ঢাকা, Sunday 24 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

বধ্যভূমি, হিন্দু-মুসলমানের মরদেহ এক নর্দমায় ॥ ৪৯ বছর ধরে অবহেলিত

প্রকাশিত : 09:13 AM, 13 March 2021 Saturday
48 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার দাবি অস্ত্রের ভাষায় ভূলুণ্ঠিত করতে সারাদেশে নির্বিচার গণহত্যা চালায় হানাদার পাকিস্তানী সেনা সদস্য এবং তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার আলবদররা। এ সময় নৃশংসভাবে অসংখ্য নারী-পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়। শিশু, কিশোরী ও নারীদের ওপর চালানো হয় বিকৃত যৌন নির্যাতন। এ দেশে মানবতাবিরোধী সব ধরনের যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে নয় মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে। এই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী এখনও অনেকে বেঁচে আছেন।

জেলা শহরের বেলওয়ে সাহেবপাড়া কলোনিতে এমন একটি গণকবর চিহ্নিত হয়েছে। এই গণকবরকে ঘিরে নির্মম নির্যাতনের নানা অকাট্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। গণকবরে মা, ভাই-বোন ও স্বজনেরা মুক্তিযুদ্ধের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে চিরনিদ্রায় আছে। এমন

একজন শহীদ-জননী প্রয়াত জুলেখা বেগম। তার সন্তান রেলওয়ে অবসরপ্রাপ্ত কর্মী গোলাম মোস্তফা (৬৫)। ৪৯ বছর ধরে গণকবরটি সযতœ করতে কবরের পাশে নর্দমার খাল পাড়ে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন তিনি। এই গণকবরটিতে একই সঙ্গে শুয়ে আছেন ১৩ জন হিন্দু-মুসলিম নারী -পুরুষ ও শিশু। এই ১৩ জনকে পাকিস্তানী ও বিহারীরা হত্যা করার পর স্বজনদের সামনেই নর্দমার গর্তে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। একই গর্তে মুসলিম ও হিন্দু পরিবারের সদস্যদের মাটিচাপা দিয়ে উল্লাস করেছে তারা।

স্বজন হারানো ক্ষত বুকে নিয়ে এখনও এখানে পরিবার দুটির বেঁচে যাওয়া সন্তান গোলাম মোস্তফা গণকবরটি আগলে আছেন। তারা স্বজনদের কবর রেখে কোথায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন এই কবরটির পাশেই থাকবেন। স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী প্রাক্কালে এই শহীদ পরিবারের সদস্যরা মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মর্যাদার স্বীকৃতি চান। তাদের দাবি স্বাধীনতার ৫০ বছরে তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন সুযোগ-সুবিধা পাননি। বরং কোন কোন সময় পেয়েছে ধিক্কার ও লাঞ্ছনা। তারা পরিবারের সদস্যদের শহীদ-স্বীকৃতির মর্যাদা দেখে মরতে চান। এতে তারাও আত্মতৃপ্তি নিয়ে দুনিয়া হতে চির বিদায় নিতে পারবেন। নতুন প্রজন্ম জানবে মহান এই স্বাধীনতার পেছনে তার পরিবারের আত্মত্যাগের বীরত্বপূর্ণ কথা। দেশের প্রতি ও শহীদদের প্রতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি পরবর্তী প্রজন্মের মানুষের উপলব্ধি বৃদ্ধি পাবেন।

জেলা সদরের সাহেব পাড়া রেলওয়ে কলোনির আবাসিক মানুষের পয়ঃনিষ্কাশন নালার পানির জমাটবাঁধার

খালে একটি পাকা গণকবর চিহ্নিত হয়েছে। গণকবরটি আবাসিক এলাকার মানুষের ঘরবাড়ির ভিতরে ঢাকা পড়ে গেছে। গণকবরটি একজন শহীদের সন্তান ৪৯ বছর ধরে প্রত্যেহ যত্ন করেন। কবরটির পাশে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পরিবারটির স্বামী-স্ত্রী। ধর্মীয় নিয়ম মেনে কবরটির পাশে প্রত্যেহ সকাল সন্ধ্যায় মুসলিম পরিবারটি প্রার্থনা করেন। একই কবরটিতে হিন্দু একটি শহীদ পরিবার সন্ধ্যা বাতি জ্বালিয়ে দেয় ও হিন্দু স্বাস্ত্রে মতে প্রার্থনা করেন। গণকবরটির পাশে বসবাস করছেন শহীদ জননী জুলেখা বেগমের ছেলে ৭১’র গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী গোলাম মোস্তফা (৬৫) জানান, এই গণকবরে মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তার চোখের সামনে হত্যা করা হয় তার মা,

ভাই, বোন শিশুসহ তার পরিবারের ৯ জনকে।

দিনটি ছিল ৪৯ বছর আগে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। দুপুরের পরের ঘটনা। এই স্মৃতি মনে হলে এখনও অন্তর ডুকরে কেঁদে উঠে। এই বয়সে এসে এখরও প্রশ্ন জাগে মনে কেন এমনভাবে তাদের নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছিল সেই দিন। তারা তো প্রায় সকলে নারী, শিশু ও কিশোর ছিল। তাদের কী অপরাধে এমন নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হলো! তার উত্তর এখনও খুঁজছে ফিরছেন তিনি। তারা কেউ সেই সময় মুক্তিযুদ্ধ বা পাকিস্তানবিরোধী কোন কর্মকান্ডে জড়িত ছিল না!

সেই দিনের নির্মম নিষ্ঠুর গণহত্যার বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কোয়ার্টারের বাসা হতে

নারী, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের বের করে পয়ঃনিষ্কাশনের নর্দমার পাশে দাঁড় করিয়ে একে একে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করে। তখনও যারা গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করতে বেনোয়েট ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পৈশাচিক কায়দায়। দাঁড় করিয়ে গুলি করার আগ মুহূর্তে মায়ের কোলে নিরাপদে আশ্রয়ে থাকা এক মাসের শিশুকে জোর করে কেড়ে নিয়ে মাটিতে আঁছড়িয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটায়। মা ও কিশোরীদের মৃত্যুর আগে রেলওয়ে কোয়ার্টারের বাসায় পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। সকল পরিবারের নগদ অর্থ, স্বর্ণ ও মূল্যবান সম্পদ লুটে নেয়া হয়। এভাবে প্রায় একশ’ নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা

করে মুহূর্তে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে। এখানে গণহত্যায় পাকিস্তানী সেনাদের এদেশীয় দোসরগণ, অবাঙালী বিহারী, রাজাকার, আলবদর, আল সামস ও পাকিস্তানী সেনার নেতৃত্বে ঘটনায়। কয়েক ঘণ্টা ধরে সাহেব পাড়ার রেলওয়ে কলোনিতে ইতিহাসের জঘন্যতম বর্বর, নির্মম ও পৈশাচিক হত্যাকা- ঘটে যায়। এই সময় নারী, যুবতী, কিশোরী এমন কি ৮/৯ বছরের শিশু কন্যাও ধর্ষিতা হয়। বিকৃত যৌন লালসা মিটিয়ে যৌনাঙ্গ ধারালো অস্ত্র ও বন্দুকের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়। রেলওয়ের সাবেক স্বাস্থ্যকর্মী গোলাম মোস্তফা আরও জানান, তার বয়স তখন ৯ বছর। ঘটনার দিন দুপুরের পর হওয়ায় রেলওয়ে বাসার পাশে কোয়ার্টারের পেছনে খোলা মাঠে খেলাধুলা করতে গিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে

যান তিনি। চিৎকার চেঁচামেচি ও গুলি শব্দ শুনে ছুটে এসে আড়ালে দাঁড়িয়ে পৈশাচিক হত্যাকা- সচক্ষে দেখে জঘন্য ঘটনার ইতিহাসে নীরব সাক্ষী হয়ে যান।

১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল দুপুরের পর পর সাহেবপাড়ায় তার পরিবারের যাদের হত্যা করে গণকবরে মাটিচাপা দেযা হয়। তারা হলেন মা মোছাঃ জুলেখা বেগম (৪৫), বড় ভাই আলতাব হোসেন ( ১৮), ট্রাফিক বিভাগে পোর্টার মাস্টার পদে) কর্মরত ছিলেন তার বড়ভাই। কয়েক মাস হয়েছে রেলওয়েতে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। ছোট বোন শিশু বেনু বেগম (৯), ছোট বোন শিশু হাসনা বেগম (৭), ছোট বোন শিশু সেলি বেগম (৫), ছোট ভাই কোলের শিশু শহীদুল (এক মাস বয়স)। তার

জ্যাঠাত ভাই শিশু জালাল (৮) (দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র), ছোট ভাই শিশু হেলাল (৭) ( প্রথম শ্রেণীর ছাত্র), ছোট বোন শিশু বেগম (৬) ও ছোট বোন কোলের শিশু নাম রাখা হয়নি (এক মাস বয়স) ও চাচি আম্মাকে।

একই সঙ্গে সেই দিনে এই গণকবরে প্রতিবেশী হিন্দু পরিবারের দুই শিশু সন্তান বিনয় কুমার বিষু (১০) ও মিনতী রানীকে (শিশু ৭) নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে ছিল। এই হিন্দু দুই শিশুকে তারা মুসলিম পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নর্দমায় মাটি চাপা দিয়ে রাখে। হিন্দু এই শহীদ শিশু দুটির একটি পরিবার এখানে এখনও বসবাস করছে। শিশু দুটির বেঁচে যাওয়া বড় বোন। সেই দিন সে

ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে বড় বোনের বিয়ে হয় একজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে। শহীদ শিশু দুটির বড় বোন শেফালি রানী (৬১) জানান, তার বাবা ছিলেন রেলওয়ে ট্রেনের চালক। চাকরির সুবাদে এখানে তাদের বসবাস। মুক্তিযুদ্ধে পরিবারের শিশু সন্তান হারানোর পর থেকে আজ পর্যন্ত বাবাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই বাবার চাকরির পেনশনের কোন সুবিধা পাননি তারা। স্বামী মুক্তিযোদ্ধা ধীরেন চন্দ্র পরলোগমন করেন কয়েক বছর হলো। নিদারুণ আর্থিক কষ্টে আছেন। আয় রোজগার নেই। তাই রেলওয়ের পরিত্যক্ত বাসায় সাহেবপাড়ায় বসবাস করছেন। অনেক চেষ্টা করেছি এখান হতে চলে যেতে পারিনি। শিশু শহীদ ভাইবোন দুটির বকর প্রতিদিন সন্ধ্যা বাতি দেই। সেই সঙ্গে

পূজা অর্চনা করি। তাদের পরজীবনে মঙ্গল কামনা করে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি। বৃদ্ধা শেফালি রানী আক্ষেপ করে বলেন, পৃথিবীর সকল ধর্ম মানবতার পক্ষে কথা বলে। মানুষ ও সভ্যতাকে সুন্দরভাবে বাঁচতে শিখায়। কল্যাণের পথে চলতে শিখায়। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীরা ইসলাম ধর্মের কোথায় এমন বর্বর নিষ্ঠুরতা পেলে? প্রশ্ন করে বলেন, তারা ইসলাম রক্ষা নামে ইসলামকে আদর্শবিরোধী কাজ করেছে। ইসলাম সত্য ও সুন্দর। এখানে আমি একমাত্র হিন্দু পরিবার দীর্ঘ প্রায় ৬০ বছর ধরে বসবাস করছি। কোনদিন তো কোন মুসলিম ভাই বোনদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ফ্যাসাদ হয়নি। স্বাধীনভাবে ধর্ম-কর্ম করে আসছি। হানাদার পাকিস্তানী ও তাদের দোসররা মানুষ নামের

পশু ছিল।

যেভাবে গণকবরটি সংরক্ষিত হলো ॥ সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সাধারণ মানুষ ফিরে আসেন। তাদের সঙ্গে শহীদের স্বজনরাও ফিরে আসেন। সময়টি ১৯৭২ সালে নবেম্বর মাস। তখন সাধারণ মানুষের মধ্যে শহীদ, শহীদের স্বজন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এক ধরণের সম্মান ও সহানুভূতি ছিল। সাধারণ মানুষ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বেঁচে যাওয়া স্বজনের সেই সময় প্রথমবারের মতো ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করা হয়। এই বিজয় দিবসকে সামনে রেখে গণকবরটি চিহ্নিত করে পাকা করা হয়। তারপর হতে আর কোন দিন রাষ্ট্রীয়ভাবে বা রেলওয়ের উদ্যোগে কখনও স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসে এখানকার শহীদদের গণকবরে সম্মান দেখানো হয়নি।

এহান মুক্তিযুদ্ধের

নির্মমতা সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে এই প্রতিবেদক নানা নিষ্ঠুর নির্মম তথ্য পেয়েছে। পেয়েছে সেই সময়ের প্রত্যক্ষদর্শী অনেককে। দেখা গেছে জেলার শহীদ ও নিষ্ঠুর গণহত্যার ঘটনার স্পটগুলো স্বাধীনতার ৪৯ বছরের নানা কৌশলে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। ব্যক্তি লালসার কারণে মুক্তিযুদ্ধের আবেগঘন স্মৃতি জায়গাগুলোকে করা হয়েছে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

শহরের খোর্দ্দ সাপটানা গ্রাম সাহেবপাড়ার অদূরে। এই গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নারী মোছাঃ জয়গুন নেছা (৬০) জানান, সাহেবপাড়াটি ছিল শহরের আলোরূপা মোড়ে। এখানে বিহারী ও অবাঙালী রেলওয়ে নিম্ন শ্রেণির কর্মকারী গণবস্তি গড়ে তুলে বসবাস করে আসছিল। তারা মুক্তিযুদ্ধকালে সুসংগঠিত হয়ে পাকিস্তানীদের সহায়তা করেছে। চালিয়েছে গণহত্যা। এসব গণহত্যার নেতৃত্ব দিয়ে ছিল বিহারী ও অবাঙালী

নেতা নিষ্ঠুর প্রকৃতির মানুষ আব্দুর রশিদ, কালিুযা গুন্ডা প্রমুখ। এদের আত্মীয় স্বজন ও বংশধরেরা এখনও এখানে, রংপুরে ও সৈয়দপুরের বসবাস করছে। অনেকে রংপুর ও সৈয়দপুর জেনেভো ক্যাম্পে পাকিস্তানে ফিরে যেতে আশ্রয় নিয়েছে।

রেলওয়ে অবসর প্রাপ্তকর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস ছালাম (৭৬) জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য অনেক রেলওয়ে কর্মী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংগ্রহ করে ছিলেন।

সদ্য মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মেজবা উদ্দিন জানান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, নিষ্ঠুরতা, স্পটগুলো সংরক্ষণ করা জরুরি। জাতীয় কমিশন করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা করা জরুরী। জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজরিত স্থানগুলো সংরক্ষণ করার দাবি জানান। তবেই নতুন প্রচন্ম আগামীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানতে পারবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT