পানি বেচে আরও লাভ চায় ঢাকা ওয়াসা মিথ্যা তথ্যে দাম বাড়িয়ে জনগণের ঘাড়ে ব্যর্থতার দায়ভার – বর্ণমালা টেলিভিশন

পানি বেচে আরও লাভ চায় ঢাকা ওয়াসা মিথ্যা তথ্যে দাম বাড়িয়ে জনগণের ঘাড়ে ব্যর্থতার দায়ভার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ | ১০:৫৩ 53 ভিউ
ঢাকা ওয়াসা পানি বিক্রি করে লাভ করছে। বিগত ৯ বছরে ধাপে ধাপে লাভের পরিমাণ বেড়েছে। এরপরও লাভ চায় প্রতিষ্ঠানটি। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জনগণের ঘাড়ে পানির বিলের বোঝা চাপিয়ে দিতে চায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ ঢাকা ওয়াসা প্রশাসন। করোনা মহামারির মধ্যে পানির মূল্য বৃদ্ধির উদ্যোগ ঢাকাবাসীর জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা ওয়াসা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা প্রায় ৫০ কোটি টাকা লাভ করেছে। পানি সরবরাহকারী এবং পয়ঃবর্জ্য সেবার দায়িত্বপ্রাপ্ত এ সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অডিট প্রতিবেদনে এমন তথ্য মিলেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত অর্থবছরে পানি বিক্রি করে ঢাকা ওয়াসা আয় করেছে ১ হাজার ২০১ কোটি ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৪১ টাকা। আর স্যুয়ারেজ বিল থেকে আয় করেছে ৩৯১ কোটি ৪২ লাখ ৯ হাজার ৮৪৯ টাকা। আর অন্যান্য আয় দেখানো হয়েছে ১৬০ কোটি ৬০ লাখ ২ হাজার ২৩২ টাকা। এ অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা আয় করেছে ১ হাজার ৭৫৩ কোটি ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬২২ টাকা। সব ধরনের পরিচালন ব্যয় মিটিয়ে ঢাকাবাসীর পানি সরবরাহকারী সংস্থাটি গত অর্থবছরে লাভ করেছে ৪৯ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৬ টাকা। ঢাকা ওয়াসার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অডিট প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ঢাকা ওয়াসা লাভ করেছে ৪৬ কোটি ৩৮ লাখ ১৭ হাজার ৩৯১ টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৩৯ কোটি ৮৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮০৭ টাকা, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ২৮ কোটি ১২ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৮ টাকা, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ২২ কোটি ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৫১২ টাকা, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ১৮ কোটি ৯৯ লাখ ৫৫ হাজার ২১৪ টাকা, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ১৬ কোটি ৪১ লাখ ৫ হাজার ৭০৪ টাকা, ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে ১১ কোটি ১২ লাখ ১৭ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে লাভ করেছে ১০ কোটি ৪৭ লাখ ৫ হাজার ৭৯০ টাকা। এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) চেয়ারম্যান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অনিয়ম, দুর্নীতি, একনায়কতন্ত্র এবং অদক্ষতার কারণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার পথে ঢাকা ওয়াসা। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সেবার দায়িত্বপ্রাপ্ত এ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতাগুলো দূর না করে ব্যর্থতার দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের উচিত এ সংস্থার দুর্বলতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসার পানির গুণগত মান খুবই নাজুক। না ফুটিয়ে ট্যাপের পানি পান করা যায় না। এরপরও পানির গুণগত মানোন্নয়নে কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নেই। মান বাড়ানোর দিকে মনোযোগ না দিয়ে পানির দাম বাড়াতে তৎপর প্রশাসন। এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা ওয়াসার দৈনিক গড়ে পানি উৎপাদন হয় ২৮০ থেকে ২৯০ কোটি লিটার। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ পানির উৎপাদন প্রায় ৭১ ভাগ এবং ভূ-উপরিস্থ পানির উৎপাদন ২৯ ভাগ। এখানে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎপাদন ৫ ভাগ বেশি দাবি করছে ঢাকা ওয়াসা। একই চিত্র আবাসিক ও বাণিজ্যিক পানির উৎপাদনের হিসাবেও। ঢাকা ওয়াসা বলছে, সরবরাহকৃত পানির ৯৫ ভাগ দিয়ে আবাসিক চাহিদা মেটানো হয়। গত নভেম্বরের ঢাকা ওয়াসার পানির খরচের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আবাসিকে খরচ হয়েছে মোট উৎপাদনের প্রায় ৭৫ ভাগ এবং বাণিজ্যিক খরচ হয়েছে ২৫ ভাগ। ঢাকা ওয়াসা আবাসিক পানি সরবরাহে ভর্তুকি দেয় এবং বাণিজ্যিক সরবরাহ থেকে প্রতি ইউনিট বা ১ হাজার লিটারে ২০ টাকা করে লাভ করে। পানির দাম বৃদ্ধির সময়ে এ কারণে বাণিজ্যিক পানির হিসাবে মিথ্যাচার করেছে ঢাকা ওয়াসা। গত বুধবার ঢাকা ওয়াসার সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্যমতে, ঢাকা ওয়াসার গড় পানি উৎপাদন খরচ ২২ টাকা। এর মধ্যে ভূ-গর্ভস্থ পানির উৎপাদন খরচ কম এবং ভূ-উপরিস্থ উৎস বা ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত পানির খরচ বেশি। ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে পদ্মা (যশলদিয়া) ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের প্রতি ইউনিট বা এক হাজার লিটারের উৎপাদন খরচ পড়ছে ২৭ থেকে ২৮ টাকা। সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পানির উৎপাদন খরচ ২৪ থেকে ২৫ টাকা। শিগগিরই চালু হতে যাওয়া গন্ধপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পানির উৎপাদন খরচ পড়বে ৩২ টাকা। পানির দাম বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিকদের কাছে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের উৎপাদন ৫ ভাগ বেশি বলে দাবি করছেন। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার আবাসিক পানির মূল্য ১৫ টাকা ১৮ পয়সা এবং বাণিজ্যিক পানির মূল্য ৪২ টাকা। নতুন করে আবাসিক পানির মূল্য বাড়িয়ে ২১ টাকা এবং বাণিজ্যিক পানির মূল্য বাড়িয়ে ৫৫ টাকা বাড়াতে চায় ঢাকা ওয়াসা। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিগত প্রায় ১ যুগে ঢাকা ওয়াসা ৩টি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে। চলমান রয়েছে ৪টি প্রকল্প। আর অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে ৪টি প্রকল্প। এ প্রকল্পগুলোর মোট আকার ২৫ হাজার ১৩৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যথাযথ সমীক্ষা না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন না করায় কাক্সিক্ষত সুফল মিলছে না। পাশাপাশি অনিয়ম ও দুর্নীতি বড় কারণ। ঢাকা ওয়াসার বিদ্যমান অব্যবস্থাপনা নিরসন করা সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের পানির দাম না বাড়িয়েও পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব হতো। এছাড়া ন্যূনতম সেবা নিশ্চিত না করেও স্যুয়ারেজ সেবার নামে ঢাকা ওয়াসা গ্রাহকদের নিকট থেকে লুটে নিচ্ছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। ঢাকা ওয়াসার ১, ২, ৩ ও ৬ নম্বর জোনে ১ হাজার ১৯১টি স্যুয়ারেজ সংযোগের বিনিময়ে এ অর্থ আয় করে থাকে ঢাকা ওয়াসা। পাগলা পয়ঃশোধনাগার প্রকল্পের সক্ষমতা হ্রাস, সংগ্রহ লাইন অকেজো হয়ে পড়া সিংহভাগ পয়ঃবর্জ্য পানি নিষ্কাশন নর্দমায় মিশে যাচ্ছে। এতে পানি ও পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এরপরও জনগণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে কর্তৃপক্ষ। পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশনে ব্যর্থতার আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ঢাকা ওয়াসা। কোনো ধরনের সংগ্রহ লাইন না করে ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা খরচ করে দাশেরকান্দি পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার নির্মাণ করেছে ঢাকা ওয়াসা। এ প্রকল্পে প্রতি ইউনিট বা ১ হাজার লিটার পয়ঃবর্জ্য শোধন করতে খরচ হবে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বিগত এক যুগে ঢাকা ওয়াসা সিস্টেম লস কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে কিছুটা সাফল্য দেখাতে পারলেও এখনো ২৬ ভাগের বেশি সিস্টেম লস রয়েছে। এটা ১০ ভাগের নিচে নামিয়ে আনার ঘোষণা করলেও কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারেও কোনো সাফল্য দেখাতে পারছে না। জানা যায়, ঢাকা ওয়াসার বর্তমান প্রশাসন বিগত প্রায় ১৩ বছরে পানির দাম বাড়িয়েছে ১৪ বার। কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও দুই বছরে দুদফা আবাসিক ও বাণিজ্যিক পানির দাম বাড়িয়েছে। অথচ পানির মানোন্নয়নে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। ঢাকা ওয়াসা ছাড়াও দেশে আরও পানি সরবরাহ করছে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসা। এর মধ্যে ঢাকা ওয়াসার আবাসিক ও বাণিজ্যিক পানির দাম সবচেয়ে বেশি। পানির উৎপাদন খরচ কাছাকাছি হলেও পানির দাম বাড়াতে মরিয়া ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী ওয়াসার বর্তমান আবাসিক পানির দাম ৬ টাকা ৮২ পয়সা এবং বাণিজ্যিক পানির দাম ১৩ টাকা ৬২ পয়সা। খুলনা ওয়াসার আবাসিক পানির দাম ৮ টাকা ৯৮ পয়সা এবং বাণিজ্যিক দাম ১৪ টাকা। চট্টগ্রাম ওয়াসার আবাসিক পানির দাম ১২ টাকা ৪০ পয়সা। এছাড়া বাণিজ্যিক পানির দাম ৩০ টাকা ৩০ পয়সা। আরও জানা যায়, ঢাকাবাসীর পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকা ওয়াসার খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। এখান থেকে দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার পানি পাওয়ার কথা থাকলেও পাচ্ছে মাত্র ১৫ কোটি লিটার। মুন্সীগঞ্জের যশলদিয়া এলাকা সংলগ্ন পদ্মানদীর পাড় থেকে মিটফোর্ট হাসপাতাল পর্যন্ত ওই প্রকল্পে পানি সরবরাহ লাইন রয়েছে। প্রকল্পভুক্ত এ পাইপলাইনের প্রস্থতা ২ হাজার মিলিমিটার। মিটফোর্ড থেকে উৎসের সমপরিমাণ প্রশস্তের পাইপলাইন থাকা দরকার ছিল। কিন্তু আগে থেকে পরিকল্পনা না করায় ৬০০ মিলিমিটার প্রশস্ত পাইপ থেকে ঢাকায় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। যে কারণে উৎপাদনক্ষমতার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ ওই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পরিচালনায় ৪৫ কোটি লিটারের জন্য যে পরিমাণ খরচ হতো, এখন প্রায় একই পরিমাণ খরচ হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার এ দায়ভার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে জনগণের ওপর। সমালোচনা এড়াতে ঢাকা ওয়াসা ওই প্রকল্পের উৎপাদনক্ষমতা দৈনিক ৩০ কোটি লিটার বলছে। যেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে অভিমত প্রকৌশলীদের। সক্ষমতার এক-তৃতীয়াংশ পাইপলাইন দিয়ে দুই ভাগ পানি উৎপাদন করা সম্ভব নয়। এটা ব্যর্থতা ঢাকার কৌশল বলে মনে করছেন তারা। কর্তৃপক্ষের অভিমত : এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঢাকায় বসবাসকারী মানুষের বেশির ভাগই অগ্রসর শ্রেণির। তাদেরকে ভর্তুকি দিয়ে পানি খাওয়ানোর কোনো মানে হয় না। তবে এটা সত্য যে, ঢাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং বস্তিবাসীরও বসবাস রয়েছে। তাদের কথা চিন্তা করে গবেষণা চলছে। তাদের জন্য পানির বিলে ভর্তুকি দেওয়া হবে। এজন্য অভিজাত এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বসবাস এলাকা চিহ্নিত করে পানির দাম নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা গবেষণা করে দেখেছি, ঢাকার অভিজাত এলাকার বাসিন্দারা পানি বেশি অপচয় করে এবং বিল পরিশোধে গড়িমসি করে। আর বস্তি এলাকার বাসিন্দারা পানির অপচয় করে না এবং দ্রততম সময়ে বিল পরিশোধ করে। ধাপে ধাপে পানির ভর্তুকি কমাতে এর দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। ঢাকা ওয়াসার অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং পানির গুণগত মানোন্নয়নের বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা যতটা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব, সে লক্ষ্যে কার্যক্রম চলছে। ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ বিদ্যমান দুর্বলতা কাটাতে নির্দেশনা প্রদান এবং পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বুধবার সংবাদ সম্মেলনে পানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বলেন, ভিক্ষা করে কোনো সংস্থা চলতে পারে না। ধাপে ধাপে পানি ও পয়ঃবর্জ্যরে দাম বাড়িয়ে সংস্থাকে ব্রেক ইভেনে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য পানির দাম বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:



































শীর্ষ সংবাদ:
বেনাপোল সীমান্তে সচল পিস্তলসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার নির্মাণসামগ্রীর দাম চড়া, উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি কলম্বোতে কারফিউ জারি টিকে থাকার লড়াইয়ে ছক্কা হাকাতে পারবেন ইমরান খান? করোনায় আজও মৃত্যুশূন্য দেশ, শনাক্ত কমেছে ‘ততক্ষণ খেলব যতক্ষণ না আমার চেয়ে ভালো কাউকে দেখব’ এবার ইয়েমেনে পাল্টা হামলা চালাল সৌদি জোট স্বাধীনতা দিবসের র‌্যালিতে যুবলীগ নেতার মৃত্যু সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র রপ্তানি করেছে মোদি সরকার বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দেওয়া নিয়ে আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, এলাকা রণক্ষেত্র ইউক্রেনকে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও মেশিনগান দিয়েছে জার্মানি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে নারীকে ধর্ষণ, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের ‘লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বজুড়ে আনবে একতা‘-শীর্ষক সভা বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁর নওহাঁটায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন । ভূরুঙ্গামারীতে ব্যাপরোয়া অটোরিকশা কেরে নিল শিশুর ফাহিম এর প্রাণ ভূরুঙ্গামারী কিশোর গ‍্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ৬ তম রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন বেনাপোলে পৃথক অভিযানে ৫২ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক-২ বেনাপোল স্থলপথে স্টুডেন্ট ভিসায় বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমন নিষেধ গেরিলা যোদ্ধা অপূর্ব