জীবিকার খোঁজে কর্মব্যস্ত শহরে ফিরছে মানুষ


অথর
জামালপুর জেলা সংবাদদাতা   বর্ণমালা টেলিভিশন
প্রকাশিত :১৫ জুলাই ২০২২, ৪:১০ অপরাহ্ণ | পঠিত : 180 বার
0
জীবিকার খোঁজে কর্মব্যস্ত শহরে ফিরছে মানুষ

ঈদের ছুটি শেষে কর্মব্যস্ত শহরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গত দুই দিন ট্রেন স্টেশনে খুব বেশি ভিড় না থাকলেও আজ শুক্রবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেল স্টেশনে ভিড় লক্ষ করা গেছে। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় না ঘটলেও অনেক ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়েছে। যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, টিকিট কেটেও অতিরিক্ত মানুষের চাপে নির্দিষ্ট সিটে তাঁরা বসতে পারেননি। এর সঙ্গে অতিরিক্ত গরম দীর্ঘযাত্রাকে আরও দীর্ঘ করেছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস, নীল সাগর, সুন্দরবন, রংপুর, একতা, যমুনা, উপবন, তূর্ণা নিষিথা, পারাবত, সুবর্ণ, মোহনাগঞ্জ, এগারসিন্দুর, রংপুর এক্সপ্রেস ও জামালপুর কমিউটারসহ কয়েকটি ট্রেন ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। পঞ্চগড় থেকে একতা এক্সপ্রেসে আসা যাত্রী রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাত ৯টায় ট্রেনে উঠেছি। এত মানুষ ট্রেনের ভেতরে যে অনেকেই টিকিট কেটেও বসার সুযোগ পায়নি। আবার অনেকেই টিকিট না কেটেই সিটে বসে এসেছে। এত দূরের রাস্তা অনেককেই দাঁড়িয়ে আসতে হয়েছে। পরিবার নিয়ে এত দূর থেকে এভাবে আসাটা খুবই কষ্টের। এ সময় ট্রেনের সংখ্যা কিছুটা বাড়ানো হলে যাত্রীদের এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।’ জামালপুর কমিউটারে পরিবারসহ ঢাকায় এসেছেন সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড গরম আর মাত্রাতিরিক্ত যাত্রীর কারণে ট্রেনের ভেতরের অবস্থা খুবই খারাপ। পরিবার নিয়ে কোনো রকমে ট্রেনে উঠেছি। ট্রেনের ভেতরে কোথাও একটু দাঁড়ানোর জায়গাও নাই। কাজকর্মে যেতে হবে, তাই চলে আসতে হয়েছে।’ চট্টগ্রাম থেকে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেসের যাত্রী সানজিদা ইসলাম বলেন, ‘সামনেই মাস্টার্সে ভর্তির পরীক্ষা দেব। তাই দ্রুতই চলে আসতে হয়েছে। সুবর্ণতে সব সময় বেশ ভালোই অবস্থা থাকে। আজকে তো দেখলাম অনেক মানুষ। অবশ্য সবারই কাজকর্ম শুরু হয়ে গেছে। সবাইকে তো যেতে হবে।’ কমলাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল থেকে ১৬টি ট্রেন কমলাপুরে এসে পৌঁছেছে। এগুলোর অধিকাংশ যাত্রী নিয়ে আবার ফিরে গেছে। শুধু নীল সাগর এক্সপ্রেস ২ ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া বাকি সব ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশনে পৌঁছেছে এবং স্টেশন ছেড়ে গেছে।’ মাসুদ সারওয়ার আরও বলেন, ‘গত দুই দিন মানুষের ভিড় তেমন না থাকলেও আজকে ভোর থেকে মানুষের ভিড় বেড়েছে। আজ ও কাল অধিকাংশ মানুষ ঢাকায় ফিরবে। তাই আমরা চেষ্টা করছি কোনো ট্রেন যেন দেরি না করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্টেশন ছেড়ে যেতে পারে। আর এই সময়ে মানুষের চাপ একটু বেশি থাকে। এ ক্ষেত্রে বগির সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

No Comments

আরও পড়ুন