ঢাকা, Monday 18 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় পায়রা তাপবিদ্যুত কেন্দ্র

প্রকাশিত : 08:52 AM, 25 March 2021 Thursday
58 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

‘ইতিহাস গড়ে আগামীর পথে সফল প্রথম বাস্তবায়ন, পায়রা তাপবিদ্যুত মানে দেশের উন্নয়ন’ এটি এখন স্লোগান নয়, পায়রা বিদ্যুত কেন্দ্র এলাকার মানুষের কাছে গানের কলিতে পরিণত হয়েছে। এখন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা। উদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ ছিল ৩১ মার্চ। প্রস্তুতি চলছে ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রোগ্রামটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এলাকার মানুষ মুখিয়ে আছেন প্রধানন্ত্রীর সফরের দিকে। জাতির পিতার যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে ভুলিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুত বিভ্রাট কী। দশবছর আগে রাত-দিন মিলিয়ে ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুত মিলত না। দেশের মানুষের কাছে বিদ্যুত বলতেই এক ভয়ানক ভোগান্তির

নাম ছিল। রাত কাটত বিদ্যুতবিহীন, নির্ঘুম। সেইসব এখন গল্পের মতো; তবে পেছনে ফেলে আসা স্মৃতি হাতড়ে বেড়ানো তিক্ত অভিজ্ঞতা। এসব অতীত মানুষ ঘাটতে চায় না। জাতির পিতার দেশ এগিয়ে নেয়ার স্বপ্নের সেই মহান দায়িত্ব নিয়ে দুর্বার গতিতে উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ এগিয়ে চলছে। নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দিয়েছেন। ভুলিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুতের লোডশেডিং শব্দটি। শিল্প উদ্যোক্তারা এখন আর ভোগেন না বিদ্যুত না পাওয়ার শঙ্কায়। আর বিদ্যুতের অভাবনীয় সাফল্যের দুয়ার খুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে। দেশের এ পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ‘পায়রা’ এই বিদ্যুত প্লান্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দেশের

বিদ্যুত চাহিদাকে ছাপিয়ে বাড়তি উৎপাদনে এখন দেশ। আর দক্ষিণের কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ পাড়ের এই জনপদের রাত আলোকিত হবে পায়রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে। ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি এই পাওয়ার প্লান্টের প্রথম ইউনিট চালু করা হয়েছে। শুরু হয় উৎপাদন। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে উৎপাদিত বিদ্যুত। আর দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদন শুরু করে ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট। এখন পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত প্লান্টটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে একহাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হচ্ছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) বাংলাদেশ চায়না যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত এই বিদ্যুত প্রকল্পটি এখন সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত সরবরাহের জন্য।

ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট এ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (ইপিসি) এই বিদ্যুত কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ করেছে। যৌথভাবে যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিইসিসি) এবং নর্থইস্ট (নম্বর-১) ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড। সরকারের দুই দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার (প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা) খরচ হচ্ছে এই প্লান্টটি নির্মাণে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া ও মধুপাড়া মৌজায় ৯৮২ দশমিক ৭৭ একর জমির ওপরে এই বিদ্যুত প্লান্টটি নির্মিত হয়েছে। এখানে জমিদাতা বাড়িঘরহারাদের ১৩০ পরিবারকে আগেই পুনর্বাসন করা হয়েছে। করে দেয়া হয়েছে আধুনিক সুবিধা সংবলিত পল্লী স্বপ্নের ঠিকানা। ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নিজ হাতে দেয়া

ঘরের চাবি পেয়ে সেমিপাকা বাড়িঘরে বাস করছেন মানুষ। ১৬ একর জমিতে আধুনিক সুবিধাসংবলিত ঘর দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT