ঢাকা, Friday 17 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

টেক জায়ান্টদের লাগাম টানবে কে?

প্রকাশিত : 02:10 PM, 8 October 2020 Thursday
53 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

অনলাইন সার্চে একচেটিয়া আধিপত্যের অভিযোগ রয়েছে টেক জায়ান্ট গুগলের নামে। এ নিয়ে যেকোনও দিন তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে)। সেক্ষেত্রে এটি হবে ১৯৯৮ সালে মাইক্রোসফটের পর বড় কোনও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পেছনে ডিওজে উঠেপড়ে লাগার দ্বিতীয় ঘটনা।

ট্রাম্প প্রশাসন টেক জায়ান্টদের কাছ নত হয়নি, এ ঘটনাকে তারই প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে চায় রিপাবলিকানরা। বেশ কয়েকটি মার্কিন অঙ্গরাজ্য ‘বিগ টেক’-এর বিরুদ্ধে এ মামলায় যোগ দিতে পারে। তবে এটি গুগলের জন্য হয়তো ঘাতক হয়ে উঠবে না। মামলায় সংস্থাটির বিজ্ঞাপনী ব্যবসাকে লক্ষ্যবস্তু করা না-ও হতে পারে।

মাইক্রোসফটের ঘটনাকে যদি পথপ্রদর্শক হিসেবে ধরা হয়, তবে গুগলের এই অগ্নিপরীক্ষা

চলতে পারে বছরের পর বছর। আর শেষপর্যন্ত এ থেকে ঐতিহাসিক কোনও সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনাও কম। এমনকি, জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলেও পরিস্থিতির হয়তো খুব একটা নড়চড় হবে না।

গত ৬ অক্টোবর মার্কিন কংগ্রেসনাল কমিটি ৪৪৯ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্টের প্রতিযোগিতা আইন কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে বলা হয়েছে। এর কিছুদিন আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডিজিটাল পরিষেবা আইনে যোগ হতে যাওয়া নতুন নীতিগুলোর একটি তালিকা ফাঁস হয়েছিল। কিন্তু এগুলোতে কি সত্যিই কাজ হবে?

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ১৬ মাসের তদন্তের ফল ছিল কংগ্রেসনাল কমিটির ওই প্রতিবেদন। এতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট নেতা ডেভিড সিসিলিন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মেরুকরণ থাকলেও

কমিটির বেশিরভাগ পরামর্শে সমর্থন ছিল দুই পক্ষের।

তবে টেক জায়ান্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া যায় তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে। ডেমোক্র্যাটরা চায়, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রধান ব্যবসা থেকে অন্য কার্যক্রমগুলো আলাদা করুক। যেমন- অ্যামাজন নিজস্ব মার্কেটপ্লেসে নিজেদের ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। অভিযোগ রয়েছে, এ জায়গায় তারা নিজস্ব পণ্যের ক্ষেত্রে সার্চ রেজাল্টে ভালো অবস্থান দেখানোর মতো বিশেষ সুবিধা দেয়।

তবে রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের এ পরিকল্পনাকে মাত্রাতিরিক্ত হস্তক্ষেপবাদী এবং বিদ্যমান অবিশ্বাস আইনের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে দাবি করে সেটি বাতিল করে দিয়েছে।

সেদিক থেকে কংগ্রেসে সাহসী বা অর্থবহ কিছুর অনুমোদন করতে আগামী মাসে ডেমোক্র্যাটদের

শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিতলেই হবে না, সিনেটেও ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকতে হবে।

এদিক থেকে, টেক জায়ান্টদের আচরণ পরিবর্তনে কিছুটা ভিন্ন পথে হাঁটছে ইইউ। মামলা-জরিমানার বদলে তাদের পরিকল্পনা, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া প্রতিরোধ করা। ফাঁস হওয়া নথিতে এ ধরনের অন্তত ৩০টি পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

তবে কার্যকর নীতি বাস্তবায়নে সময় প্রয়োজন। সেটিও বিশ্বাসহীনতা মামলার চেয়ে কম সময়সাপেক্ষ নয়। ব্যাংক ও খাদ্য শিল্পের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কঠোর নীতির আওতায় আনতে না পারলে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT