বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর - বর্ণমালা টেলিভিশন

গত ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতি প্রদানের ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ) একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান এবং আইসিডব্লিউএ’র মহাপরিচালক বিজয় ঠাকুর সিং বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ বর্ষপূর্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং সামনের পথচলা সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী গতিশীল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নিজেদের পুনরায়

প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার এটি একটি উপলক্ষ্য। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চান। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনও এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি সাড়ম্বরে পালন করেছে।

বস্তুত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ‘জন্মসূত্রেই’ মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন উন্নত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ভারত তখন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল; তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। ভারত সরকারের পাশাপাশি সেদেশের জনগণও তখন নানাভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক প্রচারণা চালাতে এক দেশ থেকে

আরেক দেশে ছুটে গেছেন। বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের জন্য জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয়, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করেছিল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ পরীক্ষিত বন্ধুত্ব সবসময় অটুট থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। ভারতের মতো বৃহৎ ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের এ স্বীকৃতির তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। এই স্বীকৃতিকে তাই কূটনৈতিক ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসাবে গণ্য করা হয়। ভারতের স্বীকৃতি দেওয়ার দিন হিসাবে ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসাবে পালন করা হচ্ছে

দুই দেশে। আমরা চাই, এ মৈত্রী দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আগামীতে আরও সুদৃঢ় করুক।

গত ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতি প্রদানের ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ) একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান এবং আইসিডব্লিউএ’র মহাপরিচালক বিজয় ঠাকুর সিং বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ বর্ষপূর্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং সামনের পথচলা সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী গতিশীল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নিজেদের পুনরায়

প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার এটি একটি উপলক্ষ্য। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চান। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনও এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি সাড়ম্বরে পালন করেছে।

বস্তুত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ‘জন্মসূত্রেই’ মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন উন্নত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ভারত তখন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল; তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। ভারত সরকারের পাশাপাশি সেদেশের জনগণও তখন নানাভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক প্রচারণা চালাতে এক দেশ থেকে

আরেক দেশে ছুটে গেছেন। বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের জন্য জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয়, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করেছিল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ পরীক্ষিত বন্ধুত্ব সবসময় অটুট থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। ভারতের মতো বৃহৎ ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের এ স্বীকৃতির তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। এই স্বীকৃতিকে তাই কূটনৈতিক ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসাবে গণ্য করা হয়। ভারতের স্বীকৃতি দেওয়ার দিন হিসাবে ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসাবে পালন করা হচ্ছে

দুই দেশে। আমরা চাই, এ মৈত্রী দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আগামীতে আরও সুদৃঢ় করুক।

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর

দৃঢ় হোক দুই দেশের সম্পর্ক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ ডিসেম্বর, ২০২১ | ৭:৪৬ 82 ভিউ
গত ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতি প্রদানের ৫০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ) একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান এবং আইসিডব্লিউএ’র মহাপরিচালক বিজয় ঠাকুর সিং বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ বর্ষপূর্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং সামনের পথচলা সম্পর্কে চিন্তা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী গতিশীল অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নিজেদের পুনরায়

প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার এটি একটি উপলক্ষ্য। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও গভীর করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চান। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনও এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি সাড়ম্বরে পালন করেছে। বস্তুত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ‘জন্মসূত্রেই’ মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন উন্নত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ভারত তখন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল; তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। ভারত সরকারের পাশাপাশি সেদেশের জনগণও তখন নানাভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করেছে। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক প্রচারণা চালাতে এক দেশ থেকে

আরেক দেশে ছুটে গেছেন। বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকারের জন্য জায়গা দেওয়ার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয়, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করেছিল ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ পরীক্ষিত বন্ধুত্ব সবসময় অটুট থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। ভারতের মতো বৃহৎ ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের এ স্বীকৃতির তাৎপর্য ছিল ব্যাপক। এই স্বীকৃতিকে তাই কূটনৈতিক ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসাবে গণ্য করা হয়। ভারতের স্বীকৃতি দেওয়ার দিন হিসাবে ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসাবে পালন করা হচ্ছে

দুই দেশে। আমরা চাই, এ মৈত্রী দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আগামীতে আরও সুদৃঢ় করুক।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


































শীর্ষ সংবাদ:
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর ভূয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার জগন্নাথপুরে সড়ক নির্মানের অভিযোগ এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তারাকান্দায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ দেবহাটায় অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার আটক -১ রামগড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাগমারায় ভেদুর মোড় হতে নরদাশ পর্যন্ত পাকা রাস্তার শুভ উদ্বোধন সরকারি বিধিনিষেধ না মানায় শার্শায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা আদায় মধুখালীতে তিন মাসে ৪৩ টি গরু চুরি গাইবান্ধায় বঙ্গবন্ধু জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন গাইবান্ধায় শীতবস্ত্র বিতরণ রাজশাহীতে পুত্রের হাতে পিতা খুন বাগমারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার রামগড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ইউএনও ভাঃ উম্মে হাবিবা মজুমদার জগন্নাথপুরে জুয়ার আসরে পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সিপিবি নেতা মিহির ঘোষসহ ৬ জন কারাগারে পিআইও’র মানহানির মামলায় গাইবান্ধার ৪ সাংবাদিকসহ ৫ জনের জামিন গাইবান্ধায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে সোনালী ব্যাংক লি. গোমস্তাপুর শাখায় শীতবস্ত্র বিতরণ