ঢাকা, Saturday 18 September 2021

পিআইডি এর নিয়ম অনুসারে আবেদিত

ছুটির মধ্যেই এনটিআরসিএ’র জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশিত : 07:15 PM, 24 August 2020 Monday
87 বার পঠিত

| ডোনেট বিডি নিউজ ডেস্কঃ |

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়া চাহিদা সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জনের শেষ সুযোগ দিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেওয়া ই-রিকুইজিশন চাহিদা সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জন সংক্রান্ত এক জরুরি নির্দেশনায় এই তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

গত ২০ আগস্ট বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) ড. কাজী আসাদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত আদেশে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে সংশোধন করা না হলে পরে এ সংক্রান্ত কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আর শিক্ষকের চাহিদাপত্রে অনিয়ম ও অবহেলা পাওয়া গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সংশ্লিষ্ট

শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হবে।

এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পদ না থাকলেও শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ’র কাছে শিক্ষক নিয়োগের চাহিদাপত্র পাঠায়। ফলে শত শত শিক্ষক নিয়োগের পর এমপিও বঞ্চিত হন। এছাড়া ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা না মেনে আগের নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগের চাহিদা দেয়। ওই চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার পর এমপিও বঞ্চিত হন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা। এছাড়া এনটিআরসিএ’র সুপারিশের পরও অনেক প্রার্থী নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছেন।

এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে চাহিদাপত্র সংশোধনের শেষ সুযোগ দিয়ে আদেশ জারি করে কর্তৃপক্ষ। আদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে চাহিদাপত্র সংশোধনের শেষ সুযোগ দেয়া হয়।

আদেশে আরো বলা হয়, জেলা শিক্ষা অফিসার

ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে চাহিদাপত্র যাচাই বাছাই করে প্রয়োজন অনুসারে প্রতিষ্ঠানের চাহিদা সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জন করে প্রয়োজন অত্যাবশ্যক বিবেচিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দিয়ে চাহিদাপত্র সংশোধন করিয়ে নেবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সতর্ক করে আদেশে বলা হয়, সময়সীমার পর চাহিদাপত্র সংশোধন, পরিশোধন ও পরিমার্জনের আর কোনও আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে চাহিদাপত্র পাঠালে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র দেয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ডোনেট বাংলাদেশ'কে জানাতে ই-মেইল করুন- donetbd2010@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

ডোনেট বাংলাদেশ'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© 2021 সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। ডোনেট বাংলাদেশ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, ডেভোলপ ও ডিজাইন: DONET IT