ঢাকা, Thursday 28 October 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

ঢাকার দিনরাত

প্রকাশিত : 10:14 AM, 9 March 2021 Tuesday
103 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

আমাদের সমাজ এখনও হিজড়াদের তীর্যক দৃষ্টিতেই দেখে। তৃতীয় লিঙ্গ বলে অভিহিত করা হলেও এরা নিত্য ব্যঙ্গবিদ্রƒপ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যের শিকার হন। হিজড়ারা অবশ্য নিজেরা দলবদ্ধ হয়েই পৃথক আবাস গড়ে তোলেন। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডার নারী-পুরুষ নিজ পরিরারের সঙ্গেই বসবাস করে থাকেন। হিজড়াদের সাথে এদের মৌলিক পার্থক্য হলো তারা নারী বা পুরুষের যৌনাঙ্গ নিয়েই জন্মগ্রহণ করেন কিন্তু তাদের স্বভাবে ও আচরণে প্রকাশ পায় বিপরীত লিঙ্গের বৈশিষ্ট্য। তাই পুরুষ হয়েও সমাজে তাকে ‘হাফ লেডিস’ বলা হয়, পক্ষান্তরে নারীর অঙ্গ নিয়েও স্বভাবে পুরুষত্ব প্রকাশ পাওয়ায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এই ট্রান্সজেন্ডার গোত্রের মানুষ তাই সমাজের চাপে বাধ্য হয়েই রূপান্তরিত নারী বা পুরুষে

পরিণত হন। এজন্যে চিকিৎসার ভেতর দিয়ে যেতে হয় তাদের। রূপান্তরিত এক নারীর টেলিভিশনে সংবাদ পাঠের খবরটি ছিল আটই মার্চ নারী দিবসের আগে বহুল প্রচারিত একটি বিষয়। দেশের মানুষ এই প্রথম কোন পেশাদার সংবাদ বুলেটিনে খবর পাঠ করতে দেখলেন একজন ট্রান্সজেন্ডার নারীকে, যা স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশে আগে কখনও ঘটেনি। এই নারীর নাম তাসনুভা আনান শিশির। এর ভেতর দিয়ে সমাজে রূপান্তরিত নারীদের প্রতি দৃষ্টি কতটা বদলাবে সেটি আগাম বলা যাবে না। প্রতিবেশি দেশের একটি টিভি চ্যানেলে ফিরকি নামের একটি ধারাবাহিক নাটকে বেশ ক’জন হিজড়া অভিনয় করেন। সেটি কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিচ্ছেন। আমরা যদি ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়াদের

সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করি, যদি তারা অফিস-আদালতে কাজের সুযোগ পান তাহলে ধীরে ধীরে তারা মূল স্রোতের অংশ হয়ে উঠবেন। শুধু লৈঙ্গিক পরিচয়ের জন্য মানুষে-মানুষে বৈষম্য থাকতে পারে না এই আধুনিক যুগে এসেও।

সমতলে পাহাড়ীদের সমাবেশ

বিভিন্ন পালাপার্বণে পাহাড়ীরা আসেন সমতল রাজধানীতে। পরিবেশন করে যান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এবার তাদের আগমন ছিল একটু ব্যতিক্রমী কারণে। বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচ তারকা হোটেল ও বিনোদন পার্ক নির্মাণের প্রতিবাদে সম্প্রতি ঢাকায় সংহতি সমাবেশ করেছে ‘চিম্বুক পাহাড় ম্রো ভূমি রক্ষা আন্দোলন’। শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা যা বলেন তাতে শঙ্কার কথাই আছে। সম্প্রতি চিম্বুকের নাইতং পাহাড়ে ম্রো অধ্যুষিত অঞ্চলে

একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পাঁচ তারকা হোটেল ও বিনোদন পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। তাদের শঙ্কা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কারণে চিম্বুক ও নাইতং পাহাড়ে শতাব্দীকাল যাবৎ জুম চাষ করে আসা ম্রো জনগোষ্ঠী তাদের বসতভিটা, শ্মশান, পানির উৎস ইত্যাদি থেকে উচ্ছেদ হবে। এমনকি এর কারণে ছয়টি গ্রামের বাসিন্দা সরাসরি এবং ১১৬টি পাড়ার আনুমানিক ১০ হাজার বাসিন্দা বিভিন্নভাবে স্থায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

সমাবেশ থেকে পাঁচ দফা দাবিও জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্রো জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি ও নিরাপত্তার দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে ম্রো অধ্যুষিত এলাকায় কোনও রকম বিনোদন পার্ক নির্মাণ প্রকল্প বাতিল, পরিবেশ ও প্রতিবেশের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী পর্যটনসহ

উন্নয়নের নামে অবাধ ও পূর্ব সম্মতি ব্যতিরেকে অন্যান্য সব প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ, আন্দোলনরত জনগোষ্ঠীকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন, নানা ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ম্রোদের সঙ্গে যা করা হচ্ছে এটি অন্যায় উল্লেখ করে সংহতি সমাবেশে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন,‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪টি ভাষা এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে আরও খারাপ পরিস্থিতি হবে।’

ছুটির দিনে বাজার গরম

ছুটির দিন সন্ধ্যায় প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর কথায় কথায় বললেন ফাল্গুনের সকালেই গিন্নির চৈত্র-দুপুরের মতো তেতে ওঠার কথা। বাজার ঘুরে এসে তার ওই দশা হয়েছিল। সব

কিছুরই নাকি দাম বেড়ে গেছে। প্রতি শুক্রবার যে টাকা নিয়ে বাজার করতে যান এবার তার চাইতে ৫০০ টাকা বেশি নিয়েও কম বাজার করে ফিরেছেন তিনি। কেন জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, বন্ধুটি সেটিই জানতে চাইছিলেন আমার কাছে। লোকেদের ধারণা সাংবাদিকরা সব জানেন, তাদের কাছে আগাম দুঃসংবাদ পাওয়া যায়। কী আর করা।

প্রতিদিন মানুষের খাদ্য তালিকায় যা থাকে সেগুলোর সরবরাহ কিংবা দামের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা তৈরি হলে সংবাদপত্রের পাতায় সে সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চয়ই আসে। কিন্তু তার আগেই সাধারণ মানুষের ভেতর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। হাটে-বাজারে অফিস-আদালতে এ নিয়ে আলোচনা হয়, নানা অসন্তোষ দেখা দিতে থাকে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সীমিত ও সুনির্দিষ্ট

আয়ের কারণে তাদের প্রতিটি পর্যায়ের বাজেট থাকে। বছরের বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে নিত্যপণ্যের দামে উর্ধগতি দেখা দিলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের বাজেটে টান পড়ে। তাতে তাদের কষ্ট হয়। বাজেট ঘাটতি পোষানোর জন্য বাধ্য হয়েই কিছু কিছু পণ্যক্রয়ের পরিমাণ তারা কমিয়ে দেন। চাপ পড়ে স্বাস্থ্যের ওপর। প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান না দিতে পারলে শরীর নামক যন্ত্রটি তো বিপন্ন বোধ করবেই। পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্য পাগলা ঘোড়ার রূপ নেয়ার বিষয়টি প্রায় নিয়মিত। সেটি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। রোজা আসার এক দেড় মাস আগে থেকেই পণ্যের দরের উর্ধমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা মাত্রই মানুষ অসহায় ও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। হঠাৎ করেই

মুরগিসহ কয়েকটি খাদ্যপণ্যের মাত্রাতিরিক্ত দাম বেড়ে গেছে। নিত্যপণ্যের বাজারে যেমন গরুর মাংস, মুরগির দাম বেড়েছে, তেমনি খুচরা বাজারে ভোজ্যতেল, চালও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। এটিকে অশনিসংকেত বললে ভুল হবে না। অবশ্য গত কয়েক মাস যাবতই বাজারে চালের দামের উর্ধগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যটির দামই যদি এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে তাহলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রমই হবে। যা অনাকাক্সিক্ষত।

লক্ষণীয় হলো উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, পাশাপাশি বেড়েছে আমদানিও। বাজারে নিত্যপণ্যের কোন ঘাটতি নেই। তাহলে দাম বাড়ছে কেন?

বইমেলার প্রস্তুতি

পরবর্তী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে বহু প্রতীক্ষিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে। প্রকাশকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। পেশাদার

বড় প্রকাশকদের পাশাপাশি কিছুটা শৌখিন এবং মূলত গ্রন্থপ্রেম ও সাহিত্যচর্চা থেকে প্রকাশনা জগতে আসা, যারা এক বা দুই ইউনিটের স্টল নেন, তারাও কিন্তু কম ব্যস্ত নন। অয়ন তেমনই একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্টল নির্মাণ শুরু হতেই ফেসবুক প্রচারে তৎপর হলেন। প্রকাশক লিখেছেন: আসছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২১ (১৮মার্চ-১৪ এপ্রিল)। ‘অয়ন’ মর্মার্থ ভোর; আকাশের রঙ ঘাসফড়িঙের মতো কোমল : এই নীল আকাশের নিচে রৌদ্রছায়ায় বিস্তীর্ণ উল্লাস পাবার আশায় সাহসে সাধে সৌন্দর্যে রাশিরাশি শব্দ আর বাক্যের সমন্বয়ে মলাটের পর মলাট বই প্রকাশের ইচ্ছায় ১৯৯৪ সালে ‘অয়ন’ ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা ধারাবাহিক প্রকাশের পাশাপাশি ১৯৯৬ সালে ‘মননশীল মানুষ সৃজনশীল

বই’-এই স্লোগানকে ধারণ করে ‘দশ আকাশ’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ এবং মুদ্রণ ও প্রকাশনায় নান্দনিক উৎকর্ষ সাধনের প্রচেষ্টা প্রতিটি গ্রন্থে অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ে ‘অয়ন প্রকাশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের প্রয়োজনে যুগের ক্রমবর্ধমান চাহিদার আলোকে ‘অয়ন প্রকাশন’ তার প্রকাশনায় নিয়ে এসেছে প্রাতিষ্ঠানিক, শিক্ষামূলক, বুদ্ধিভিত্তিক, গবেষণাধর্মী, সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাস, জাতীয় ঐতিহ্য, বিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব, ধর্ম, মিথোলজি, শিশুকিশোরমনস্ক মননশীল মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য সৃজনশীল বই। এছাড়া অয়ন প্রকাশন-এর নিয়মিত প্রকাশনায় রয়েছে ‘উপন্যাস’ ম্যাগাজিন।

উবার-যাত্রীদের অভিযোগ

উবার-যাত্রীরা নানা সময়ে নানা অভিযোগ করেন। আধুনিক শহরে রাইড শেয়ারিংয়ে যাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আমলে নিতে হবে। সিফাত নামে ভুক্তভোগী একজন তরুণ লেখক তার অভিজ্ঞতা নাটকীয়ভাবে বর্ণনা করেছেন।

এটি অনেকেরই অভিজ্ঞতা বটে।

তিনি লিখেছেন: ‘উবারে কল দিলাম। লোকেশন শ্যামলী থেকে বনানী। শুক্রবার, ছুটির দিন। মিটিং বারোটায়, আমি সোয়া এগারটার দিকে উবারে কল দেখলাম কাছেই একজন আছেন। আমার লোকেশন থেকে তিনি এক, দুই মিনিট পথ দূরে। উবার চালক কল রিসিভ করলেন, ফোন দিলেন। কল করেই তার প্রথম প্রশ্ন, কই যাবেন?বনানী বলতে গিয়েও আমি থামলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ভাই আপনি কোথায় যেতে চান?’

মনে হলো উবার চালক একটু থতমত খেলেন, কয়েক সেকেন্ড কথাই বললেন না। বোঝা যাচ্ছে উনার ‘কই যাবেন’ প্রশ্নের উত্তরে আমার প্রশ্নে তিনি মোটেও অভ্যস্ত নন। তিনি আমাকে আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি না, আমি না, আপনি

যাবেন কই?’

আমি বললাম, আপনি আসুন, রাইড স্টার্ট করুন, আমি কই যাব ম্যাপে দেখাবে। আমি লোকেশন দাঁড়িয়ে আছি। আপনি আসুন।

উবার চালক ফট করে লাইন কেটে দিয়ে রাইড ক্যান্সেল করে দিলেন। আমি এমনটাই এক্সপেক্ট করছিলাম।

দ্বিতীয় কল। এবারের উবার চালক আমার লোকেশন থেকে একটু দূরে। রিসিভ করলেন। আমি কল দিলাম। ‘ভাই, আমি এই লোকেশন আছি, আপনি বাজারের ভিতরের রোড দিয়ে আসলে দ্রুত আমার লোকেশন পৌঁছতে পারবেন। আমি দাঁড়িয়ে আছি’।

উবার চালকের প্রশ্ন, ভাই কোথায় যাবেন?

বলবো না।

এ্যা? বুঝি নাই। কোথায় যাবেন?

বললাম, আমি বলব না কোথায় যাবো।

এইটা ভাই কেমন কথা? কোথায় যাবেন বলবেন না!!

(তিনি প্রচণ্ড অবাক, উনার অবাক কণ্ঠ শুনে আমিও

অবাক। আমাকে বলতে হবে কেন!)

আমি বললাম, যেহেতু উবারের নিয়মে প্যাসেঞ্জারের ডেসটিনেশন দেখানো নেই সেহেতু আমি কোথায় যাব সেটা আপনাকে আগেই বলতে চাইছি না। আপনি আসলে দেখতে পারবেন।

আমি যাব না। রাইড ক্যান্সেল করেন।

আপনি যাবেন না, আপনি ক্যান্সেল করবেন। আমি তো যাওয়ার জন্য রাজি।

দূর… বলে ভদ্রলোক রাইড ক্যান্সেল করে দিলেন।

তৃতীয় রাইড। সেইম প্রশ্ন। আমারও সেইম উত্তর। রাইড ক্যান্সেল।

আমি শেষটা দেখতে চাই। কতজন ক্যান্সেল করতে পারেন। আশা করছি অন্তত একজন ‘কই যাবেন না বলে নিয়মটা ফলো করবে।’

বেশ দেরিতে চতুর্থ কল। ততক্ষণে পৌনে বারোটা। ফোনের ওপাশে একই প্রশ্ন, কই যাবেন।

আচ্ছা আপনারা সবাই কই যাবেন জিজ্ঞেস করেন কেন? এইটা তো

উবারের নিয়ম না।

ভাই আমি উত্তরা যাব। ডেসটিনেশন ওইদিকে দিয়ে রেখেছি। অইদিকের প্যাসেঞ্জার হলে নিয়ে যাব।

উত্তরা যাওয়ার পথেই বনানী পড়বে। আমি উনাকে কেবল বললাম, আপনি আসুন। আপনার দিকেই হবে।

আপনি কোথায় যাবেন বলতে অসুবিধা কই? সবাই তো বলে।

আমি কি বলতে বাধ্য? বাধ্য হলে তো উবারেই কাস্টমার ডেসটিনেশন বাধ্যতামূলক করে দিত।

উনি বার বার বলতে লাগলেন, আরে সবাই বলে। আজকাল এইটাই নিয়ম।

আমি বললাম, এইটা উবারের নিয়ম না, এইটা আপনাদের বানানো নিয়ম। আপনাদের যদি ডেসটিনেশন জানতেই হয়, উবারে কমপ্লেইন করেন। তাদের এ্যাপসে ডেসটিনেশন এ্যাড করতে বলেন।

বলা হইছে। দেয় না।

এর মানে উবারে রাইড শুরুর আগে ডেসটিনেশন জানানোর নিয়ম নেই।

আপনি কি যাবেন?

অবশ্যই

যাব, আমার দেরি হচ্ছে। কিন্তু ডেসটিনেশন আমি বলবো না। সরি ভাই।

লোকটা ফোন কেটে দিল।

ততক্ষণে বারোটা বেজে গেছে। পঞ্চম কলে একজনকে পেলাম। যিনি কোথায় যাবেন প্রশ্ন না করে আমার লোকেশনে চলে আসলেন।

অবাকই হলাম। হেলমেট মাথায় বাইকে উঠতে উঠতে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি উবারে নতুন, তাই না?

তিনি বললেন, জি স্যার।

আমি মাথা নাড়লাম, বুঝতে পেরেছি। চলুন।

যে কোন সিস্টেম নষ্ট করতে আমাদের জুড়ি মেলা ভার।

০৭ মার্চ ২০২১

marufraihan71@gmail.com

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT