ঢাকা, Thursday 28 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

নদী দখলের উৎসব ॥ বুড়িগঙ্গার শাখা প্রশাখার দুই তীরে ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া

প্রকাশিত : 08:36 AM, 15 March 2021 Monday
91 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

রাজধানী ঢাকার কণ্ঠহার বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ-পশ্চিমে শাখা-প্রশাখার দুই তীর আবার দখলে মেতে উঠেছে চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা। দখলী জমিতে গড়ে উঠেছে পার্ক, বহুতল ভবন, শিল্প কারখানা, বাজার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দখলদারদের অত্যাচারে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে পুরান ঢাকার লালবাগ, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের কোলঘেঁষা বুড়িগঙ্গার এই শাখা নদী। এক সময়ের খরস্রোতা বুড়িগঙ্গার ঢেউয়ের শব্দ বহুদূর থেকে শোনা যেত। এখন দখলদারদের বদৌলতে সবই অতীত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ও উচ্চ আদালতের বারবার কঠোর নির্দেশের পরও বুড়িগঙ্গার এই আদি চ্যানেলটি প্রতিনিয়তই দখল হচ্ছে। জলাধার সংরক্ষণ আইনের বিধি উপেক্ষা করে প্রায় তিন যুগ ধরে চলা দখলযজ্ঞে ইতোমধ্যেই এই আদি চ্যানেলের শাখা

নদীর প্রায় ৩৫০ একর জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। এই দখল প্রক্রিয়ার কৌশল হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ও বালু ফেলে ভরাট করে নদীর বুক সঙ্কুচিত করা হয়। পরে এসব জায়গায় গড়ে তোলা হয় শিল্প কারখানা, আবাসন প্রকল্প, পার্ক ও রিক্সা-ট্রাকস্ট্যান্ড। এমনকি এই দখল পোকাপোক্ত করার জন্য কৌশলে মসজিদ নির্মাণ করা হয়। বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা তৈরি করে সাপ্তাহিক/মাসিক হারে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে সংঘবদ্ধ চক্র। মাঝে মধ্যে জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারী সংস্থা বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল রক্ষায় নদীর দুই তীর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। অভিযানে স্থায়ী ব্যবস্থা না নেয়ায় আবার ভূমিদস্যুদের রাহুগ্রাসে চলে যায়

বুড়িগঙ্গা। এদিকে ঢাকার বুড়িগঙ্গা শাখা-প্রশাখা ও এর চারপাশের ঘিরে নৌপথ সচল করতে বাবুবাজারসহ ১৩ সেতু ভাঙ্গার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

সরেজমিন পরিদর্শনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাবুবাজার ব্রিজ থেকে গাবতলী পর্যন্ত রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিমের বেড়িবাঁধের কোলঘেঁষে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ-পশ্চিমের শাখা নদীর লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ ও মোহাম্মদপুরে বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ২৪ হাজার ৫শ’ কাঠা (৩৫০ একর) একর বেদখল ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। লালবাগ-চকবাজারের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কামালবাগ-আলীরঘাট, শহীদনগর, আমলীগোলা, কামরাঙ্গীরচরের মুসলিমবাগ ঠোঁটা থেকে বেড়িবাঁধ ঘেঁষা লোহারপুল, রহমতবাগ, ব্যাটারিঘাট, কুড়ারঘাট, পূর্ব রসুলপুর, নবাবগঞ্জ সেকশন, কোম্পানীঘাট পাকা ব্রিজ ঘেঁষা বালুমাটি আর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ফেলে নদী ভরাট করে দোকানপাট, ট্রাক-লেগুনা

স্ট্যান্ড গড়ে তোলা হয়েছে। লালবাগ বড় মসজিদ ঢাল ও পূর্ব রসুলপুর ২ নম্বর গলির সংযোগ হাফেজ মূসা ব্রিজ, নবাবগঞ্জ সেকশন ও কামরাঙ্গীরচর রনি মার্কেটের সংযোগস্থলে নির্মিত পাকা ব্রিজ ঘেঁষা বিশাল এলাকা দখল করে মার্কেট ও বসতি গড়ে তোলা হয়েছে। আমলীগোলা ঢাল সংলগ্ন বেড়িবাঁধ ঘেঁষা বুড়িগঙ্গার বুকে ময়লা-আর্বজনা ফেলে স্তূপ করে সেখানে ট্রাকস্ট্যান্ড, পাশের নদীর বুকে পুরো দখল করে মাটি ফেলে ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে নদীর বুক দখল করে ৫তলা পাকা দালান, টিনশেড বাড়িঘর বানানো হয়েছে। নবাবগঞ্জ সেকশন ও কামরাঙ্গীরচর রনি মার্কেটের সংযোগস্থলের পাশে আদি চ্যানেলের বুকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করায় পশ্চিমে

নদী দখলের মহোৎসব চলছেই। বক্স কালভার্টে বর্জ্য ফেলায়, দখল-দূষণে বুড়িগঙ্গা এখানে মৃতপ্রায়। বুড়িগঙ্গার আদি এ চ্যানেলে রিক্সার গ্যারেজ থেকে শুরু করে টেম্পোস্ট্যান্ড, অবৈধ মার্কেট, ট্রাকস্ট্যান্ড, বাড়িঘর, এমনকি মসজিদ পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। এছাড়া কোম্পানীঘাটে বিদ্যুত উপকেন্দ্রের চারপাশে নদীর বিশাল জায়গা দখল করে একটি কোম্পানির বলপেন তৈরির কারখানা, কোম্পানি ফাউন্ডেশনের প্রস্তাবিত শিশু বিনোদন কেন্দ্র, জামে মসজিদ ও ব্যাটারি ফ্যাক্টরি গড়ে তোলা হয়েছে। হাউজিং ব্যবসায়ীরা নদীর বিশাল অংশ দখলের পর ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রি করছে। বছরের পর বছর এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠলেও সেসব দখলবাজি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো খুব একটা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে না। অপরদিকে কামরাঙ্গীরচর-হাজারীবাগের

সেকশন বেড়িবাঁধ সংলগ্ন শাখা নদীর দু’পাশে সেমিপাকা ঘর, দোকান, গ্যারেজ বানানো হয়েছে। এসব দোকান থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে নিয়মিত ভাড়া আদায় করছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব দখল-দূষণ আর চাঁদাবাজিতে সম্পৃক্ত রয়েছে এলাকার অনেক ক্ষমতাসীন ব্যক্তি। এভাবে বেওয়ারিশ লাশের মতো বুড়িগঙ্গার বুক বালু দিয়ে ভরাট করে রাতারাতি দখল করে নিচ্ছে চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা। প্রশাসনের এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব ভূমিদস্যু মালিকানা কাগজপত্র বানিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করার পর তা দখলে নিয়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে সটকে পড়ছে।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান জনকণ্ঠকে জানান, বুড়িগঙ্গার পশ্চিমের এই শাখা নদীতে

পালতোলা নৌকা, লঞ্চ, স্ট্রিমার, ইঞ্জিন বোটসহ বড় বড় নৌযান চলাচল করত। স্রোতের কলধ্বনি এক থেকে দুই মাইল দূর থেকে শোনা যেত অথচ মাত্র তিন যুগ ধরে দখলে বুড়িগঙ্গা এখানে শীর্ণকায়। চকবাজার, লালবাগ, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীচরের মধ্য দিয়ে গত শতকের মাঝামাঝিও বুড়িগঙ্গায় স্বচ্ছ পানি প্রবাহিত হতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯১২ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত প্রথম ভূমি জরিপে (ক্যাডেস্ট্রাল সার্ভে, সিএস) এটা প্রবহমান নদী হিসেবে বুড়িগঙ্গা চিহ্নিত। চল্লিশের দশকে বুড়িগঙ্গায় দখলবাজি শুরু হয়। স্থানীয়রা শুষ্ক মৌসুমে নদীগর্ভে ধান চাষ করে তাদের প্রাথমিক দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এ সময় সিএস রেকর্ডে পরিবর্তন এনে বিভিন্ন দাগের দখলদার হিসেবে ভূমিদস্যুদের নাম বসিয়ে

দেয়া হয়। সিএস রেকর্ডের এই বদলকে ‘পেটি সিএস’ বলা হয়ে থাকে। ১৯৫৪ সালে এসএ (সার্ভে অব আর্টিকেল) রেকর্ড প্রণয়নকালে সিএস রেকর্ডের অনেক পরিবর্তন ধরা পড়ে। পেটি সিএসে নিজেদের অবস্থান দেখিয়ে দখলদাররা সংশ্লিষ্ট দাগের জমি জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নেন এবং এসএ রেকর্ডে তা লিপিবদ্ধ করা হয়। ’৭২ সালের সংশোধিত দখল জরিপের রিভাইজড সার্ভেতে (আরএস) দখলদাররা নদীর জমি তাদের দখলে দেখিয়ে মালিকানা পাকাপোক্ত করে নেয়। এর আগে-পরে ইজারাপত্র দেখিয়ে অনেকে জমি বিক্রি করে দেয়।

সূত্র মতে, আশির দশক থেকে বুড়িগঙ্গার বুক ভরাট করে ঘরবাড়ি নির্মাণের হিড়িক পড়ে। ’৯৭ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে মিটফোর্ড হাসপাতালের পেছন (দক্ষিণ) থেকে

লালবাগের নবাবগঞ্জ হাজারীবাগ, এমনকি মিরপুরের গাবতলী হয়ে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করায় বাঁধের ভেতরে বুড়িগঙ্গার বিশাল এলাকা পড়ে যায়। বুড়িগঙ্গায় দখলের মহোৎসব চলে জোট সরকার আমলে। এ সময় কতিপয় প্রভাবশালী বুড়িগঙ্গায় দখল প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু করে দেয়। জোট সরকারের আমলে গাবতলী থেকে শুরু করে নবাবগঞ্জ সেকশন পর্যন্ত নদীর বুকে বালি বর্জ্য ফেলে ভরাট করে দখলে নেয় ভূমিদস্যুরা। তিন বছর আগে নদীর বুকে বাঁশ পুঁতে ঘেরাওয়ের সময় শ্রমিকদের হাতেনাতে ধরে থানা পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

সরকারের খাস জমি দেখভালের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের থাকলেও বুড়িগঙ্গার কত জমি বেহাত হয়েছে তার

সঠিক হিসাব নেই তাদের কাছে। একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, লালবাগ, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বেহাত জমির পরিমাণ প্রায় ৩৫০ একর। এর মধ্যে ২৫০ একর জমি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরে এবং এক শ’ একর বাঁধের ভেতরে পড়েছে। ’১৪ সালের ২৩ জুন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ঢাকার চার নদীর দখলরোধে মানববন্ধন ও র‌্যালিতে যোগ দেন সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি যানজট ও দূষণমুক্ত নির্মল ঢাকা গড়ে তুলতে নদী-খাল রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সেই আহ্বানে জনগণ সাড়া দিলেও ভূমিদস্যুদের হামলা-মামলার ভয়ে তা প্রতিরোধ করার আগ্রহ সবাই হারিয়ে ফেলে। সম্প্রতি বুড়িগঙ্গা দক্ষিণ-পশ্চিমে শাখা-প্রশাখার দখল মুক্ত করার জন্য

উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে নদীর সীমানা পরিমাপ করা হয়। এইসব স্থানে রয়েছে শত শত বাড়িঘর, বহুতল ভবন, পার্ক, শিল্পকারখানা। নদীর সীমানা পরিমাপ করে দখলদারদের তাদের স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার কথা জানিয়ে দেয়া হয়। খুব তাড়াতাড়ি উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে জানা গেছে।

গতবছর ২৬ জানুয়ারি ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যার দখল-দূষণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে জরুরী বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে নৌ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে ২৯ জানুয়ারি সোয়ারীঘাট থেকে দখল-দূষণ রোধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে বিআইডব্লিউটিএ ও পাউবো। টানা ৩ মাস উচ্ছেদ অভিযান চললেও হঠাৎ থেমে যায়। এখানে নদীর বুক

দখল করে গড়ে ওঠা অসংখ্য আবাসন ও শিল্পকারখানা উচ্ছেদ করা হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বুড়িগঙ্গা এভাবে দখল হতে থাকলে রাজধানীর নিম্নাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শীঘ্রই কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নদী রক্ষা কমিটি গঠন জরুরী। নদী রক্ষা কমিটির সদস্যরা এসব ভূমিদস্যু ও ভূমি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানাসহ কঠোর শাস্তি কার্যকর করলে কেবল নদী দখলমুক্ত হতে পারে। উচ্ছেদের পর নদীগর্ভে দ্রুত ওয়াকওয়ে করতে হবে। নইলে দেশের মানচিত্র থেকে বুড়িগঙ্গার শাখা-প্রশাখা চিরতরে হারিয়ে যাবে।

ঢাকাকে ঘিরে বুড়িগঙ্গা শাখা প্রশাখা ও নৌপথ সচল করতে ভাঙ্গা হবে বাবুবাজারসহ ১৩ সেতু। এর মধ্যে এলজিইডির ৬টি, সেতু

বিভাগের ৬টি, আরেকটি রেল মন্ত্রণালয়ের। ঢাকা শহরের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পাঁচটি নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ২২টি সেতু। যার মধ্যে উচ্চতা সঙ্কটের কারণে ১৩টি সেতু নৌপরিবহনে বাধা তৈরি করছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সে জানানো হয়, বুড়িগঙ্গাসহ সারাদেশে খাল অবৈধ দখল উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হবে ৩১ মার্চ থেকে। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারদের নানা দিকনির্দেশনা হয়। এতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে সারাদেশে ৪৫ হাজার ৯৫টি অবৈধ স্থাপনার তালিকা নিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়। ইতোমধ্যে সম্পন্ন উচ্ছেদ অভিযানে ৫২ দশমিক ৭৮ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। পুনরায় অবশিষ্ট ২১ হাজার

২৯৩টি স্থাপনা দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। উদ্ধারকৃত জায়গায় পুনর্দখল রোধে খনন বা বৃক্ষরোপণ বিবেচনা করা হবে। এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ঢাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা এবং বালু নদীর নাব্য ফেরানোর কার্যক্রম চলছে। নদীর নাব্য বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি কাজ করছে। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীও এ কমিটির সদস্য। ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীর নাব্য পরিপূর্ণভাবে ফিরে পায়, সেই বিষয়ে কার্যক্রম নেয়া হচ্ছে। খালগুলো থেকে পানি নিষ্কাশন হয়ে নদীগুলোতে যাচ্ছে।



শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT