ফিলিস্তিনিদের নতুন দেশে পাঠানোর গোপন নীলনকশা – বর্ণমালা টেলিভিশন

ফিলিস্তিনিদের নতুন দেশে পাঠানোর গোপন নীলনকশা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ January, ২০২৬ | ৫:১৫ 138 ভিউ
ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের দাবি করেছে সোমালিয়া। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মওলিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তিনি এই সম্ভাব্য উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক আইনের একটি ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। শনিবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিকি বলেন, সোমালিয়ার কাছে নিশ্চিত তথ্য রয়েছে যে ইসরায়েলের একটি পরিকল্পনা আছে, যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তর করে সোমালিল্যান্ডে পাঠানো হবে। তার এই মন্তব্য এমন এক প্রেক্ষাপটে এসেছে, যেখানে সোমালিয়ার কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন যে ইসরায়েল গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোর করে সরিয়ে সোমালিল্যান্ডে পাঠাতে চায়। যদিও এই অভিযোগ সোমালিল্যান্ড ও ইসরায়েল উভয়পক্ষই অস্বীকার করেছে। সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও এখনো জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। তবে গত ডিসেম্বরে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যার মাধ্যমে দেশটি সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এই প্রসঙ্গে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার গত সপ্তাহে ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে বলেন, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের বিষয়টি আমাদের কোনো চুক্তির অংশ নয়। তিনি বলেন, রাজনীতি, নিরাপত্তা, উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হবে। তবে আমি বলতে পারি, এটি আমাদের চুক্তির অংশ নয়। তবে সার ঠিক কোন কোন বিষয়ে চুক্তি হয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। ইসরায়েল বা সোমালিল্যান্ডের কোনো পক্ষই স্বীকৃতি ঘোষণার পর থেকে চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত প্রকাশ করেনি। এদিকে সোমালিল্যান্ড সরকারের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র, নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে , ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের বিষয়টি সোমালিল্যান্ড কর্তৃপক্ষের দেওয়া কোনো ছাড়ের অংশ নয়। তবে ওই সূত্রও বিষয়টি নিয়ে আর কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে গাজা যুদ্ধকে ঘিরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন করে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভারতে ক্যানসার ওষুধের দাম কমতে পারে ৭০ শতাংশ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি রূপপুরে প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি ১০ দিনে চেলা নদীর পাড় কেটে ২৫ লাখ ঘনফুট বালু খেয়ে নিল বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা ১০ এয়ারবাস ক্রয়ের চুক্তি করলো বিমান; অথচ বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কায় বিশ্বব্যাংক-এডিবি ২০ হাজার শ্রমিকের উদ্বেগ-প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ১৫ বছরের চুক্তি সম্পন্নঃ DP World-এর হাতে তুলে দেয়া হলো এনসিটি ‘সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছি ধরে নেবেন না’- ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কড়া জবাব ​‘উত্তেজনার বশে মামলা করেছিলাম’: ভুল স্বীকার করে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা তুলে নিলেন বাদী কফিল উদ্দিন দিলারা চৌধুরী এবং তার স্বামীর বঙ্গবন্ধুবিরোধিতা ও ইতিহাস বিকৃতি’র শেকড় ১৯৭১-এ প্রোথিত অর্থনীতির বেহাল দশা, খাদ্য নিরাপত্তার ঝুকিতে দেশঃ অথচ দেশে আসছে কোটি টাকার চোরাই BMW স্পোর্টস কার সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুথি হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬; আহতদের মধ্যে বাংলাদেশি রামপালে ৪৪২ মে:ও: সৌরবিদ্যুৎঃ উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও সৌদি বিনিয়োগ আওয়ামীলীগ আমলেই; জানালেন সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিন্দু পরিচয়ের কারণে ইউনূস আমলে পাসিং আউট প্যারেডের আগে নেভাল একাডেমি থেকে বহিষ্কৃত হন পৃথ্বী নন্দী ধর্মের নামে শিশুকে ভয় দেখানো, নির্যাতন-কে শিশুর মানসিক ক্ষতির কারণ বলছে জাপান সরকার বাণিজ্য চুক্তি ও বিলিয়ন ডলারের ক্রয় সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারালো বাংলাদেশ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট, জ্বালানি সংকটে বন্ধ ৩৫ বিদ্যুৎকেন্দ্র জলপরী দেখতে চলল পুজো-অর্চনা, জালে মিলল সিলভার কার্প মাছ এলপিজি কারসাজির শেষ কোথায় নতুন আলোচনা রিকনসিলিয়েশন অক্টোবরে দিনে আক্রান্ত ২০৯৯, মৃত্যু ৭ জন