নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
এবারও কলকাতার বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ
বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের এক দেশ
হাঙ্গেরিতে একের পর এক শিশু নির্যাতন কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। শনিবার রাজধানী বুদাপেস্টে আয়োজিত এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নাগরিকরা।
শনিবার কুয়াশাচ্ছন্ন বুদাপেস্টের রাস্তায় ‘শিশুদের সুরক্ষা দাও’ লেখা ব্যানার হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। কয়েক বছর আগের নির্যাতনের শিকার শিশুদের প্রতি সংহতি জানাতে অনেকে নরম খেলনা ও মশাল বহন করেন।
২০১০ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর শিশুদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন অরবান। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক ভয়াবহ শিশু নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসায় সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব কেলেঙ্কারিতে অরবান নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিরোধী দল টিসজা’র প্রধান পিটার মাগিয়ার। গত সেপ্টেম্বরে বুদাপেস্টের একটি কিশোর সংশোধনাগারে নির্যাতনের নতুন অভিযোগ প্রকাশের পর এই আন্দোলন আরও জোরালো হয়। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, সজোলো স্ট্রিট কিশোর সংশোধনাগারের পরিচালক এক কিশোরের মাথায় লাথি মারছেন—এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়।
ঘটনার পর চলতি সপ্তাহের শুরুতে সংশ্লিষ্ট সংশোধনাগারের চার কর্মীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার ঘোষণা দিয়েছে, শিশুদের জন্য পরিচালিত সব ধরনের প্রতিষ্ঠান এখন থেকে সরাসরি পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
গত শুক্রবার দেশটির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদন, যেখানে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালিত সেবাকেন্দ্রগুলোতে থাকা শিশুদের পঞ্চমাংশেরও বেশি কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৭৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক জুজসা সালাই এএফপিকে বলেন, ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সঙ্গে যা ঘটছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এ কারণেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।