখেন না। এজন্য তারা অন্ধকারে আছে। আমি আশা করব আগামী বছর তারা চোখটা খুলবে। নতুন বছরে আওয়ামী লীগের চ্যালেঞ্জগুলো কী হতে পারে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে যুগ যুগ

ধরে। গত ১২ বছরে চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে দেশেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আগামী বছরও কোন ব্যতিক্রম নয়। আমি আশা করি, আগামী বছর বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসবে। অবশ্য সেটির সম্ভাবনা ক্ষীণ। নেতিবাচক রাজনীতি আগামী বছরও মোকাবেলা করতে হবে। এছাড়া সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মত, জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা সেটিকেও মোকাবেলা করতে হবে, যা অতীতেও করেছি। আওয়ামী লীগে অণুপ্রবেশকারীদের বাদ দেয়ার কাজ অব্যাহত থাকবে। আমরা আমাদের দলকে আরও সুসংহত করতে চাই। দলের মধ্যে যদি সুযোগ সন্ধানীরা থাকে, দলের মধ্যে বিভিন্ন কারণে নিজস্ব স্বার্থ হাসিলে দল করে, তাদের জন্য দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা

এ ধরনের যারা দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ করেছে তাদের চিহ্নিত করে দলীয় পদ থেকে, দল থেকে বাদ দেয়ার কাজ শুরু করেছি। আগামী বছরও সেটি অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, মহামারীকালে যেভাবে জনগণের পাশে থাকা দরকার ছিল বিএনপিসহ তার মিত্ররা সেভাবে থাকেননি। তাদের কার্যক্রম সরকারের বিষোদগার এবং সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছিল। তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারেনি। ২০২০ সালে মহামারীর বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেলেও ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ার কারণে সব কাজ সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। মহামারী অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ সক্ষমভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে। এই মহামারীতে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

মহামারীতে জনগণের পাশে ছিল। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির তিনজন সদস্য মারা গেছেন। উপদেষ্টা কমিটির বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। এরা সবাই জনগণের পাশে ছিলেন। জাতীয় সংসদ সদস্য যারা আছেন তাদের মধ্যে বহুজন আক্রান্ত হয়েছেন। মন্ত্রিসভার প্রায় এক তৃতীয়াংশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন একজন সদস্য। আওয়ামী লীগের প্রায় ছয় শতাধিক নেতাকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আওয়ামী লীগ এক কোটি ২৫ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT