ঢাকা, Thursday 28 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

দৈনিক ৫০০ টাকা সুদ এবং নোয়াখালী

প্রকাশিত : 08:26 AM, 18 March 2021 Thursday
76 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

গ্রামে-মফস্বলে-নিরক্ষর বা স্বল্প শিক্ষিতের দুরবস্থা এখনও কাটছে না। লোভী প্রতারকের দল গ্রাম-গঞ্জে, শহরে ওঁৎ পেতে বসে আছে টাকা ধার দেয়ার নামে চরম শঠতার মধ্য দিয়ে গরিব মানুষকে সর্বস্বান্ত করার জন্য এবং ওরা তাই করে চলেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত এ খবরটা পড়ে নিশ্চয় পাঠকরা চমকে উঠেছেন। কারণ, মাত্র ৫০০০ হাজার টাকা ধার নিয়ে এক দরিদ্র তরুণ দৈনিক ৫০০ টাকা হারে সর্বমোট সুদ দিয়েছে ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু আসল মাত্র ৫০০০ হাজার টাকা একসঙ্গে শোধ করতে অক্ষম ও অপারগ থাকেন! এ ঘটনা যদি মারধরের ওপর যেত তা হলেও সান্ত¡না পাওয়া যেত। ওই ঋণ গ্রহীতা ব্যক্তিসহ তার তিন ভাইয়ের

সামনে তাদের বৃদ্ধা মাকে মারধর করে হত্যা করে। মনে হচ্ছে বৃদ্ধ মা পুত্রকে রক্ষা করতে কিছু বলেছেন হয়ত, দৈনিক ৫০০ টাকা অতি উচ্চ হারের সুদ নিয়মিত দেয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু পুত্ররা বৃদ্ধ মাকে ওই ব্যক্তির হাতে মার খেতে দেখে ওই একজন ব্যক্তিকে তিনজন মিলে বাধা দিতে এগিয়ে আসল না কেন? মাকে তিনজন পুত্র দাঁড়িয়ে থেকে বাইরের লোকের হাতে মার খেতে দেবে, একি হতে পারে? তারপর আবার তারা চোখের সামনে মাকে হত্যা করল? পুরো বিষয়টি জাতিকে হতভম্ব করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

ভেবে পাচ্ছি না, এক ব্যক্তি বর্তমান যুগে মাত্র ৫০০০ হাজার টাকা ঋণ নেয়ার জন্য দৈনিক ৫০০

টাকা সুদ দিয়ে এই টাকা ঋণ নেবে কেন? এত উচ্চ সুদ তো কোন ব্যাংকও ঋণ দিতে নেয় না। এই সুদের মাসিক হার দাঁড়াচ্ছে ১৫ হাজার টাকা! কোন ব্যক্তি ৫০০০ হাজার টাকা ঋণ নেয়ার জন্য মাসে ১৫ হাজার টাকা সুদ দেবে কেন? এটা অবিশ্বাস্য মনে হয় যেখানে দশ দিনে সে ঋণ দাতাকে ৫০০০ হাজার টাকা দিয়েছে! যদি এই সুদ মাসিক ৫০০ টাকা হয়, তাহলে মাসিক ১০% সুদ তাকে দিতে হবে। আজকাল সাধারণ লোকজন, কৃষক বা যে কোন ছোট উদ্যোক্তা সবজি, ফল, মুরগি, ডিম, মাছ বিক্রি করে মাসে দশ-বিশ হাজার টাকা আয় করে। যদিও করোনা রোগের কারণে

প্রায় ছয় মাস, এক বছর কৃষক-ছোট ব্যবসায়ীদের আয় বন্ধ বা খুব হ্রাস পেয়েছিল। এমন কোন কারণে যদি কেউ ঋণ নেয়, তবে তা মাত্র ৫০০০ হাজার টাকা না হয়ে ৫০ হাজার টাকা হওয়ার কথা ছিল বলে মনে হয়।

কথা হচ্ছে, ঋণের অর্থ যাই হোক, ঋণ গ্রহীতার বৃদ্ধা মা ঋণদাতার হাতে দৈহিক নির্যাতনের শিকার হবেন এটি কোনমতেই মানা যায় না। একে তো তরুণীরা যৌতুকের বলি হচ্ছে, এর পাশে ধর্ষণের শিকার হয়েও নিহত হচ্ছে। সেখানে পুত্রদের কর্মের ফল পুত্রদের সামনে মা ভোগ করে নিহত হবেন এটি অগ্রহণযোগ্য শুধু নয়, এত বড় অপরাধের একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি হতে হবে,

যেখানে পুত্রদের নিষ্ক্রিয়তারও বিচার করতে হবে। মায়েরা স্বামীর কাছ থেকে সুরক্ষা না পেলেও আমাদের বিশ্বাস ছিল-পুত্র-কন্যারা মাকে সুরক্ষা ও প্রাপ্য সম্মান দিয়ে থাকে। পুত্রের হাতে যে সমাজে মা সুরক্ষা পায় না, সে সমাজ দয়া-মায়াহীন মানব জঞ্জাল মাত্র। আর মাদকাসক্ত পুত্রের হাতে বাবা, মা, ভাই সবাই প্রতিনিয়ত হামলার শিকার হচ্ছে, নিহতও হচ্ছে। এর মধ্যে শিশুরাও বাদ যাচ্ছে না। ওরাও শিকার হচ্ছে অমানুষ বাবা-মায়ের নির্যাতনের! আসলে অতি জনসংখ্যার দেশে মানুষ-নারী, পুরুষ শিশুরা সুরক্ষা, অধিকার, যতœ থেকে বঞ্চিত থাকে। এমনকি, তাদের জীবন রক্ষাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে মনে হচ্ছে- একটি চ্যানেলে কিশোরী-তরুণীদের ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে দ্রুত প্রেমিক

বাছাই করে দ্রুতই কোন রকম সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করে দৈহিক সম্পর্ক তৈরির পরিণতিতে দেখতে পাচ্ছি তারা শিশুর জন্ম দিয়ে নিষ্পাপ শিশুকে কোন মাতৃসদনে বা শিশু সদনে ফেলে যাচ্ছে। অবিবাহিত তরুণী তো শিশু কোলে নিয়ে তার একমাত্র আশ্রয় বাবা-মার বাড়িতে যেতে পারবে না। তাদের কেউবা হাসপাতালে নবজাতক শিশুকে রেখে চলে যাচ্ছে! কি করবে এই অসহায় প্রেমিকের বিশ্বাসঘাতকতার শিকার মেয়েরা? এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি দেখতে দেখতে ভাবছিলাম, সরকারকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অনেক বেশি জোরদার করে গ্রাম-গঞ্জে পুরুষদেরসহ মেয়েদের জন্ম নিয়ন্ত্রণের সব ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। এর সঙ্গে হঠাৎ দুর্ঘটনাঘটিত প্রথম পিরিয়ড না হলে যে পিলটি খেলে

পিরিয়িড ঠিক হয়ে যায়, সেই পিল ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এই পিলের কার্যকারিতা নারীদের জানাতে হবে। তা ছাড়া এগুলো মেয়েদের জন্য সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে ওষুধের দোকানেও থাকতে হবে। এরপর বর্তমানে, আমাদের মা হওয়ার সময়ে, ’৭১-এর পর, ’৮০-৯০-এর দশকে নারীদের অবাঞ্ছিত, অনাকাক্সিক্ষত গর্ভধারণ থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারী ক্লিনিকে বিনামূল্যে দক্ষ দাইদের হাতে এমআর বা ‘মেনস্ট্রুয়েশন রেগুলেশন’ করার পদ্ধতিটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। এটি যে জন্ম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কত কার্যকর সহায়ক ব্যবস্থা ছিল, সেটি সে সময়ের তরুণী মায়েদের দুর্ঘটনাঘটিত অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ থেকে রক্ষা করেছিল, সে কথা মনে পড়ছে। চেনা-জানা শিক্ষিত কর্মজীবী তরুণীদের এবং

তাদের স্বামীদেরও এই এমআর খুবই সাহায্য করেছিল। মনে পড়ছে, মোহাম্মদপুর সরকারী মর্ডান ক্লিনিকটি আমাদের কর্মজীবী নারীদের কতই না উপকারে এসেছিল! এই এমআর ব্যবস্থাটিকে সরকারী অনুমোদন দিয়ে সব কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এবং সরকারী হাসপাতালে দক্ষ ডাক্তার ও নার্স-দাইদের সাহায্যে চালু করা খুব প্রয়োজন। যেসব তরুণী কিশোরীরা নীতিহীন, বিবেকহীন পুরুষের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যৌন জীবন সম্পর্কে কিছুই না জেনে গর্ভবতী হয়ে পড়ছে, তারা সচেতন হলে প্রথমেই পিরিয়ড মিস্্ হলে ‘আই পিল’ খেয়ে নেবে। আর যদি গর্ভধারণ করেও তা হলে ছয় সাত সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে এমআর করিয়ে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

এই ডিজিটাল যুগের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমার

জ্ঞান সীমাবদ্ধ। হয়ত আরও অনেক উন্নতি হয়েছে নারীদের অনাকাক্সিক্ষত গর্ভধারণ থেকে রক্ষা করতে। নারী যতই কর্মক্ষেত্রে বেশি বেশি সময়ের জন্য নিয়োজিত হবে, ততই এসব ব্যবস্থার সহজলভ্যতা এবং মান নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের এই ডিজিটাল যুগের চিকিৎসকরা নিশ্চয় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের এবং অনাকাক্সিক্ষত গর্ভধারণ থেকে নিষ্কৃতি লাভের অনেক নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে জেনেছেন। তাঁরা এখন বন্ধ্যা হওয়ার হাত থেকেই নারীদের রক্ষা করছেন। গর্ভস্থ শিশুদের প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে চিকিৎসা দিয়ে রক্ষা করতে পারেন। বংশগত রোগ থেকেও গর্ভস্থ শিশুদের রক্ষা করতে পারছেন। নিশ্চিত হলে এমআর বা তার চাইতে উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ করে নারীদের জীবন, একই সঙ্গে অনাকাক্সিক্ষত শিশুর শুরুতেই জন্ম

রোধ করতে পারেন।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পথে নারীর ক্ষমতায়ন বা নারীর কর্মজীবী হওয়ার পথে সহায়ক উপরোক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করা না হলে কোটি কোটি নারীর মধ্যে বড় একটি অংশ সুস্থ, সবল থেকে, বার বার গর্ভবতী হওয়া অথবা প্রতারক প্রেমিক বা স্বামীর দ্বারা গর্ভবতী হয়ে পরিত্যক্ত হওয়া থেকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। একটি সংখ্যক পরিত্যক্ত অনাথ শিশুর ভার থেকে নারীদের এবং সমাজকেও রক্ষা পেতে হবে। উন্নয়নশীল দেশের নারী তার নিজ সিদ্ধান্তে গর্ভধারণ করবে অথবা করবে না- এই স্বাধীনতার সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে। নারী স্কুলে-কলেজে যাবে, শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষিত হবে- এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সুযোগ যেমন নারীকে

দিতে হবে, তেমনি নারী বাইরের কর্ম জগতে কাজ করবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারও তাকে দিতে হবে। একই সঙ্গে নারী কাকে বিয়ে করবে বা করবে না, সন্তান ধারণ কখন করবে বা অনাকাক্সিক্ষত গর্ভধারণ থেকে মুক্তি নেবে সেটি তার অধিকার, যা অন্য সব রকম অধিকার থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এমন কি, নারী কয়টি সন্তানের জন্ম দেবে- সেটি গর্ভধারণ যেহেতু নারীর দায়িত্ব, সেহেতু নারীকেই তার সঙ্গী-স্বামীর সঙ্গে আলাপ করে ঠিক করার স্বাধীনতা পেতে হবে। এসব কিছু না হলে রাষ্ট্র উন্নত রাস্তাঘাট যা এখনও হয়নি, এমন কি কলকাতার রাজপথের মানের সমান রাজপথ আমরা এখনও তৈরি করতে পারিনি। তবে

পরে যদি তেমন রাজপথ তৈরি করতে পারি, ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, উন্নত রেল, উন্নত সুয়ারেজ-আবর্জনা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা, বন্যা-মশা-মুক্ত শহর করতে পারি, তখনও নারীর গর্ভধারণ করা বা না করার স্বাধীনতা খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।

নোয়াখালী কেন পাকিস্তান যুগের মারামারি, লাঠালাঠি এবং জিয়া তারেক যুগের বন্দুক-অস্ত্রের ঝনঝনানিতে রণক্ষেত্র হয়ে থাকবে? এ এলাকার রাজনীতি যখন বিএনপির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্ধী হয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য ছিল, তখন জয়নাল হাজারী এবং কিছু তরুণের উদ্যোগে অসীম দুঃসাহসে ভর করে এ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধপন্থী আওয়ামী লীগের অবস্থান তৈরি করেছিল। কুমিল্লা, ব্রহ্মণবাড়িয়া ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে লাভ করা স্বাধীন দেশে

জাঁকিয়ে বসা জামায়াত-বিএনপির মোল্লা ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক রকম যুদ্ধ করেই আবার আশির দশকের শেষে এবং নব্বই দশকে যুব-ছাত্র নেতাদের নতুন ভাবে ওইসব জেলাকে স্বাধীন করতে হয়েছিল! কিন্তু কাজটি ছিল কঠিন। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধপন্থী দলগুলো, প্রধানত আওয়ামী লীগ দেশের প্রায় সব জেলায় দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। সেখানে নোয়াখালীতে নিজ দলের মধ্যে মারামারি, অস্ত্র ব্যবহার, দুই উপদলে মারামারি গোলাগুলিতে সাংবাদিক, নিরীহ ব্যক্তির মৃত্যু একেবারেই অপ্রত্যাশিত এবং অনাকাক্সিক্ষত। এই প্রবণতা এখনই নেতাদের বন্ধ করতে হবে, নিজেদের, জেলার এবং দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে। এই ২০২১-এ, রাজনীতি ওই আদিম রূপে ফিরে গেলে অন্য দলের সমালোচনা করার যৌক্তিকতা হারিয়ে যায়। বরং আওয়ামী

লীগ সমালোচিত হচ্ছে। এ জন্যই মির্জা ফখরুল ওবায়দুল কাদেরকে নিজের ঘর সামলাতে বলতে পেরেছে।

আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি–বনানী, গুলশানের রাজপথ ছাড়া রাজধানীর অন্য জায়গায় নতুন করে বানানো রাজপথ মাসখানেকের মধ্যে ভেঙ্গে পড়ছে, যেখানে সেখানে গর্ত হচ্ছে, খোয়া যাওয়া জোড়াতালি, ফুটপাথের নতুন টাইলস কিছু দিনের মধ্যে ভেঙ্গে পড়ছে। বর্ষার পর আরও দুরবস্থা হবে। কলকাতার কাছ থেকে ঠিকাদার আমদানি করে আমাদের রাজপথের কাজ করতে হবে বলে মনে হচ্ছে। ঘরহীনদের ঘরগুলো টেকসই হচ্ছে তো? কিছু তো ভেঙ্গে পড়েছে এর মধ্যে। রাস্তা, ঘর নির্মাণ কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নির্মাণ করতে হবে। নতুবা ভাল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়ে যাবে।
মমতাজ লতিফ
লেখক :

শিক্ষাবিদ

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT