ঢাকা, Saturday 23 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

তদন্ত রিপোর্ট ও চার্জশীট শীঘ্রই

প্রকাশিত : 10:20 AM, 4 September 2020 Friday
145 বার পঠিত

মোহাম্মদ রাছেল রানা | ডোনেট বাংলাদেশ নিউজ ডেক্স :-

যে প্রদীপ চাকরিজীবনে কোন ধরনের নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে বহু নিরীহ মানুষকে বাঁচতে দেননি, চাঞ্চল্যকর সিনহা হত্যা মামলায় অন্যতম আসামি হয়ে সেই প্রদীপ এখন নিজেই বাঁচার লড়াইয়ে লিপ্ত। থানার শীর্ষপদে থেকে বহু আসামিকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিতে তিনি ছিলেন পারঙ্গম। এখন নিজেই রিমান্ডের বেড়াজালে আটকে গিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী না দিয়ে চমক সৃষ্টি করলেন। তবে শেষ পর্যন্ত পার পাবেন কিনা তা নিয়ে আগ্রহী মহলে জল্পনাকল্পনার শেষ নেই।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের হত্যাকা-ে টেকনাফের তৎকালীন এই ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সিনহাকে হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে যে জড়িত তা বিভিন্নভাবে ফাঁস হচ্ছে। এদিকে সরকার গঠিত তদন্ত

কমিটি রিপোর্ট চূড়ান্ত করার কাজে লিপ্ত। এর পাশাপাশি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশীট প্রদানের পূর্ব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেছেন। চার্জশীট প্রদানে তদন্ত কর্মকর্তার জন্য প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে সিনহাকে হত্যাকারী ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। এছাড়া ঘটনা নিয়ে আরও ৭ জন অনুরূপ জবানবন্দী দিয়েছেন আদালতে। ফলে চার্জশীট প্রদান প্রক্রিয়ার পথও হয়েছে সুগম। তবে বহুল আলোচিত এবং অন্যতম প্রধান আসামি ওসি প্রদীপকে নিয়ে সরকারী তদন্ত কমিটি কি রিপোর্ট দিচ্ছে এবং মামলার চার্জশীটে প্রদীপের সম্পৃক্ততা কি হচ্ছে- সেটা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছে আগ্রহী মহল।

সিনহা হত্যার ৩৪ দিন অতিবাহিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। এ সময়ে

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির তদন্ত, হত্যা মামলার তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। সিনহা হত্যার ঘটনাস্থল, হত্যাকারী, হত্যার সঙ্গে ব্যবহৃত অন্যান্য অনুষঙ্গ সবই তদন্ত সংস্থার হাতে। দিন গড়াচ্ছে শুধু এ হত্যাকা- কেন? এছাড়া বহুল আলোচিত টেকনাফের তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সম্পৃক্ততা এ হত্যাকা-ের সঙ্গে রয়েছে কিনা। প্রদীপসহ ১৫ আসামির মধ্যে ১৩ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে গুলিবর্ষণকারী ইন্সপেক্টর লিয়াকতসহ ৮ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। অন্যতম আসামি প্রদীর কুমার দাশের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী গ্রহণে তদন্ত সংস্থা র‌্যাবের পক্ষ থেকে দফায় দফায় চেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু টানা ১৫ দিনের রিমান্ডেও তার মুখ খোলানো যায়নি।

শেষ পর্যন্ত আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এ মামলা সংক্রান্তে মন্তব্য করতে গিয়ে কক্সবাজার আদালতের সিনিয়র আইনজীবীদের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, আসামি প্রদীপ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী না দিলেও থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এ ঘটনা যেমন সংঘটিত হয়েছে, তেমনি ঘটনার আগে-পরে গুলিবর্ষণকারী ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ওসির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কয়েক দফায় এ নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের এ কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলে এসেছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে সিনহা ও তার সহযোগীদের মারিসবুনিয়া পাহাড়ে যাওয়া-আসা, ভিডিও চিত্র ধারণের তথ্য ওসি প্রদীপের জানা ছিল। যে কারণে তিনি বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকতকে এ ভিডিওচিত্র ধারণকারীদের গতিবিধি নজরে রাখার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সোর্সের পক্ষ

থেকে লিয়াকতের মতো তার কাছেও খবর ছিল মারিসবুনিয়া পাহাড়ে ওইদিন ডাকাতের আনাগোনা প্রত্যক্ষ করেছেন এলাকাবাসী। ভিডিওচিত্র ধারণকারীদের তিনি ভিডিও পার্টি হিসাবেও মন্তব্য করে প্রয়োজনে গুলি করার নির্দেশও দেন ওসি প্রদীপ। এসব তথ্য ইন্সপেক্টর লিয়াকতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী থেকে বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু এরপরও একটি প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। সেটি হচ্ছে প্রদীপ যদি হত্যার জন্য পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে নির্দেশনা দিয়েও থাকেন-তা-ই বা কেন? এ প্রক্রিয়ায় প্রদীপ যেহেতু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক কোন জবানবন্দী দেননি ফলে তার উত্তর এখন অনুদঘাটিতই রয়েছে। ইন্সপেক্টর লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলাল তাদের পৃথক স্বীকারোক্তিতে কিছু কথা পরিষ্কার হয়েছে, আর তা হচ্ছে- ঘটনার পর ওসি প্রদীপ স্পটে

এসে অর্ধমৃত সিনহাকে লাথি মেরেছেন এবং উল্লসিত মনোভাব প্রদর্শন করেছেন। ওসির এ মনোভাব ও তৎপরতা সত্য হয়ে থাকলে বড় একটি প্রশ্ন এসে যায়, সেটি হচ্ছে প্রদীপের পরিকল্পনায় কি লিয়াকত নিশ্চিন্ত মনে একজনকে গুলি করে মারলেন। যেহেতু ওসি প্রদীপ ইন্সপেক্টর লিয়াকতের সরাসরি সুপারভাইজিং অথরিটি সেক্ষেত্রে ইতোপূর্বেকার নিরীহ মানুষ হত্যার মিছিলে লিয়াকত আরেকটি প্রাণহরণ করে নিলেন। তথ্য চাউর হয়েছে, লিয়াকত ডাকাত মনে করে সিনহার গাড়ি আটকিয়েছেন। গাড়ি থেকে সিনহা হাত তুলে বের হওয়ার মুহূর্তেই গুলি করেছেন আগ-পিছ কিছু না ভেবে। যেহেতু তাকে সেভ করার জন্য ওসি প্রদীপ রয়েছেন তাই তিনি হিট অব দ্য মোমেন্টের কাজটি করে ফেলেছেন।

সূত্র মতে, এটাতো লিয়াকতের কর্মকা-। কিন্তু এর পেছনে প্রদীপের পরোক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়টি এসে গেছে। এখানেই নতুন প্রশ্নটি জন্ম নিয়েছে প্রদীপ কেন লিয়াকতকে সিনহাদের ভিডিও পার্টি বলে প্রয়োজনে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং গুলিতে অর্ধমৃত সিনহাকে লাথি মারলেন। উল্লাস প্রকাশ করলেন। এখন এর নেপথ্য ঘটনা উদঘাটনে মামলার আইওর বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা বিশদভাবে নির্ভর করছে।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলা পিপি এ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বৃহস্পতিবার জনকণ্ঠকে জানান, প্রধান আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়ায় চার্জশীট প্রদানে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। পিপি জানান, আসামি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী না দিলেও তার বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে নানা তথ্য আসছে, যা

থেকে পার পাওয়ার সুযোগ খুবই কম। আইনী লড়াইয়ে প্রদীপকে এগোতে হবে বহুদূর। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালীন যেসব ক্রসফায়ারের ঘটনা টেকনাফে ঘটেছে এবং এসব ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের স্বজনদের পক্ষ থেকে এখন একের পর এক প্রদীপসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হচ্ছে। পাশাপাশি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকেও জাল ফেলা হয়েছে। অবৈধ অর্থবিত্ত গড়ে তোলার বিপরীতে ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। প্রদীপের বিরুদ্ধে আগামী দিনগুলোতে আরও অনেকে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। ফলে ওসি প্রদীপ নিজেই এখন বাঁচার লড়াইয়ে লিপ্ত। সিনহা হত্যাসহ

কয়েকটি মামলায় ওসি প্রদীপ ইতোমধ্যে ফেঁসে গেছেন। মামলা দায়েরের যে আলামত দেখা যাচ্ছে তাতে ওসি প্রদীপের রক্ষা পাওয়ার বিষয়টি কঠিন। কিন্তু বাঁচার লড়াইয়ে প্রদীপের পক্ষে এখন থেকে লক্ষণীয় হচ্ছে বেশকিছু। নিশ্চিতভাবে প্রদীপের পক্ষে নামীদামী আইনজীবীগণ নিয়োজিত হবেন। নি¤œ আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত প্রদীপ নিজে এবং তার শুভান্যুধায়ীরা কাড়ি কাড়ি অর্থ যে ব্যয় করবেন তা নিয়ে কারও মনে সন্দেহ নেই বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি বুধবার প্রদীপের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে ৬৮ জনের জবানবন্দী গ্রহণ করেছে। ৬৮ জনের এ তালিকা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত। টানা রিমান্ডে থাকায় তদন্ত কমিটি প্রদীপের বক্তব্যের

জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। মঙ্গলবার প্রদীপের টানা ১৫ দিনের রিমান্ড শেষ হয়। বুধবার সকাল ১০টার পর থেকে টানা প্রায় ৫ ঘণ্টা জেলগেটে তদন্ত কমিটি প্রদীপের জবানবন্দী গ্রহণ করে। জবানবন্দীতে তিনি কি বলেছেন তা কমিটির পক্ষ থেকে বলা না হলেও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানানো হয়েছে, সিনহা হত্যাকা-ে সম্পৃক্ততা থেকে প্রদীপ নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টাই চালিয়েছেন। সব দোষ তিনি ইন্সপেক্টর লিয়াকতের ঘাড়ে চড়িয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তারা রিপোর্ট প্রদানে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তিন দফায় সময় বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমিটিকে রিপোর্ট দেয়ার আদেশ

দিয়েছে।

অপরদিকে সিনহা হত্যা মামলার আইও র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম গত ১৩ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২২ দিনের তদন্তে বহুদূর এগিয়েছেন। ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিনের রিহার্সেল থেকে শুরু করে প্রধান দুইসহ এজাহারভুক্ত ৮ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখার অধিকারী হয়েছেন। সিনহা হত্যাকা-টি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা একটি ঘটনা। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করেছেন পুলিশ বাহিনীর এক সদস্য। ফলে এ ঘটনা স্পর্শকাতর হয়ে আলোচনার পাদপীঠে চলে যায়। পরিস্থিতি এমন উতাল পাতাল হয়েছিল যে কারণে সেনা ও পুলিশ প্রধানকে একসঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তাদের অবস্থান জানিয়ে

দেয়া হয়। সঙ্গত কারণে এ হত্যা মামলার চার্জশীট প্রদানের বিষয়টিতে যাতে ধর্তব্যমান ত্রুটি বিচ্যুতি না থাকে সেদিকেই তদন্ত সংস্থা র‌্যাবকে বিশেষ করে তদন্ত কর্মকর্তাকে সজাগ থাকতে হচ্ছে। সূত্র মতে, এ মামলার বিচার প্রক্রিয়া বহুদূর যে এগোবে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। নিম্ন আদালত থেকে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে যাবে বিচার প্রক্রিয়া। আইনজীবীরা বলছেন, ইন্সপেক্টর লিয়াকত গুলিবর্ষণকারী এবং তার গুলিতে সিনহার প্রাণ গেছে। তিনি নিজেই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে একথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আর প্রত্যক্ষদর্শী ও অন্য সাক্ষীরা তো আছেন। তাদেরও একই কথা। তারা সিনহাকে গুলি করতে দেখেছেন এবং গুলি করেছেন ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী। কিন্তু এ ঘটনার পর

লিয়াকতের চেয়ে বহুল আলোচিত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। এ ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা কতটুকু এবং তা কেন-তাই তদন্তে উদঘাটন করতে হবে। কারণ সিনহা হত্যার পর ওসি প্রদীপের নির্দেশেই মামলা, আলামত জব্দ থেকে শুরু করে সবকিছু সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ঘটনার পর জেলা এসপির সঙ্গে প্রদীপের কথোপকথনের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে এসেছে। এতে করে ওসি প্রদীপের সম্পৃক্ততা সন্দেহের উর্ধে নয়। তবে বড় প্রশ্নটি হচ্ছে প্রদীপের কোন গোপন পরিকল্পনার শিকার যদি হয়ে থাকেন সিনহা-তা কোন্ কারণে। সেটা জানার আগ্রহ উৎসুক সকলের।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT