পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’ – বর্ণমালা টেলিভিশন

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ February, ২০২৬ | ৫:৪৮ 107 ভিউ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সংবাদ সংগ্রহকালে এক সাংবাদিককে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং তার ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। রোববার অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ করা আরিফুর রহমান সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ‘বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ঘিরে ধরেন। অভিযোগে পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরম্যাটিকস বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের মোহাম্মদ ইমন ও দর্শন বিভাগের একই ব্যাচের মো. সাহানুর রহমান সানজুর নাম উল্লেখ করা হয়। তাদের সঙ্গে আরও পাঁচ থেকে ছয়জন অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিলেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও অভিযুক্তরা তার মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে ফুটেজ পরীক্ষা করেন এবং ব্যবহৃত ক্যামেরা (সনি আলফা ৬৪০০) ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে ক্যামেরার লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজসেবা সম্পাদক আহসান লাবিবসহ কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী প্রক্টর ও সাংবাদিক সমিতির প্রতিনিধিদের জানানো হয়। তবে, অভিযোগ দাখিলের পর অভিযুক্তদের সঙ্গে আরও কয়েকজন এসে পুনরায় তাকে হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখান বলে আরিফুর রহমান অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, ‘একই ঘটনায় আমাকে দুই দফায় লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’ অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ ইমন বলেন, ‘ঘটনার বর্ণনা একপেশে। তার দাবি, সেদিন একটি ভিন্ন ঘটনার সূত্র ধরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং সাংবাদিক নিজেই আক্রমণাত্মক আচরণ করেন।’ ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। এদিকে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মেহেদী মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম. রাশিদুল আলম বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হলে তা গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান, ১৯৯ বাংলাদেশিসহ আটক ৬৩০ অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাগরে বসানো লাইটিং সিস্টেমে হানা প্রবৃদ্ধি আরও কমবে বাড়বে মূল্যস্ফীতি ফাঁকা শাহজালালের বহির্গমন টার্মিনাল কাজ করেনি সতর্কবার্তা সৌদিতে নতুন হামলা বিদ্যুৎ উৎপাদনে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি রূপপুরে সোমবার বন্ধ থাকবে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসে ঢাকাসহ দেশজুড়ে স্মরণানুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা কারাগার থেকে পালানো জঙ্গিদের নিয়ে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘ইতেহাদুলউম্মাহ’, নিরাপত্তা উদ্বেগ ‘হেনস্তা নয়, ইউনূসের কাছে জবাব চেয়েছি’, দাবি বিক্ষোভকারীর ঋণমানের আউটলুক নেতিবাচক, নতুন বিদেশি বিনিয়োগে ভাটা; ব্যাংকঋণ ও বিদেশি ঋণনির্ভর হচ্ছে সরকার গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায়ে চাপে ইউনূসঃ ক্ষমতায় থাকতে গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানকে কর ছাড় ও ব্যবসার লাইসেন্স দেওয়া নিয়ে উঠছে স্বার্থের দ্বন্দ্বের প্রশ্ন যশোরে বাড়ির সামনে ময়লা ফেলা নিয়ে বিরোধ, লাঠির আঘাতে আহত শিল্পী সমু চৌধুরী ​চট্টগ্রামে কিশোরদের পর্ন বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও যৌন নিপীড়ন: যুবদল নেতা নুরুর ভয়াবহ অপরাধ উন্মোচিত নোবেল জয়ের ২০ বছরে ইউনূস: অভিনন্দনের দিনেও হামে শিশুমৃত্যু থামেনি, সরকারি হিসাবেই ১,১৭০ ছাড়ালো শিশু মৃত্যুর সংখ্যা কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন? বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে আবার লুকোচুরি বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়? তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করলেই গ্রেপ্তার—উঠছে অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রশ্ন